মিথ্যা অপহরণের মামলা করার অভিযোগে কবি ও প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহার ও তার স্ত্রী ফরিদা আক্তারের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলা করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে প্রসিকিউসন দাখিল করে এই দম্পতির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১০৯ ও ২১১ ধারায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে এ মামলা দায়ের করেন।
ফরহাদ মজহার ও তার স্ত্রী ফরিদা আক্তার
আদালতে আদাবর থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (নন জিআরও) উপ পরিদর্শক শাহ আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আজ (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় এই আসামিদের বিরুদ্ধে (ফরহাদ মজহার ও ফরিদা আক্তার) তদন্তকারী কর্মকর্তা একটি প্রতিবেদন দাখিল করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। কোর্ট তা আমলে নিয়ে বিচার কাজ শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (পশ্চিম) গোলাম মোস্তফা রাসেল বলেন, ‘আজ আমরা আদালতে প্রসিকিউসন দাখিল করেছি।’
আদালত সূত্র জানায়, ফরহাদ মজহার ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে গোয়েন্দা পুলিশের দাখিল করা প্রসিকিউসন ‘কগনিজেবল অপরাধ’ হিসেবে আমলে নিয়েছে আদালত। এখন তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি বিচারকাজ চলবে।
এর আগে, গত ৭ ডিসেম্বর বিকালে ঢাকা মহানগর হাকিম খুরশিদ আলমের আদালত গত কবি ফরহাদ মজহার ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলার অনুমতি দেয়।
উল্লেখ্য, গত ৩ জুলাই ভোররাতে মোহাম্মদপুর লিংক রোডের হক গার্ডেনের নিজ বাসা থেকে বের হন ফরহাদ মজহার। এরপর ভোর ৫টা ২৯ মিনিটে তিনি তার স্ত্রীকে ফোন করে জানান, ‘ফরিদা, ওরা আমাকে নিয়ে যাচ্ছে। ওরা আমাকে মেরে ফেলবে।’ পরে তার স্ত্রী আদাবর থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার রাতে র্যাব-৬ যশোর নওয়াপাড়া থেকে তাকে উদ্ধার করে মিন্টো রোডের গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জবানবন্দি দেওয়ার জন্য তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছিল।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
ফরহাদ মজহার ও তার স্ত্রী ফরিদা আক্তার
আদালতে আদাবর থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (নন জিআরও) উপ পরিদর্শক শাহ আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আজ (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় এই আসামিদের বিরুদ্ধে (ফরহাদ মজহার ও ফরিদা আক্তার) তদন্তকারী কর্মকর্তা একটি প্রতিবেদন দাখিল করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। কোর্ট তা আমলে নিয়ে বিচার কাজ শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (পশ্চিম) গোলাম মোস্তফা রাসেল বলেন, ‘আজ আমরা আদালতে প্রসিকিউসন দাখিল করেছি।’
আদালত সূত্র জানায়, ফরহাদ মজহার ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে গোয়েন্দা পুলিশের দাখিল করা প্রসিকিউসন ‘কগনিজেবল অপরাধ’ হিসেবে আমলে নিয়েছে আদালত। এখন তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি বিচারকাজ চলবে।
এর আগে, গত ৭ ডিসেম্বর বিকালে ঢাকা মহানগর হাকিম খুরশিদ আলমের আদালত গত কবি ফরহাদ মজহার ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলার অনুমতি দেয়।
উল্লেখ্য, গত ৩ জুলাই ভোররাতে মোহাম্মদপুর লিংক রোডের হক গার্ডেনের নিজ বাসা থেকে বের হন ফরহাদ মজহার। এরপর ভোর ৫টা ২৯ মিনিটে তিনি তার স্ত্রীকে ফোন করে জানান, ‘ফরিদা, ওরা আমাকে নিয়ে যাচ্ছে। ওরা আমাকে মেরে ফেলবে।’ পরে তার স্ত্রী আদাবর থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার রাতে র্যাব-৬ যশোর নওয়াপাড়া থেকে তাকে উদ্ধার করে মিন্টো রোডের গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জবানবন্দি দেওয়ার জন্য তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছিল।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি