বাংলাদেশ

জামিন না হলে নির্বাচনে ‘অযোগ্য’ খালেদা

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আর এ দণ্ডাদেশ হওয়ায় আইন অনুযায়ী আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না তিনবারের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

অবশ্য এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে এবং রায় স্থগিত হলে তবেই তিনি প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাবেন।

সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১২ ধারা অনুযায়ী, দুই বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি সংসদ নির্বাচনে অযোগ্য হবেন। সেই সঙ্গে সাজা ভোগ শেষে পাঁচ বছর পার করার পরই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।

এছাড়া জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় নির্বাচনেও দুই বছরের বেশি সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিও অযোগ্য।

দণ্ডিত আসামি হওয়ায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল।

সংবিধান থেকে পড়ে এই মামলার আইনজীবী বলেন, যদি ফৌজদারি মামলায় কারও অন্তত দুই বছরের কারাদণ্ড হয় এবং সাজা খাটার পর অন্তত পাঁচ বছর অতিক্রান্ত না হয়, তাহলে তিনি নির্বাচন করতে পারবেন না।

বিএনপি চেয়ারপরসন বেগম খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। এখন তিনি আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি-না জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, আইনে যা আছে তাই। আইনে প্রার্থীর যোগ্যতার মধ্যে বলা আছে ফৌজদারি আদালতে সাজাপ্রাপ্ত হলে তিনি নমিনেশন জমা দিলেও সেটি বাতিল হয়ে যাবে।

তবে রায় স্থগিত হলে ভোটে অংশ নিতে বাধা নেই বলেও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার পুরানো ঢাকার বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় রায় ঘোষণা করেন।


এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি