পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমকে আইনি নোটিশ দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সোমবার তারেকের পক্ষে দলের আইনবিষয়ক সম্পাদক আইনজীবী কায়সার কামাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঠিকানায় আইনি নোটিশটি পাঠান।
নোটিশ পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে হয় বক্তব্যের সত্যতা প্রমাণ করতে হবে, নয়তো ক্ষমা চাইতে হবে। এর কোনোটিই না করলে প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
কায়সার কামাল বলেন, আইনি নোটিশে বলা হয়েছে, তারেক রহমান লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাসপোর্ট জমা দিয়ে নাগরিকত্ব বর্জন করেছেন বলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা অসত্য, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারেক রহমানকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় করতেই শাহরিয়ার আলম এই বক্তব্য দিয়েছেন।
নোটিশে বলা হয়েছে, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী যদি তারেকের পাসপোর্ট জমা দিয়ে নাগরিকত্ব বর্জনের যে বক্তব্য দিয়েছেন তা প্রমাণ করতে না পারেন, তাহলে তাকে জাতির কাছে অথবা তারেক রহমানের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। তা না হলে প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালতে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা করা হবে।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তারেক রহমান ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে লন্ডনে পলাতক আছেন। জামিন নিয়ে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যাওয়ার পর তিনি আর ফিরে আসেননি। অর্থ পাচার ও দুর্নীতির দুই মামলায় আদালতের রায়ে সাজাপ্রাপ্ত তিনি। এ ছাড়া ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলারও আসামি তিনি। এই মামলার বিচারকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
যা বলেছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেছিলেন, লন্ডনে হাইকমিশনে নিজের পাসপোর্ট জমা দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ছেড়েছেন।
গত শনিবার লন্ডনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মানে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ আয়োজিত সংবর্ধনা সভায় এ কথা বলেছেন শাহরিয়ার আলম। তিনি বলেছিলেন, ‘২০১২ সালে তারেক জিয়া তার বাংলাদেশি পাসপোর্ট লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে জমা দিয়ে তার বাংলাদেশি নাগরিকত্ব সারেন্ডার করেছে। সে কীভাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হয়?’
নাগরিক আছেন, থাকবেন
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, যতই কাহিনি বানানো হোক, জিয়া পরিবারের রক্ত ও মাটি হচ্ছে এ দেশে। তারা এ দেশের নাগরিক আছেন, এ দেশের নাগরিক থাকবেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে আইনের শাসন না থাকায় তারেক রহমানকে বিদেশে থাকতে হচ্ছে। যেদিন বাংলাদেশে আইনের শাসন ও গণতন্ত্র আসবে, সেদিন তারেক রহমান বাংলাদেশের মানুষের কাছে ফিরে আসবেন।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
সোমবার তারেকের পক্ষে দলের আইনবিষয়ক সম্পাদক আইনজীবী কায়সার কামাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঠিকানায় আইনি নোটিশটি পাঠান।
নোটিশ পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে হয় বক্তব্যের সত্যতা প্রমাণ করতে হবে, নয়তো ক্ষমা চাইতে হবে। এর কোনোটিই না করলে প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
কায়সার কামাল বলেন, আইনি নোটিশে বলা হয়েছে, তারেক রহমান লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাসপোর্ট জমা দিয়ে নাগরিকত্ব বর্জন করেছেন বলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা অসত্য, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারেক রহমানকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় করতেই শাহরিয়ার আলম এই বক্তব্য দিয়েছেন।
নোটিশে বলা হয়েছে, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী যদি তারেকের পাসপোর্ট জমা দিয়ে নাগরিকত্ব বর্জনের যে বক্তব্য দিয়েছেন তা প্রমাণ করতে না পারেন, তাহলে তাকে জাতির কাছে অথবা তারেক রহমানের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। তা না হলে প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালতে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা করা হবে।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তারেক রহমান ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে লন্ডনে পলাতক আছেন। জামিন নিয়ে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যাওয়ার পর তিনি আর ফিরে আসেননি। অর্থ পাচার ও দুর্নীতির দুই মামলায় আদালতের রায়ে সাজাপ্রাপ্ত তিনি। এ ছাড়া ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলারও আসামি তিনি। এই মামলার বিচারকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
যা বলেছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেছিলেন, লন্ডনে হাইকমিশনে নিজের পাসপোর্ট জমা দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ছেড়েছেন।
গত শনিবার লন্ডনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মানে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ আয়োজিত সংবর্ধনা সভায় এ কথা বলেছেন শাহরিয়ার আলম। তিনি বলেছিলেন, ‘২০১২ সালে তারেক জিয়া তার বাংলাদেশি পাসপোর্ট লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে জমা দিয়ে তার বাংলাদেশি নাগরিকত্ব সারেন্ডার করেছে। সে কীভাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হয়?’
নাগরিক আছেন, থাকবেন
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, যতই কাহিনি বানানো হোক, জিয়া পরিবারের রক্ত ও মাটি হচ্ছে এ দেশে। তারা এ দেশের নাগরিক আছেন, এ দেশের নাগরিক থাকবেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে আইনের শাসন না থাকায় তারেক রহমানকে বিদেশে থাকতে হচ্ছে। যেদিন বাংলাদেশে আইনের শাসন ও গণতন্ত্র আসবে, সেদিন তারেক রহমান বাংলাদেশের মানুষের কাছে ফিরে আসবেন।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি