জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিনের আপিল শুনানি শেষ হয়েছে। আগামী ১৫ মে ২০১৮ মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার জামিন নিয়ে রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছেন আদালত।
৯ মে ২০১৮ বুধবার সব পক্ষের শুনানি শেষে, প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ রায়ের জন্য এ দিন নির্ধারণ করেন। এ সময় তুমুল হট্টগোলের মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়ার জামিন প্রশ্নে দুদক, রাষ্ট্রপক্ষ ও খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের শুনানি শেষ হয়েছে।
এদিকে, খালেদা জিয়ার জামিন বাতিল চেয়ে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান এবং রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
অন্যদিকে, খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আর্জি জানিয়ে শুনানি করেন তাঁর আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জে মোহম্মদ আলী ও জয়নুল আবেদীন।
এর আগে ৮ মে মঙ্গলবার সকালে খালেদা জিয়ার জামিন প্রশ্নে প্রথমে শুনানি করেন দুদকের পক্ষে খুরশিদ আলম খান। পরে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমও শুনানি করেন। এরপর খালেদা জিয়ার পক্ষে এজে মোহাম্মদ আলী শুনানি শুরু করলেও অসমাপ্ত থেকে যায়। সেখান থেকেই ৯ মে বুধবার সকালে শুনানি শুরু করেন তিনি।
উল্লেখ্য, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ বকশীবাজারে কারা অধিদফতরের প্যারেড গ্রাউন্ডে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান মামলাটিতে খালেদা জিয়ার ৫ বছর কারাদণ্ড দেন। এই মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড এবং আসামিদের দুই কোটি ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ রায় ঘোষণার পর পুরান ঢাকার পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারকে বিশেষ কারাগার ঘোষণা দিয়ে ৭৩ বছর বয়সী খালেদা জিয়াকে সেখানে রাখা হয়।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
৯ মে ২০১৮ বুধবার সব পক্ষের শুনানি শেষে, প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ রায়ের জন্য এ দিন নির্ধারণ করেন। এ সময় তুমুল হট্টগোলের মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়ার জামিন প্রশ্নে দুদক, রাষ্ট্রপক্ষ ও খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের শুনানি শেষ হয়েছে।
এদিকে, খালেদা জিয়ার জামিন বাতিল চেয়ে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান এবং রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
অন্যদিকে, খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রাখার আর্জি জানিয়ে শুনানি করেন তাঁর আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জে মোহম্মদ আলী ও জয়নুল আবেদীন।
এর আগে ৮ মে মঙ্গলবার সকালে খালেদা জিয়ার জামিন প্রশ্নে প্রথমে শুনানি করেন দুদকের পক্ষে খুরশিদ আলম খান। পরে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমও শুনানি করেন। এরপর খালেদা জিয়ার পক্ষে এজে মোহাম্মদ আলী শুনানি শুরু করলেও অসমাপ্ত থেকে যায়। সেখান থেকেই ৯ মে বুধবার সকালে শুনানি শুরু করেন তিনি।
উল্লেখ্য, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ বকশীবাজারে কারা অধিদফতরের প্যারেড গ্রাউন্ডে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান মামলাটিতে খালেদা জিয়ার ৫ বছর কারাদণ্ড দেন। এই মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড এবং আসামিদের দুই কোটি ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ রায় ঘোষণার পর পুরান ঢাকার পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারকে বিশেষ কারাগার ঘোষণা দিয়ে ৭৩ বছর বয়সী খালেদা জিয়াকে সেখানে রাখা হয়।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি