ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের ওয়ারাঙ্গলের একটি বাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে কারখানা ও সংলগ্ন বাজির গুদামে আগুন ধরে যায়।বুধবার দুপুরে ওই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় লোকজন বলেছেন, বিস্ফোরণের সময় কারখানায় বাজি তৈরি করার প্রচুর দাহ্য পদার্থ রাখা ছিল। বহুদূর থেকে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ওই কারখানার ভেতরে বাজি তৈরির কাজ করছিলেন কারিগরেরা। তাঁদের অধিকাংশ ছিলেন নারী। কয়েকজন শিশুও ছিল। মৃত ব্যক্তিদের অধিকাংশই নারী। একটি শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
জেলা কালেক্টর এম হারিথা বলেছেন, বিস্ফোরণের কারণ খুঁজছে প্রশাসন। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।
কারখানার মালিক গোলাপল্লি রাজকুমারের দাবি, দুর্ঘটনার সময় কারখানায় সাত থেকে আটজন কারিগর কাজ করছিলেন। তবে পুলিশের দাবি, সেখানে কর্মীর সংখ্যা আরও বেশি ছিল। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ওই কারখানা থেকে এখন পর্যন্ত ২৮টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাও দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। নিহত ব্যক্তিদের পরিবারপিছু পাঁচ লাখ রুপি করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি
স্থানীয় লোকজন বলেছেন, বিস্ফোরণের সময় কারখানায় বাজি তৈরি করার প্রচুর দাহ্য পদার্থ রাখা ছিল। বহুদূর থেকে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ওই কারখানার ভেতরে বাজি তৈরির কাজ করছিলেন কারিগরেরা। তাঁদের অধিকাংশ ছিলেন নারী। কয়েকজন শিশুও ছিল। মৃত ব্যক্তিদের অধিকাংশই নারী। একটি শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
জেলা কালেক্টর এম হারিথা বলেছেন, বিস্ফোরণের কারণ খুঁজছে প্রশাসন। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।
কারখানার মালিক গোলাপল্লি রাজকুমারের দাবি, দুর্ঘটনার সময় কারখানায় সাত থেকে আটজন কারিগর কাজ করছিলেন। তবে পুলিশের দাবি, সেখানে কর্মীর সংখ্যা আরও বেশি ছিল। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ওই কারখানা থেকে এখন পর্যন্ত ২৮টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাও দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। নিহত ব্যক্তিদের পরিবারপিছু পাঁচ লাখ রুপি করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি