‘পিস মিশন-২০১৮’ নামের একটি সামরিক মহড়ায় অংশ নিতে যাচ্ছে ভারত-পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। চরম বৈরী প্রতিবেশি এই দুটি দেশ এই প্রথম একসঙ্গে সামরিক মহড়ায় অংশ নিতে যাচ্ছে। বহুজাতিক সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে এ মহড়ায় অংশ নিচ্ছে তারা। এই দুই দেশ ছাড়া এতে আরও অংশ নেবে চীন, রাশিয়া ও এসসিও দেশভুক্ত দেশের সেনারা।
শুক্রবার রাশিয়ার চেলিয়াবিনস্ক এলাকায় চেবারকুলে ‘২৫৫ কম্বাইন্ড আর্মস রেঞ্জ’ এর উদ্বোধন করে।
ভারতের সেনা মুখপাত্র আমান আনন্দ বলেছেন, এসসিওভুক্ত দেশের সেনাবাহিনীর জন্য এ মহড়া হবে একটি বড় সুযোগ। এতে বহুজাতিক ও যৌথ পরিবেশগত অবস্থানে কিভাবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে, সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এতে থাকবে পারস্পরিক ক্রিয়া, পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে মহড়া ও তার প্রক্রিয়া, স্থাপন করা হবে একটি যৌথ কমান্ড ও কন্ট্রোল কাঠামো, সন্ত্রাস নির্মূলের জন্য কর্মকৌশল। এ মহড়ায় রাশিয়ার ১৭০০, চীনের ৭০০ এবং ভারতের ২০০ সেনা সদস্য থাকছে। তবে পাকিস্তানের কত সেনাসদস্য থাকছে তা জানানো হয়নি।
ভারতের সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তা বলেছেন, পাকিস্তানের সেনা আছে—এমন কোনও আন্তর্জাতিক মহড়ায় ভারত একসঙ্গে অংশ নেয়নি। তবে জাতিসংঘের মিশন ও কর্মকাণ্ডে দুই দেশের সেনারা একত্রে কাজ করেন।
এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি
শুক্রবার রাশিয়ার চেলিয়াবিনস্ক এলাকায় চেবারকুলে ‘২৫৫ কম্বাইন্ড আর্মস রেঞ্জ’ এর উদ্বোধন করে।
ভারতের সেনা মুখপাত্র আমান আনন্দ বলেছেন, এসসিওভুক্ত দেশের সেনাবাহিনীর জন্য এ মহড়া হবে একটি বড় সুযোগ। এতে বহুজাতিক ও যৌথ পরিবেশগত অবস্থানে কিভাবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে, সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এতে থাকবে পারস্পরিক ক্রিয়া, পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে মহড়া ও তার প্রক্রিয়া, স্থাপন করা হবে একটি যৌথ কমান্ড ও কন্ট্রোল কাঠামো, সন্ত্রাস নির্মূলের জন্য কর্মকৌশল। এ মহড়ায় রাশিয়ার ১৭০০, চীনের ৭০০ এবং ভারতের ২০০ সেনা সদস্য থাকছে। তবে পাকিস্তানের কত সেনাসদস্য থাকছে তা জানানো হয়নি।
ভারতের সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তা বলেছেন, পাকিস্তানের সেনা আছে—এমন কোনও আন্তর্জাতিক মহড়ায় ভারত একসঙ্গে অংশ নেয়নি। তবে জাতিসংঘের মিশন ও কর্মকাণ্ডে দুই দেশের সেনারা একত্রে কাজ করেন।
এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি