ইরানকে লক্ষ্য করে মার্কিন নতুন নিষেধাজ্ঞা নাকচ করে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘চড় মারা’ হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি।
৪ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার তেহরানে ইরানের আধা-সামরিক বাহিনী বিপ্লবী গার্ডের অধীন স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী বাসিজের কয়েক হাজার সদস্যের সামনে বক্তব্যকালে খামেনি এ মন্তব্য করেন।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি জানান, তিনি শুনতে পেরেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় নেতাদের বলেছেন, সামনের মাসগুলোতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন ঘটবে।
নিষেধাজ্ঞাগুলো ইতিমধ্যে ইরানের অর্থনীতিতে আঘাত হেনেছে। ডলারের বিপরীতে দেশটির রিয়ালের পতন ত্বরান্বিত হচ্ছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা সতর্ক করে বলেন, বিদেশি শত্রু নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম ‘রাসায়নিক অস্ত্রের’ মতো বিপজ্জনক হতে পারে।
২২ সেপ্টেম্বর ইরানের তেলসমৃদ্ধ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আভাজ শহরে সামরিক কুচকাওয়াজে এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ হামলায় শিশু, নারী ও সাংবাদিকসহ অন্তত ২৫ জন নিহত হয়। এ ঘটনায় ৬০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়। বিপ্লবী গার্ডের কমপক্ষে আট সদস্য নিহত ও ২০ জন আহত হয়।
ইরানের বিপ্লবী গার্ডের পোশাক পরা বন্দুকধারীরা সেনা ও পুলিশ কমান্ডারদের বসে থাকার জায়গা লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সেই গুলিতে নিহতদের অর্ধেকই খামেনির কমান্ডের আওতায় ছিলেন।
এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি
৪ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার তেহরানে ইরানের আধা-সামরিক বাহিনী বিপ্লবী গার্ডের অধীন স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী বাসিজের কয়েক হাজার সদস্যের সামনে বক্তব্যকালে খামেনি এ মন্তব্য করেন।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি জানান, তিনি শুনতে পেরেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় নেতাদের বলেছেন, সামনের মাসগুলোতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন ঘটবে।
নিষেধাজ্ঞাগুলো ইতিমধ্যে ইরানের অর্থনীতিতে আঘাত হেনেছে। ডলারের বিপরীতে দেশটির রিয়ালের পতন ত্বরান্বিত হচ্ছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা সতর্ক করে বলেন, বিদেশি শত্রু নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম ‘রাসায়নিক অস্ত্রের’ মতো বিপজ্জনক হতে পারে।
২২ সেপ্টেম্বর ইরানের তেলসমৃদ্ধ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আভাজ শহরে সামরিক কুচকাওয়াজে এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ হামলায় শিশু, নারী ও সাংবাদিকসহ অন্তত ২৫ জন নিহত হয়। এ ঘটনায় ৬০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়। বিপ্লবী গার্ডের কমপক্ষে আট সদস্য নিহত ও ২০ জন আহত হয়।
ইরানের বিপ্লবী গার্ডের পোশাক পরা বন্দুকধারীরা সেনা ও পুলিশ কমান্ডারদের বসে থাকার জায়গা লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সেই গুলিতে নিহতদের অর্ধেকই খামেনির কমান্ডের আওতায় ছিলেন।
এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি