ভারতের আসাম রাজ্যের তিনসুকিয়াতে গুলি চালিয়ে পাঁচ বাঙালিকে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে খেরবাড়ি গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। গুলিতে আরো কয়েকজন আহত হয়েছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।
নিহতরা হলো-শ্যামলাল বিশ্বাস, অনন্ত বিশ্বাস, অবিনাশ বিশ্বাস, সুবল দাস এবং ধনঞ্জয় নম:শূদ্র।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, অন্তত ছয়জন অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতিকারী সামরিক পোশাক পরে দুটি দলে ভাগ হয়ে সেখানে হাজির হয়েছিল। রাত ৮টা নাগাদ একটি দোকানের সামনে কয়েক জন বাসিন্দা গল্প করছিলেন। বেছে বেছে কয়েক জনকে ‘আলোচনা আছে’ বলে ডেকে ভূপেন হাজরিকা সেতুর কাছে নিয়ে যায় তারা।সবাইকে জোর করে একসঙ্গে বসানোর পরেই স্বয়ংক্রিয় রাইফেল থেকে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে দুস্কৃতিকারীরা। ঘটনাস্থলেই মারা যান একই পরিবারের তিন সদস্যসহ পাঁচ জন। ৪০ থেকে ৫০ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছে।
আসামের বাঙালি সংগঠনগুলো মনে করছে আলফা (স্বাধীন গোষ্ঠী) এই হামলা চালিয়ে থাকতে পারে।
জাতীয় নাগরিকপঞ্জি হালনাগাদ করা এবং নাগরিকত্ব আইন পরিবর্তন করে ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের পরেও যেসব বাংলাভাষী আসামে এসেছেন - বিশেষত বাংলাদেশ থেকে, তাদের নাগরিকত্ব দেওয়ার ইস্যুতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই অসমীয়া এবং বাঙালিদের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে চলছে। এ ব্যাপারে বাঙালিদের নিশানা করার হুমকি আগেই দিয়েছিল আলফা। পুজার মুখে ফ্যান্সিবাজারে বিস্ফোরণ ঘটায় তারা। তখনও তাদের নিশানায় ছিল বাঙালি সংগঠনগুলি। তিনসুকিয়ার ঘটনাতেও তাদের হাত রয়েছে বলে পুলিশের দাবি। এলাকাটি বরাবর আলফার ঘাঁটি বলেই পরিচিত।
এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি
নিহতরা হলো-শ্যামলাল বিশ্বাস, অনন্ত বিশ্বাস, অবিনাশ বিশ্বাস, সুবল দাস এবং ধনঞ্জয় নম:শূদ্র।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, অন্তত ছয়জন অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতিকারী সামরিক পোশাক পরে দুটি দলে ভাগ হয়ে সেখানে হাজির হয়েছিল। রাত ৮টা নাগাদ একটি দোকানের সামনে কয়েক জন বাসিন্দা গল্প করছিলেন। বেছে বেছে কয়েক জনকে ‘আলোচনা আছে’ বলে ডেকে ভূপেন হাজরিকা সেতুর কাছে নিয়ে যায় তারা।সবাইকে জোর করে একসঙ্গে বসানোর পরেই স্বয়ংক্রিয় রাইফেল থেকে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে দুস্কৃতিকারীরা। ঘটনাস্থলেই মারা যান একই পরিবারের তিন সদস্যসহ পাঁচ জন। ৪০ থেকে ৫০ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছে।
আসামের বাঙালি সংগঠনগুলো মনে করছে আলফা (স্বাধীন গোষ্ঠী) এই হামলা চালিয়ে থাকতে পারে।
জাতীয় নাগরিকপঞ্জি হালনাগাদ করা এবং নাগরিকত্ব আইন পরিবর্তন করে ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের পরেও যেসব বাংলাভাষী আসামে এসেছেন - বিশেষত বাংলাদেশ থেকে, তাদের নাগরিকত্ব দেওয়ার ইস্যুতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই অসমীয়া এবং বাঙালিদের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে চলছে। এ ব্যাপারে বাঙালিদের নিশানা করার হুমকি আগেই দিয়েছিল আলফা। পুজার মুখে ফ্যান্সিবাজারে বিস্ফোরণ ঘটায় তারা। তখনও তাদের নিশানায় ছিল বাঙালি সংগঠনগুলি। তিনসুকিয়ার ঘটনাতেও তাদের হাত রয়েছে বলে পুলিশের দাবি। এলাকাটি বরাবর আলফার ঘাঁটি বলেই পরিচিত।
এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি