ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে ব্রিটেনের বের হয়ে যাওয়ার (ব্রেক্সিট) পরবর্তী সম্পর্ক নিয়ে ইউরোপীয় কমিশন ও ব্রিটিশ ব্রেক্সিট আলোচকরা একটি খসড়া চুক্তিতে পৌঁছেছেন। তবে মাছ ও জিব্রাল্টার প্রণালী নিয়ে কোনো মতৈক্য হয়নি। বৃহস্পতিবার ব্রেক্সিট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসের বৈঠকে চুক্তিটি পর্যবেক্ষণ করে দেখবেন ইইউ এর ২৭ টি দেশের দূত। প্রায় ১৮ মাস আলোচনার পর বেক্সিট পরবর্তী সম্পর্ক নিয়ে শেষ পর্যন্ত ইইউ ও ব্রিটেন একটি খসড়া চুক্তিতে পৌঁছতে সক্ষম হলো।
লন্ডনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘ব্রিটিশ জনগণ এর সমঝোতা চায়, তারা একটি ভালো চুক্তি চায় যা আমাদের উজ্জল ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাবে। এই চুক্তিটি এখন আমাদের নাগালের মধ্যে এবং আমি এটি দেওয়ার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।’
ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে নিজের দলের মধ্যেই প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন থেরেসা মে। এই চুক্তি ইস্যুতে দ্বিমতকে কেন্দ্র করে গত সপ্তাহে তার মন্ত্রিসভার কয়েকজন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। গত সপ্তাহে চুক্তিটির খসড়া চুক্তিতে শর্ত যুক্ত করার পর ইইউ’র প্রধান জিন ক্লিড জাঙ্কারের সঙ্গে বুধবার দেখা করেছেন থেরেসা মে। এই চুক্তিটি চূড়ান্ত করতেই তাদের এ বৈঠক ছিল। রোববার ইইউ সম্মেলনে খসড়া চুক্তিটি সই হওয়ার পর থেরেসা মে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে তা অনুমোদন করানোর চেষ্টা করবেন।
এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি
বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসের বৈঠকে চুক্তিটি পর্যবেক্ষণ করে দেখবেন ইইউ এর ২৭ টি দেশের দূত। প্রায় ১৮ মাস আলোচনার পর বেক্সিট পরবর্তী সম্পর্ক নিয়ে শেষ পর্যন্ত ইইউ ও ব্রিটেন একটি খসড়া চুক্তিতে পৌঁছতে সক্ষম হলো।
লন্ডনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘ব্রিটিশ জনগণ এর সমঝোতা চায়, তারা একটি ভালো চুক্তি চায় যা আমাদের উজ্জল ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাবে। এই চুক্তিটি এখন আমাদের নাগালের মধ্যে এবং আমি এটি দেওয়ার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।’
ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে নিজের দলের মধ্যেই প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন থেরেসা মে। এই চুক্তি ইস্যুতে দ্বিমতকে কেন্দ্র করে গত সপ্তাহে তার মন্ত্রিসভার কয়েকজন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। গত সপ্তাহে চুক্তিটির খসড়া চুক্তিতে শর্ত যুক্ত করার পর ইইউ’র প্রধান জিন ক্লিড জাঙ্কারের সঙ্গে বুধবার দেখা করেছেন থেরেসা মে। এই চুক্তিটি চূড়ান্ত করতেই তাদের এ বৈঠক ছিল। রোববার ইইউ সম্মেলনে খসড়া চুক্তিটি সই হওয়ার পর থেরেসা মে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে তা অনুমোদন করানোর চেষ্টা করবেন।
এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি