স্যামসাংয়ের কারখানায় কাজ করে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়া শ্রমিকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে কারখানায় কাজ করে মৃত্যুবরণকারীদের কাছেও ক্ষমা চেয়েছে তারা। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অপবাদ ঘুচিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার শ্রমিকদের কাছে ক্ষমা চায় স্যামসাং। এ সম্পর্কে প্রতিষ্ঠানটির সহ-সভাপতি কিম কি-নাম বলেন, যারা এখানে কাজ করে অসুস্থ হয়েছে তাদের কাছে এবং তাদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের কারখানায় স্বাস্থ্য ঝুঁকি ঠেকাতে সঠিক পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছি।
বেশ কয়েকটি সংগঠনের হিসাবমতে, স্যামসাংয়ের কারখানায় কাজ করার পর ২৪০ জনেরও বেশি শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর মধ্যে প্রায় ৮০ জন শ্রমিক মৃত্যুর সম্মুখীন।
সংগঠনগুলোর বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানায়, শ্রমিকরা ১৬ ধরনের ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন। ক্যানসারের পাশাপাশি অন্যান্য রোগেও তারা আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে। এছাড়া স্যামসাংয়ের শ্রমিকদের পরবর্তী প্রজন্মের ওপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
প্রসঙ্গত, কারখানায় কাজ করার কারণে শ্রমিকদের অসুস্থ হওয়া সম্পর্কে প্রথম অভিযোগ করা হয় ২০০৭ সালে। তখন এক কর্মী বেশ কয়েক ধরনের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ায় এবং পরবর্তীতে মারা যাওয়ায় স্যামসাংয়কে দায়ী করা হয়।
এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি
এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার শ্রমিকদের কাছে ক্ষমা চায় স্যামসাং। এ সম্পর্কে প্রতিষ্ঠানটির সহ-সভাপতি কিম কি-নাম বলেন, যারা এখানে কাজ করে অসুস্থ হয়েছে তাদের কাছে এবং তাদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের কারখানায় স্বাস্থ্য ঝুঁকি ঠেকাতে সঠিক পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছি।
বেশ কয়েকটি সংগঠনের হিসাবমতে, স্যামসাংয়ের কারখানায় কাজ করার পর ২৪০ জনেরও বেশি শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর মধ্যে প্রায় ৮০ জন শ্রমিক মৃত্যুর সম্মুখীন।
সংগঠনগুলোর বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানায়, শ্রমিকরা ১৬ ধরনের ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন। ক্যানসারের পাশাপাশি অন্যান্য রোগেও তারা আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে। এছাড়া স্যামসাংয়ের শ্রমিকদের পরবর্তী প্রজন্মের ওপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
প্রসঙ্গত, কারখানায় কাজ করার কারণে শ্রমিকদের অসুস্থ হওয়া সম্পর্কে প্রথম অভিযোগ করা হয় ২০০৭ সালে। তখন এক কর্মী বেশ কয়েক ধরনের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ায় এবং পরবর্তীতে মারা যাওয়ায় স্যামসাংয়কে দায়ী করা হয়।
এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি