বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় জার্মানির রাজধানী বার্লিনের মসজিদসহ বেশ কয়েকটি ভবনে অভিযান চালিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। তাদের সন্দেহ, সিরিয়ায় ইসলামি যোদ্ধাদের অর্থ সহায়তা করছে বার্লিনের এক মসজিদের ইমাম।
ডয়চে ভেলে এক প্রতিবেদনে জানায়, মঙ্গলবার ভোরে বার্লিনের একটি মসজিদসহ বেশ কয়েকটি ভবনে অভিযান চালায় পুলিশ। তাদের ধারণা, এসব ভবনে সন্ত্রাসবাদে মদদ দাতারা আত্মগোপন করে আছেন।
এসব অভিযানে অংশ নেন স্টেট ক্রিমিনাল পুলিশ, গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং পুলিশের বিশেষ বাহিনী। বার্লিনের ওয়েডিং এলাকার কাছে আস-সাহাবা মসজিদে অভিযান চালায় তারা।
ঐ মসজিদের ইমাম আহমেদকে প্রধান সন্দেহভাজন মদদদাতা বলে ধারণা করা হচ্ছে। মসজিদে ইমামতি করার সময় তিনি ‘আবুল বারা' নামটি ব্যবহার করেন। আইনজীবীরা জানান, ৪৫ বছর বয়সী এই ইমাম সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য সিরিয়ার ইসলামি যোদ্ধাদের কাছে অর্থ সাহায্য পাঠান। সেসব অর্থ দিয়ে সামরিক অস্ত্র কেনা হয়।
তবে বার্লিন কর্তৃপক্ষ এখনই এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে রাজি হয়নি। আস-সাহাবা মসজিদটিতে বহুদিন থেকেই নজর রাখছিল জার্মানির গোয়েন্দা সংস্থা। তারা বলছেন, জার্মানির কট্টরপন্থি সালাফিস্ট সদস্যদের জমায়েত হওয়ার জায়গা এই মসজিদ।
ডয়চে ভেলে এক প্রতিবেদনে জানায়, মঙ্গলবার ভোরে বার্লিনের একটি মসজিদসহ বেশ কয়েকটি ভবনে অভিযান চালায় পুলিশ। তাদের ধারণা, এসব ভবনে সন্ত্রাসবাদে মদদ দাতারা আত্মগোপন করে আছেন।
এসব অভিযানে অংশ নেন স্টেট ক্রিমিনাল পুলিশ, গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং পুলিশের বিশেষ বাহিনী। বার্লিনের ওয়েডিং এলাকার কাছে আস-সাহাবা মসজিদে অভিযান চালায় তারা।
ঐ মসজিদের ইমাম আহমেদকে প্রধান সন্দেহভাজন মদদদাতা বলে ধারণা করা হচ্ছে। মসজিদে ইমামতি করার সময় তিনি ‘আবুল বারা' নামটি ব্যবহার করেন। আইনজীবীরা জানান, ৪৫ বছর বয়সী এই ইমাম সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য সিরিয়ার ইসলামি যোদ্ধাদের কাছে অর্থ সাহায্য পাঠান। সেসব অর্থ দিয়ে সামরিক অস্ত্র কেনা হয়।
তবে বার্লিন কর্তৃপক্ষ এখনই এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে রাজি হয়নি। আস-সাহাবা মসজিদটিতে বহুদিন থেকেই নজর রাখছিল জার্মানির গোয়েন্দা সংস্থা। তারা বলছেন, জার্মানির কট্টরপন্থি সালাফিস্ট সদস্যদের জমায়েত হওয়ার জায়গা এই মসজিদ।