২০১৭ সালের ২২ নভেম্বর যুক্তরাজ্যের লেস্টার শহরের গ্লেনফিল্ড হাসপাতালে একটি শিশু জন্মগ্রহণ করে। তবে সিজারের মাধ্যমে জন্ম নেয়া ভেনেলোপ উইকন্স নামের ওই শিশুর হৃদযন্ত্রটি শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল। অবশেষে জন্ম নেয়ার ১৪ মাস পর তার হৃদযন্ত্রটি প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শিশুটির হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপন করতে তার বুকে তিনটি অপারেশন চালিছেয়েন চিকিৎসকরা। ভেনেলোপ উইকন্সকে নটিংহ্যাম শহরের কুইন্স মেডিকেল সেন্টার থেকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গত বছরের মে মাসে ওই মেডিকেল সেন্টারে তাকে স্থানান্তর করা হয়েছিল।
শিশুটিকে আগেও বেশ কয়েকবার বাড়িতে নেয়া হলেও এবার স্থায়ীভাবে নেয়া হয়েছে। নটিংহামের বুলওয়েলের বাসিন্দা ওই শিশুর মা বিবিসিকে বলেন, ‘ভেনেলোপকে ঘরে আনতে পারাটা আমাদের জন্য উত্তেজনাকর ও একটা বড় চাপ থেকে মুক্ত হওয়ার ব্যাপার। দীর্ঘ এই যাত্রা একইসঙ্গে যেমন উত্তেজনাকর ছিল তেমনি ছিল ভয়ের। লম্বা একটা আবেগঘন সময় পার করে আমরা তাকে ঘরে আনতে পারলাম।’
গত ১৪ মাস সার্বক্ষণিক চিকিৎসা সেবার মধ্যে ছিল শিশুটি। সারারাত জেগে সন্তানের পাশে ছিলেন বাবা-মা দু’জনেই। শিশুটির বাবা ডিন উইকিন্স বলেন, ‘এখনো তাকে (শিশুটি) অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে। ঘরে ফেরার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ যাত্রার প্রথম ধাপটি অতিক্রম করলো সে। আগামীতে তার সঙ্গে আমাদের যে স্মৃতিগুলো তৈরি হতে যাচ্ছে তার জন্য অপেক্ষা করছি আমরা।’
বিরল এই রোগের নাম ইক্টোপিয়া কোরডিস। কয়েক লাখ শিশুর জন্ম নেয়ার ক্ষেত্রেও এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। ভেনেলোপ নামের ওই শিশুটি যখন মায়ের পেটে তখনই এটি ধরা পড়ে। চিকিৎসকরা বলেছিলেন, তার বাঁচার সম্ভাবনা দশভাগের এক ভাগ।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শিশুটির হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপন করতে তার বুকে তিনটি অপারেশন চালিছেয়েন চিকিৎসকরা। ভেনেলোপ উইকন্সকে নটিংহ্যাম শহরের কুইন্স মেডিকেল সেন্টার থেকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গত বছরের মে মাসে ওই মেডিকেল সেন্টারে তাকে স্থানান্তর করা হয়েছিল।
শিশুটিকে আগেও বেশ কয়েকবার বাড়িতে নেয়া হলেও এবার স্থায়ীভাবে নেয়া হয়েছে। নটিংহামের বুলওয়েলের বাসিন্দা ওই শিশুর মা বিবিসিকে বলেন, ‘ভেনেলোপকে ঘরে আনতে পারাটা আমাদের জন্য উত্তেজনাকর ও একটা বড় চাপ থেকে মুক্ত হওয়ার ব্যাপার। দীর্ঘ এই যাত্রা একইসঙ্গে যেমন উত্তেজনাকর ছিল তেমনি ছিল ভয়ের। লম্বা একটা আবেগঘন সময় পার করে আমরা তাকে ঘরে আনতে পারলাম।’
গত ১৪ মাস সার্বক্ষণিক চিকিৎসা সেবার মধ্যে ছিল শিশুটি। সারারাত জেগে সন্তানের পাশে ছিলেন বাবা-মা দু’জনেই। শিশুটির বাবা ডিন উইকিন্স বলেন, ‘এখনো তাকে (শিশুটি) অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে। ঘরে ফেরার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ যাত্রার প্রথম ধাপটি অতিক্রম করলো সে। আগামীতে তার সঙ্গে আমাদের যে স্মৃতিগুলো তৈরি হতে যাচ্ছে তার জন্য অপেক্ষা করছি আমরা।’
বিরল এই রোগের নাম ইক্টোপিয়া কোরডিস। কয়েক লাখ শিশুর জন্ম নেয়ার ক্ষেত্রেও এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। ভেনেলোপ নামের ওই শিশুটি যখন মায়ের পেটে তখনই এটি ধরা পড়ে। চিকিৎসকরা বলেছিলেন, তার বাঁচার সম্ভাবনা দশভাগের এক ভাগ।