একদিন পর জি বাংলা, জি সিনেমা ও জি টিভিসহ ভারতীয় জি নেটওয়ার্কের সব চ্যানেল খুলে দেয়া হয়েছে। এর ফলে জি নেটওয়ার্কের সব চ্যানেল বাংলাদেশের সর্বত্র দেখা যাচ্ছে।
তথ্য মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক নির্দেশনার পর পরিবেশক (ডিস্ট্রিবিউটর) প্রতিষ্ঠান জাদু ভিশন লিমিটেডের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে ওই চ্যানেলগুলোর সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
এরপর জাদু ভিশন লিমিটেডের কাস্টমার সার্ভিস বিভাগের কর্মকর্তা ফায়সাল গণমাধ্যমকে বলেন, বুধবার দুপুর ১২টা থেকে বন্ধ থাকা জি নেটওয়ার্কের চ্যানেলগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে।
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশে বিদেশি কোনো চ্যানেলে কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করা যায় না। শুধু দেশীয় বিজ্ঞাপন নয়, কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন দেখানো যায় না, এটি হচ্ছে বাংলাদেশের আইন। একই ধরনের আইন ভারত, যুক্তরাজ্য, ইউরোপেও আছে। বাংলাদেশে এ আইনটি মানা হচ্ছিল না এবং এ আইনটি প্রয়োগ করা হয়নি। এ কারণে যেটি হয়েছে, বাংলাদেশের টিভিগুলো যে বিজ্ঞাপন পেত তার বড় অংশ চলে গেছে ভারতে।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে যে কটি বিদেশি চ্যানেল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল তার মধ্যে কলকাতা হতে নিয়ন্ত্রিত জি বাংলা অন্যতম।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
তথ্য মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক নির্দেশনার পর পরিবেশক (ডিস্ট্রিবিউটর) প্রতিষ্ঠান জাদু ভিশন লিমিটেডের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে ওই চ্যানেলগুলোর সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
এরপর জাদু ভিশন লিমিটেডের কাস্টমার সার্ভিস বিভাগের কর্মকর্তা ফায়সাল গণমাধ্যমকে বলেন, বুধবার দুপুর ১২টা থেকে বন্ধ থাকা জি নেটওয়ার্কের চ্যানেলগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে।
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশে বিদেশি কোনো চ্যানেলে কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করা যায় না। শুধু দেশীয় বিজ্ঞাপন নয়, কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন দেখানো যায় না, এটি হচ্ছে বাংলাদেশের আইন। একই ধরনের আইন ভারত, যুক্তরাজ্য, ইউরোপেও আছে। বাংলাদেশে এ আইনটি মানা হচ্ছিল না এবং এ আইনটি প্রয়োগ করা হয়নি। এ কারণে যেটি হয়েছে, বাংলাদেশের টিভিগুলো যে বিজ্ঞাপন পেত তার বড় অংশ চলে গেছে ভারতে।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে যে কটি বিদেশি চ্যানেল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল তার মধ্যে কলকাতা হতে নিয়ন্ত্রিত জি বাংলা অন্যতম।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি