বিশ্বের সবচেয়ে বড় উড়োজাহাজ প্রথমবারের মতো আকাশে উড়েছে। শনিবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মোহাভি মরুভূমির একটি বিমান ঘাঁটি থেকে এটি আকাশে উড়ে। দুই ঘণ্টার ফ্লাইট শেষে আবার ঘাঁটিতে ফিরে আসে এই বিমান।
শনিবারের পরীক্ষামূলক ফ্লাইটে উড়োজাহাজটির গতি ছিল ঘন্টায় সর্বোচ্চ ১৮৯ মাইল এবং এটি ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় পৌঁছায়। দৈত্যাকার এই উড়োজাহাজটির নাম রাখা হয়েছে ‘রক’।
ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিমানটিতে ছয়টি ইঞ্জিন রয়েছে এবং সব মিলিয়ে এর ওজন প্রায় ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০০ কেজি। এর ডানার বিস্তারও খুব কম নয়, দৈর্ঘ্যে ৩৮৫ ফুট। সব মিলিয়ে এটাই বিশ্বের বৃহত্তম বিমান।
এদিকে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মাইক্রোসফটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত পল অ্যালেনের কোম্পানি স্ট্রাটোলঞ্চ এই উড়োজাহাজটি তৈরি করেছে। সাদা এই উড়োজাহাজটির দুই ডানার দৈর্ঘ্য একটি আমেরিকান ফুটবল মাঠের সমান।
এই উড়োজাহাজটি তৈরি করা হয়েছে পৃথিবীর কক্ষপথে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য। এখন স্যাটেলাইট বসানো হয় রকেট দিয়ে উৎক্ষেপণের মাধ্যমে। কিন্তু স্ট্রাটোলঞ্চের পরিকল্পনা হচ্ছে, এই বিশাল উড়োজাহাজে করে স্যাটেলাইটকে প্রায় দশ কিলোমিটার উঁচুতে তুলে তারপর পৃথিবীর কক্ষপথে ছেড়ে দেয়া হবে।
এর ফলে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের খরচ অনেক কমে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২০ সাল নাগাদ স্ট্রাটোলঞ্চ এই উড়োজাহাজ ব্যবহার করে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করতে চায়।
এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি
শনিবারের পরীক্ষামূলক ফ্লাইটে উড়োজাহাজটির গতি ছিল ঘন্টায় সর্বোচ্চ ১৮৯ মাইল এবং এটি ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় পৌঁছায়। দৈত্যাকার এই উড়োজাহাজটির নাম রাখা হয়েছে ‘রক’।
ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিমানটিতে ছয়টি ইঞ্জিন রয়েছে এবং সব মিলিয়ে এর ওজন প্রায় ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০০ কেজি। এর ডানার বিস্তারও খুব কম নয়, দৈর্ঘ্যে ৩৮৫ ফুট। সব মিলিয়ে এটাই বিশ্বের বৃহত্তম বিমান।
এদিকে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মাইক্রোসফটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত পল অ্যালেনের কোম্পানি স্ট্রাটোলঞ্চ এই উড়োজাহাজটি তৈরি করেছে। সাদা এই উড়োজাহাজটির দুই ডানার দৈর্ঘ্য একটি আমেরিকান ফুটবল মাঠের সমান।
এই উড়োজাহাজটি তৈরি করা হয়েছে পৃথিবীর কক্ষপথে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য। এখন স্যাটেলাইট বসানো হয় রকেট দিয়ে উৎক্ষেপণের মাধ্যমে। কিন্তু স্ট্রাটোলঞ্চের পরিকল্পনা হচ্ছে, এই বিশাল উড়োজাহাজে করে স্যাটেলাইটকে প্রায় দশ কিলোমিটার উঁচুতে তুলে তারপর পৃথিবীর কক্ষপথে ছেড়ে দেয়া হবে।
এর ফলে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের খরচ অনেক কমে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২০ সাল নাগাদ স্ট্রাটোলঞ্চ এই উড়োজাহাজ ব্যবহার করে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করতে চায়।
এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি