শ্রীলঙ্কার সেনাপ্রধান লে. জেনারেল মহেশ সেনানায়েক জানিয়েছেন, তার দেশের রাজধানী কলম্বোয় আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীরা সন্ত্রাসী প্রশিক্ষণ নিতে প্রতিবেশী ভারত সফর করেছিলেন।
গত ২১ এপ্রিল ইস্টার সানডেতে কলম্বোর তিনটি গির্জা, তিনটি পাঁচ তারকা হোটেলসহ আটটি স্থানে আত্মঘাতী হামলায় আড়াই শতাধিক নিহত ও ৫ শতাধিক মানুষ আহত হন।
হামলার চার দিন পর আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) এই হামলার দায় স্বীকার করে।
লঙ্কান সেনাপ্রধান বলেন, ‘হামলাকারীরা ভারতে যায়। সেখানে কাশ্মীর, বেঙ্গালুরু ও কেরালা রাজ্যে সম্ভবত সন্ত্রাসী প্রশিক্ষণ নেয়। তাদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আমরা হাতে পেয়েছি।’
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এক বোমা হামলাকারীর ভারত সফরের সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়েছি। কিন্তু, তার এই সফরের সঠিক কারণ এখন পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি।’
মহেশ সেনানায়েক বলেন, ‘সম্ভবত কিছু প্রশিক্ষণ অথবা দেশের বাইরের কিছু সংগঠনের সঙ্গে আরও বেশি সংযোগ স্থাপনের জন্য হামলাকারীরা এই সফর করেছিলেন।’
শ্রীলঙ্কার ইতিহাসে ভয়াবহ ওই হামলার পর সরকার দাবি করে, কমপক্ষে ৯ জন এই আত্মঘাতী হামলায় জড়িত।
দেশটির প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা আগাম তথ্য পাওয়ার পরও হামলা মোকাবেলায় ব্যর্থতার জন্য নিরাপত্তা বাহিনীকে দোষারোপ করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যকার সম্পর্কের টানাপোড়েনও দেখা দেয়।
প্রথম হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেও চূড়ান্ত সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিল ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এ বিষয়ে লঙ্কান সেনাপ্রধান বলেন, ‘তারা গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান করেছিলেন।’
তিনি বলেন, ‘ওই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দিক থেকে আসা সামরিক গোয়েন্দা তথ্যও ভিন্ন ধরনের ছিল। এসব তথ্যের মধ্যে এক ধরনের সমন্বয়হীনতা ছিল, যা এখন সবার কাছেই স্পষ্ট।’
ইস্টার সানডে’র হামলার পর ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ দেশটির তামিলনাড়ু ও কেরালার বিভিন্ন এলাকায় কয়েক দফা অভিযান চালিয়েছে।
তারা ওই হামলার সঙ্গে ভারতীয়দের কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা তা তদন্ত করছে।
অভিযানে রিয়াস আবু বকর নামে এক ভারতীয় গ্রেফতার হন। এরপরই এনআইএ দাবি করে, তামিলনাড়ুতে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) স্লিপার সেল রয়েছে।
গ্রেফতারের পর কেরালার এই তরুণ শ্রীলঙ্কান বোমা হামলাকারী জাহরান হাশিম এবং ভারতের জনপ্রিয় ধর্মীয় বক্তা জাকির নায়েকের অনুসারি বলে স্বীকারোক্তি দেন।
গত ২১ এপ্রিল ইস্টার সানডেতে কলম্বোর তিনটি গির্জা, তিনটি পাঁচ তারকা হোটেলসহ আটটি স্থানে আত্মঘাতী হামলায় আড়াই শতাধিক নিহত ও ৫ শতাধিক মানুষ আহত হন।
হামলার চার দিন পর আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) এই হামলার দায় স্বীকার করে।
লঙ্কান সেনাপ্রধান বলেন, ‘হামলাকারীরা ভারতে যায়। সেখানে কাশ্মীর, বেঙ্গালুরু ও কেরালা রাজ্যে সম্ভবত সন্ত্রাসী প্রশিক্ষণ নেয়। তাদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আমরা হাতে পেয়েছি।’
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এক বোমা হামলাকারীর ভারত সফরের সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়েছি। কিন্তু, তার এই সফরের সঠিক কারণ এখন পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি।’
মহেশ সেনানায়েক বলেন, ‘সম্ভবত কিছু প্রশিক্ষণ অথবা দেশের বাইরের কিছু সংগঠনের সঙ্গে আরও বেশি সংযোগ স্থাপনের জন্য হামলাকারীরা এই সফর করেছিলেন।’
শ্রীলঙ্কার ইতিহাসে ভয়াবহ ওই হামলার পর সরকার দাবি করে, কমপক্ষে ৯ জন এই আত্মঘাতী হামলায় জড়িত।
দেশটির প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা আগাম তথ্য পাওয়ার পরও হামলা মোকাবেলায় ব্যর্থতার জন্য নিরাপত্তা বাহিনীকে দোষারোপ করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যকার সম্পর্কের টানাপোড়েনও দেখা দেয়।
প্রথম হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেও চূড়ান্ত সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিল ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এ বিষয়ে লঙ্কান সেনাপ্রধান বলেন, ‘তারা গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান করেছিলেন।’
তিনি বলেন, ‘ওই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দিক থেকে আসা সামরিক গোয়েন্দা তথ্যও ভিন্ন ধরনের ছিল। এসব তথ্যের মধ্যে এক ধরনের সমন্বয়হীনতা ছিল, যা এখন সবার কাছেই স্পষ্ট।’
ইস্টার সানডে’র হামলার পর ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ দেশটির তামিলনাড়ু ও কেরালার বিভিন্ন এলাকায় কয়েক দফা অভিযান চালিয়েছে।
তারা ওই হামলার সঙ্গে ভারতীয়দের কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা তা তদন্ত করছে।
অভিযানে রিয়াস আবু বকর নামে এক ভারতীয় গ্রেফতার হন। এরপরই এনআইএ দাবি করে, তামিলনাড়ুতে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) স্লিপার সেল রয়েছে।
গ্রেফতারের পর কেরালার এই তরুণ শ্রীলঙ্কান বোমা হামলাকারী জাহরান হাশিম এবং ভারতের জনপ্রিয় ধর্মীয় বক্তা জাকির নায়েকের অনুসারি বলে স্বীকারোক্তি দেন।