সত্যিকারের ভালোবাসা যে পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি কিছু কিছু ঘটনার মাধ্যমে এখনও তার প্রমাণ পাওয়া যায়।
২০১৩ সালে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মাথায় আঘাত পেয়ে কোমায় চলে যান চীনের হুবেই প্রদেশের জিয়াংইয়াংয়ের বাসিন্দা লি জিহুয়া। সেই থেকে জড় পদার্থের মতো তিনি হাসপাতালের বিছানায় পড়েছিলেন। কিন্তু হাল ছাড়েননি তার স্ত্রী জ্যাং গুইহুয়ান।
টানা পাঁচ বছর দিন-রাত স্বামীর সেবা করেছেন জ্যাং। সারাদিনে মাত্র ২ থেকে ৩ ঘণ্টা ঘুমিয়ে পুরোটা সময় তিনি ব্যয় করেছেন স্বামীর সেবা-যত্নে। স্বামীকে খাওয়ানো কিংবা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সচেষ্ট ছিলেন তিনি। ২০১৮ সালে চেতনা ফিরে পান লি। কথা বলার মতো অবস্থায় এসে প্রথমেই তিনি বলে ওঠেন সেই তিন শব্দ, ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি।’ স্বামীর মুখে বাক্যটি শুনে জ্যাং গুইহুয়ান যেন ভুলে যান তার এতদিনের সব কষ্ট।
লির চিকিৎসক ডা. ওয়ান কুইনগান বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর লিকে যখন প্রথমে হাসপাতালে আনা হয় তখন তিনি একটা জড় পদার্থের মতো ছিলেন। কিছুতেই তিনি সাড়া দিচ্ছিলেন না।'
লির স্ত্রী জ্যাং বলেন, 'চিকিৎসক আমাকে বলেছিলেন– লিকে সারিয়ে তোলা অসম্ভব।' তিনি জানান, চিকিৎসকদের কথা তিনি বিশ্বাস করতে পারেননি। আর তাই চিকিৎসকদের ভুল প্রমাণ করতে দিন-রাত ব্যয় করেছেন স্বামীর সেবায়।
জ্যাং সেবা-যত্নের পাশাপাশি স্বামীর সঙ্গে অনর্গল কথা বলতেন। স্বামীকে তার প্রিয় গানগুলোও শোনাতেন।
ডা. ওয়ান জানান, লির জ্ঞান ফেরাতে তার স্ত্রীর এই কাজগুলো সাহায্য করেছে। স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার জন্য এখনও হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন লি। এখন তিনি অন্যের সাহায্য নিয়ে হাঁটাচলা করতে পারেন।
জ্যাং বলেন, 'আমি কখনও স্বামীকে ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা ভাবিনি। যতদিন সে বেঁচে থাকবে, ততদিন আমি তার সেবা করবো।'
২০১৩ সালে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মাথায় আঘাত পেয়ে কোমায় চলে যান চীনের হুবেই প্রদেশের জিয়াংইয়াংয়ের বাসিন্দা লি জিহুয়া। সেই থেকে জড় পদার্থের মতো তিনি হাসপাতালের বিছানায় পড়েছিলেন। কিন্তু হাল ছাড়েননি তার স্ত্রী জ্যাং গুইহুয়ান।
টানা পাঁচ বছর দিন-রাত স্বামীর সেবা করেছেন জ্যাং। সারাদিনে মাত্র ২ থেকে ৩ ঘণ্টা ঘুমিয়ে পুরোটা সময় তিনি ব্যয় করেছেন স্বামীর সেবা-যত্নে। স্বামীকে খাওয়ানো কিংবা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সচেষ্ট ছিলেন তিনি। ২০১৮ সালে চেতনা ফিরে পান লি। কথা বলার মতো অবস্থায় এসে প্রথমেই তিনি বলে ওঠেন সেই তিন শব্দ, ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি।’ স্বামীর মুখে বাক্যটি শুনে জ্যাং গুইহুয়ান যেন ভুলে যান তার এতদিনের সব কষ্ট।
লির চিকিৎসক ডা. ওয়ান কুইনগান বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর লিকে যখন প্রথমে হাসপাতালে আনা হয় তখন তিনি একটা জড় পদার্থের মতো ছিলেন। কিছুতেই তিনি সাড়া দিচ্ছিলেন না।'
লির স্ত্রী জ্যাং বলেন, 'চিকিৎসক আমাকে বলেছিলেন– লিকে সারিয়ে তোলা অসম্ভব।' তিনি জানান, চিকিৎসকদের কথা তিনি বিশ্বাস করতে পারেননি। আর তাই চিকিৎসকদের ভুল প্রমাণ করতে দিন-রাত ব্যয় করেছেন স্বামীর সেবায়।
জ্যাং সেবা-যত্নের পাশাপাশি স্বামীর সঙ্গে অনর্গল কথা বলতেন। স্বামীকে তার প্রিয় গানগুলোও শোনাতেন।
ডা. ওয়ান জানান, লির জ্ঞান ফেরাতে তার স্ত্রীর এই কাজগুলো সাহায্য করেছে। স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার জন্য এখনও হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন লি। এখন তিনি অন্যের সাহায্য নিয়ে হাঁটাচলা করতে পারেন।
জ্যাং বলেন, 'আমি কখনও স্বামীকে ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা ভাবিনি। যতদিন সে বেঁচে থাকবে, ততদিন আমি তার সেবা করবো।'