আজ ৩১শে অক্টোবর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পালিত হচ্ছে হ্যালোইন ডে। যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম তিনটি বৃহৎ উৎসবের একটি হচ্ছে এই হ্যালোউইন উৎসব।
হ্যালোউইন মূলতঃ প্রাচীন সেলটিক ফসল উত্সব, বিশেষত গ্যালিকী উত্সব সামহেইন থেকে উদ্ভূত হয়েছিল।
ধারণা করা হয়, এই জাতীয় উত্সবগুলির পেছনে পৌত্তলিক শিকড় থাকতে পারে; এবং সামহেইন নিজেই প্রথম চার্চ দ্বারা হ্যালোউইন হিসাবে খ্রিস্টান হয়েছিল।
এর থেকে বোঝা যায় যে, হ্যালোউইন উৎসবের সাথে কিছুটা ধর্মীয় সংশ্রব ছিলো, যদিও আমেরিকানরা হ্যালোউইনের সাথে ধর্মীয় সংশ্লিষ্টতা স্বীকার করতে নারাজ। ধর্মীয় সংশ্লিষ্টতার আরেকটি উপলক্ষণ হচ্ছে, হ্যালোউইনের সময় মৃতব্যক্তির নিকটাত্মীয় ও স্বজনরা অদ্ভুত সাজসজ্জা করে গভীর রাত অব্দি সেমিটেরিতে অবস্থান করে। তারা মনে করে হ্যালোউইনের সময় মৃতব্যক্তির আত্মা জাগ্রত হয়। এই অনুভূতি থেকে তারা অদ্ভুত সাজে সেমিটেরিরে হাজির হয়ে মৃত্যু পরবর্তী জীবনকে উপলব্ধির চেষ্টা করে।
হ্যালোউইন উদযাপনের একটা অন্যতম উক্তি হলো, 'ট্রিক-বা-ট্রিটিং'(Trick-or-treating)। এর সারমর্ম হচ্ছে
ধাপ্পাবাজি করো অথবা প্রতারিত/প্রভাবিত হও;
চমকে দাও অথবা প্রভাবিত হও; বোকা বানাও বোকা বনে যাও।
হ্যালোউইনের অন্যতম ট্রেডিশন হলো পামকিন বা একপ্রকার মিস্টিকুমরা বিশেষ বাড়ির সামনে জড়ো করা, অদ্ভুত পোশাক ও অঙ্গসজ্জা, জ্যাক-ও-লণ্ঠন তৈরি করা, বিভিন্ন প্রাণীর মুখোশ, কৃত্রিম ফসিল আলোক সজ্জা ও ক্যান্ডি/লয়ে বিতরণ।
প্রতিবছর শুধু হ্যালোউইন উৎসবের জন্য ব্যাপকভাবে ঐ বিশেষ প্রকারের পামকিন বা মিস্টিকুমরা উৎপাদন করা হয়। পামকিন বিক্রয়ের জন্য প্রচলিত সুপারমার্কেট ছাড়াও মাঠেঘাটে অস্থায়ী বা ভাসমান বাজার বসে।
৩১শে অক্টোবর মূল হ্যালোউইন ডে হলেও মূলতঃ অক্টোবরের মধ্যভাগ থেকেই বার, ক্লাব ও বাসাবাড়িতে হ্যালোউইন পার্টি শুরু হয়। হ্যালোউইনের জন্য সরকারি ছুটি না থাকলেও অধিকাংশ মানুষ এসময় বকেয়া ছুটি ব্যাবহার করে প্রিয়জনদের সাথে বিভিন্নরকম বিনোদন ও ভ্রমণের মাঝে সময় কাটান। স্কুল কলেজেও হ্যালোউইনের আনন্দ ভাগাভাগির জন্য ক্যান্ডি বিতরণ বিশেষ সাজসজ্জার বাহারি আয়োজন থাকে।
এসময় 'হ্যাপী হ্যালোউইন' বলে একে অপরকে অভিবাদন জানায়।
হ্যালোউইন মূলতঃ প্রাচীন সেলটিক ফসল উত্সব, বিশেষত গ্যালিকী উত্সব সামহেইন থেকে উদ্ভূত হয়েছিল।
ধারণা করা হয়, এই জাতীয় উত্সবগুলির পেছনে পৌত্তলিক শিকড় থাকতে পারে; এবং সামহেইন নিজেই প্রথম চার্চ দ্বারা হ্যালোউইন হিসাবে খ্রিস্টান হয়েছিল।
এর থেকে বোঝা যায় যে, হ্যালোউইন উৎসবের সাথে কিছুটা ধর্মীয় সংশ্রব ছিলো, যদিও আমেরিকানরা হ্যালোউইনের সাথে ধর্মীয় সংশ্লিষ্টতা স্বীকার করতে নারাজ। ধর্মীয় সংশ্লিষ্টতার আরেকটি উপলক্ষণ হচ্ছে, হ্যালোউইনের সময় মৃতব্যক্তির নিকটাত্মীয় ও স্বজনরা অদ্ভুত সাজসজ্জা করে গভীর রাত অব্দি সেমিটেরিতে অবস্থান করে। তারা মনে করে হ্যালোউইনের সময় মৃতব্যক্তির আত্মা জাগ্রত হয়। এই অনুভূতি থেকে তারা অদ্ভুত সাজে সেমিটেরিরে হাজির হয়ে মৃত্যু পরবর্তী জীবনকে উপলব্ধির চেষ্টা করে।
হ্যালোউইন উদযাপনের একটা অন্যতম উক্তি হলো, 'ট্রিক-বা-ট্রিটিং'(Trick-or-treating)। এর সারমর্ম হচ্ছে
ধাপ্পাবাজি করো অথবা প্রতারিত/প্রভাবিত হও;
চমকে দাও অথবা প্রভাবিত হও; বোকা বানাও বোকা বনে যাও।
হ্যালোউইনের অন্যতম ট্রেডিশন হলো পামকিন বা একপ্রকার মিস্টিকুমরা বিশেষ বাড়ির সামনে জড়ো করা, অদ্ভুত পোশাক ও অঙ্গসজ্জা, জ্যাক-ও-লণ্ঠন তৈরি করা, বিভিন্ন প্রাণীর মুখোশ, কৃত্রিম ফসিল আলোক সজ্জা ও ক্যান্ডি/লয়ে বিতরণ।
প্রতিবছর শুধু হ্যালোউইন উৎসবের জন্য ব্যাপকভাবে ঐ বিশেষ প্রকারের পামকিন বা মিস্টিকুমরা উৎপাদন করা হয়। পামকিন বিক্রয়ের জন্য প্রচলিত সুপারমার্কেট ছাড়াও মাঠেঘাটে অস্থায়ী বা ভাসমান বাজার বসে।
৩১শে অক্টোবর মূল হ্যালোউইন ডে হলেও মূলতঃ অক্টোবরের মধ্যভাগ থেকেই বার, ক্লাব ও বাসাবাড়িতে হ্যালোউইন পার্টি শুরু হয়। হ্যালোউইনের জন্য সরকারি ছুটি না থাকলেও অধিকাংশ মানুষ এসময় বকেয়া ছুটি ব্যাবহার করে প্রিয়জনদের সাথে বিভিন্নরকম বিনোদন ও ভ্রমণের মাঝে সময় কাটান। স্কুল কলেজেও হ্যালোউইনের আনন্দ ভাগাভাগির জন্য ক্যান্ডি বিতরণ বিশেষ সাজসজ্জার বাহারি আয়োজন থাকে।
এসময় 'হ্যাপী হ্যালোউইন' বলে একে অপরকে অভিবাদন জানায়।