আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে করোনাভাইরাসের প্রতিরোধক টিকা বাজারে আনতে যাচ্ছে রাশিয়া। এই টিকার নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগের পরও বিশ্বে প্রথম এই টিকার অনুমোদন দিতে যাচ্ছে মস্কো। বুধবার সিএনএন এক বিশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
রুশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী ১০ আগস্ট বা তার আগেই মস্কোর গামালিয়া ইনিস্টিটিউ উদ্ভাবিত টিকাটির অনুমোদনের লক্ষ্য নিয়ে তারা কাজ করছেন। জনগণের ব্যবহারের জন্য এর অনুমোদন দেওয়া হবে। সবার আগে করোনার সম্মুখযোদ্ধা স্বাস্থ্যকর্মীরা এই টিকা পাবেন।
রাশিয়ার টিকা গবেষণায় অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান রাশিয়ান ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের প্রধান নির্বাহী দ্রুত এই টিকার আবিষ্কার ও অনুমোদনের মুহূর্তটিকে বিশ্বে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ স্পূৎনিকের উৎক্ষেপনের সময়ের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
তিনি বলেন, ‘এটা স্পুৎনিক মুহূর্ত। আমেরিকানরা স্পুৎনিকের শব্দ পেয়ে বিস্মিত হয়েছিল। এই টিকার ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটছে। রাশিয়া আগেই এটি পেয়েছে।’
সিএনএন জানিয়েছে, টিকার বৈজ্ঞানিক তথ্য প্রকাশ করেনি রাশিয়া। এছাড়া টিকার নিরাপত্তা বা কার্যকারিতার দাবিও যাচাই করা যায়নি। মানুষের ওপর টিকার ট্রায়াল পর্ব পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগেই এটি অনুমোদন পাচ্ছে বলেও বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ রয়েছে।
বিশ্বে করোনার টিকা উন্নয়নে পশ্চিমা যে প্রতিষ্ঠানগুলো সবচেয়ে এগিয়ে আছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তার মধ্যে অন্যতম যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও ফার্মাসিউটিক্যালস প্রতিষ্ঠান আস্ট্রাজেনেকার যৌথ গবেষণার টিকা। এটি এই মুহূর্তে তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালে রয়েছে। চীনের সিনোভ্যাক এবং যুক্তরাষ্ট্রের মর্ডানাও টিকার তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালে প্রবেশ করেছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো চলতি বছরের শেষ নাগাদ কিংবা আগামী বছরের প্রথম দিকে টিকা বাজারে আনা সম্ভব বলে জানিয়েছিল।
এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/আই
রুশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী ১০ আগস্ট বা তার আগেই মস্কোর গামালিয়া ইনিস্টিটিউ উদ্ভাবিত টিকাটির অনুমোদনের লক্ষ্য নিয়ে তারা কাজ করছেন। জনগণের ব্যবহারের জন্য এর অনুমোদন দেওয়া হবে। সবার আগে করোনার সম্মুখযোদ্ধা স্বাস্থ্যকর্মীরা এই টিকা পাবেন।
রাশিয়ার টিকা গবেষণায় অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান রাশিয়ান ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের প্রধান নির্বাহী দ্রুত এই টিকার আবিষ্কার ও অনুমোদনের মুহূর্তটিকে বিশ্বে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ স্পূৎনিকের উৎক্ষেপনের সময়ের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
তিনি বলেন, ‘এটা স্পুৎনিক মুহূর্ত। আমেরিকানরা স্পুৎনিকের শব্দ পেয়ে বিস্মিত হয়েছিল। এই টিকার ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটছে। রাশিয়া আগেই এটি পেয়েছে।’
সিএনএন জানিয়েছে, টিকার বৈজ্ঞানিক তথ্য প্রকাশ করেনি রাশিয়া। এছাড়া টিকার নিরাপত্তা বা কার্যকারিতার দাবিও যাচাই করা যায়নি। মানুষের ওপর টিকার ট্রায়াল পর্ব পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগেই এটি অনুমোদন পাচ্ছে বলেও বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ রয়েছে।
বিশ্বে করোনার টিকা উন্নয়নে পশ্চিমা যে প্রতিষ্ঠানগুলো সবচেয়ে এগিয়ে আছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তার মধ্যে অন্যতম যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও ফার্মাসিউটিক্যালস প্রতিষ্ঠান আস্ট্রাজেনেকার যৌথ গবেষণার টিকা। এটি এই মুহূর্তে তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালে রয়েছে। চীনের সিনোভ্যাক এবং যুক্তরাষ্ট্রের মর্ডানাও টিকার তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালে প্রবেশ করেছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো চলতি বছরের শেষ নাগাদ কিংবা আগামী বছরের প্রথম দিকে টিকা বাজারে আনা সম্ভব বলে জানিয়েছিল।
এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/আই