আরো ভয়ঙ্কর রূপে আবির্ভত হয়েছে ইসরায়েল। তারা এখন দেখে দেখে বিমান হামলা চালাচ্ছে। তাদের অব্যাহত হামলায় গাজায় মৃত্যু সাড়ে ৬ হাজার ছাড়িয়েছে বলে হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কুদরা এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, বুধবার পর্যন্ত অন্তত ছয় হাজার ৫৪৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যার মধ্যে শিশুর সংখ্যা দুই হাজার ৭০৪।
ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স বা আইডিএফ মঙ্গলবার ভোরে জানিয়েছে হামাস ব্যবহার করতো এমন ৪০০ স্থানে তারা বিমান হামলা করেছে। এর মধ্যে ভূমধ্যসাগরের উপকূলীয় এলাকায় হামাসের সক্রিয় টানেলও আছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছে তারা চারশোটি ‘লক্ষ্যবস্তুতে’ হামলা করেছে এবং কয়েকজন হামাস কমান্ডারকে হত্যা করেছে। তারা আরও বলেছে, হামাস নতুন করে দুজন জিম্মিকে মুক্তি দেয়ার পরেও তারা হামলার মাত্রা কমাবে না।
এদিকে গাজা উপত্যকার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অঞ্চলটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কুদরা। গাজা শহরে হওয়া এক সংবাদ সম্মেলনে এ বক্তব্য দেন তিনি। আশরাফ আল-কুদরা জানান, ৭ অক্টোবরের পর থেকে ইসরায়েলিদের বিমান হামলায় এখনো পর্যন্ত ৬৫ জন ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মী মারা গেছেন। একইসাথে ধ্বংস হয়েছে ২৫টি অ্যাম্বুলেন্স। তাই ইতিমধ্যেই ১২টি হাসপাতাল এবং ৩২টি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছি আমরা।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ইসরাইলি হামলায় গাজায় ধ্বংস হয়ে গেছে মাথা গোজার ঠাঁই। বিধ্বস্ত গাজায় এখন মাথার ওপরে ছাদ নেই লাখ লাখ মানুষের। যে যেখানে পারছে রাত কাটাচ্ছে। কোনো সুরক্ষা ছাড়াই ঘুমাচ্ছে পথে-ঘাটে, দোকানে, মসজিদে অথবা গাড়িতে। আশ্রয়হীন মানুষগুলোর অবস্থা বড়ই শোচনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন হাজার হাজার পরিবার রয়েছে যারা শিশু এবং নবজাতক শিশুকে নিয়ে ছাদহীন ভিটেতে বসবাস করেছেন। কেউ কেউ আশ্রয় নিয়েছেন স্কুল ও হাসপাতালগুলোতে। কিন্তু গাজার কোনো জায়গাই আর নিরাপদ নয় আমাদের জন্য। মৃত্যুভয় সেখানেও তাড়া করে বেড়াচ্ছে। ইসরাইলের ভয়ংকর থাবা পৌঁছে গেছে হাসপাতালেও। কেড়ে নিয়েছে হাজার হাজার প্রাণ। ইসরাইলি দখলদারিত্ব একটি বিপজ্জনক পরিবর্তনের মাধ্যমে বেসামরিক জনসমাগমকে লক্ষ্যবস্তু করছে। বাজার, মসজিদ-গির্জা, বেকারি এবং রেস্তোরাঁয় নিষ্ঠুর হামলা চালাচ্ছে প্রতিদিন।
এদিকো, গাজায় ত্রাণ সরবরাহের জন্য একটি নিরাপদ ও টেকসই ব্যবস্থা তৈরি আহ্বান জানিয়েছ জাতিসংঘের সাহায্য সংস্থাগুলো। বিদ্যুৎ, ঔষধ, পানি ও কর্মী সংকটের কারণে গাজায় একের পর এক হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।
এদিকে, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার দাবিতে লড়াই করে আসা গাজা উপত্যকার ক্ষমতাসীনগোষ্ঠী হামাসকে পশ্চিমারা ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠন হিসেবে দেখায় এর তীব্র সমালোচনা করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান। তিনি বলেছেন, হামাস সন্ত্রাসী সংগঠন নয়, বরং তারা স্বাধীনতাকামী যোদ্ধা; যারা নিজেদের ভূমি রক্ষার জন্য লড়াই করছেন।
বুধবার আঙ্কারায় তুরস্কের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল একে পার্টির নেতাকর্মীদের এক সমাবেশে এই মন্তব্য করেছেন এরদোগান। গাজায় বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইসরায়েলের নির্বিচার হামলা ও হত্যাযজ্ঞের নিন্দাও জানিয়েছেন তিনি। এ সময় তার আসন্ন ইসরায়েল সফরের পরিকল্পনা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন এরদোগান।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভূখ-ে ঢুকে হামাসের নজিরবিহীন হামলার ঘটনায় ১৪০০ মানুষ নিহত ও আরও ২২২ জনকে জিম্মি করা হয়।
এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস
হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কুদরা এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, বুধবার পর্যন্ত অন্তত ছয় হাজার ৫৪৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যার মধ্যে শিশুর সংখ্যা দুই হাজার ৭০৪।
ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স বা আইডিএফ মঙ্গলবার ভোরে জানিয়েছে হামাস ব্যবহার করতো এমন ৪০০ স্থানে তারা বিমান হামলা করেছে। এর মধ্যে ভূমধ্যসাগরের উপকূলীয় এলাকায় হামাসের সক্রিয় টানেলও আছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছে তারা চারশোটি ‘লক্ষ্যবস্তুতে’ হামলা করেছে এবং কয়েকজন হামাস কমান্ডারকে হত্যা করেছে। তারা আরও বলেছে, হামাস নতুন করে দুজন জিম্মিকে মুক্তি দেয়ার পরেও তারা হামলার মাত্রা কমাবে না।
এদিকে গাজা উপত্যকার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অঞ্চলটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কুদরা। গাজা শহরে হওয়া এক সংবাদ সম্মেলনে এ বক্তব্য দেন তিনি। আশরাফ আল-কুদরা জানান, ৭ অক্টোবরের পর থেকে ইসরায়েলিদের বিমান হামলায় এখনো পর্যন্ত ৬৫ জন ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মী মারা গেছেন। একইসাথে ধ্বংস হয়েছে ২৫টি অ্যাম্বুলেন্স। তাই ইতিমধ্যেই ১২টি হাসপাতাল এবং ৩২টি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছি আমরা।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ইসরাইলি হামলায় গাজায় ধ্বংস হয়ে গেছে মাথা গোজার ঠাঁই। বিধ্বস্ত গাজায় এখন মাথার ওপরে ছাদ নেই লাখ লাখ মানুষের। যে যেখানে পারছে রাত কাটাচ্ছে। কোনো সুরক্ষা ছাড়াই ঘুমাচ্ছে পথে-ঘাটে, দোকানে, মসজিদে অথবা গাড়িতে। আশ্রয়হীন মানুষগুলোর অবস্থা বড়ই শোচনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন হাজার হাজার পরিবার রয়েছে যারা শিশু এবং নবজাতক শিশুকে নিয়ে ছাদহীন ভিটেতে বসবাস করেছেন। কেউ কেউ আশ্রয় নিয়েছেন স্কুল ও হাসপাতালগুলোতে। কিন্তু গাজার কোনো জায়গাই আর নিরাপদ নয় আমাদের জন্য। মৃত্যুভয় সেখানেও তাড়া করে বেড়াচ্ছে। ইসরাইলের ভয়ংকর থাবা পৌঁছে গেছে হাসপাতালেও। কেড়ে নিয়েছে হাজার হাজার প্রাণ। ইসরাইলি দখলদারিত্ব একটি বিপজ্জনক পরিবর্তনের মাধ্যমে বেসামরিক জনসমাগমকে লক্ষ্যবস্তু করছে। বাজার, মসজিদ-গির্জা, বেকারি এবং রেস্তোরাঁয় নিষ্ঠুর হামলা চালাচ্ছে প্রতিদিন।
এদিকো, গাজায় ত্রাণ সরবরাহের জন্য একটি নিরাপদ ও টেকসই ব্যবস্থা তৈরি আহ্বান জানিয়েছ জাতিসংঘের সাহায্য সংস্থাগুলো। বিদ্যুৎ, ঔষধ, পানি ও কর্মী সংকটের কারণে গাজায় একের পর এক হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।
এদিকে, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার দাবিতে লড়াই করে আসা গাজা উপত্যকার ক্ষমতাসীনগোষ্ঠী হামাসকে পশ্চিমারা ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠন হিসেবে দেখায় এর তীব্র সমালোচনা করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান। তিনি বলেছেন, হামাস সন্ত্রাসী সংগঠন নয়, বরং তারা স্বাধীনতাকামী যোদ্ধা; যারা নিজেদের ভূমি রক্ষার জন্য লড়াই করছেন।
বুধবার আঙ্কারায় তুরস্কের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল একে পার্টির নেতাকর্মীদের এক সমাবেশে এই মন্তব্য করেছেন এরদোগান। গাজায় বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইসরায়েলের নির্বিচার হামলা ও হত্যাযজ্ঞের নিন্দাও জানিয়েছেন তিনি। এ সময় তার আসন্ন ইসরায়েল সফরের পরিকল্পনা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন এরদোগান।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভূখ-ে ঢুকে হামাসের নজিরবিহীন হামলার ঘটনায় ১৪০০ মানুষ নিহত ও আরও ২২২ জনকে জিম্মি করা হয়।
এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস