পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআই'র ব্যাপক বিক্ষোভের মধ্যে ইসলামাবাদের পর এবার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে লাহোরে। পিটিআই সমর্থকেরা লাহোরের মিনার-ই-পাকিস্তানে বিক্ষোভের পরিকল্পনা করার পর এই সেনা মোতায়েন হলো।
পাঞ্জাব সরকার সেনা মোতায়েনের আদেশ জারি করে জানিয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কিছু 'ব্যবস্থা গ্রহণের' অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস, বিচারবিভাগের স্বাধীনতা এবং ইমরানের মুক্তির দাবিতে পিটিআই তাদের পরিকল্পিত বিক্ষোভকে 'ডু অর ডাই' বলে অভিহিত করেছে। এমন প্রেক্ষাপটে ১৪৪ ধারার অধীনে সমাবেশের উপর নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে লাহোরের সমস্ত প্রবেশপথ এবং প্রস্থান পয়েন্টগুলোতে ভারী ব্যারিকেডও দেওয়া হয়েছে। পাঞ্জাবের স্বরাষ্ট্র বিভাগের জারি করা আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, পাঞ্জাবের বিমানবন্দর, রুট, ভেন্যু, বাসস্থান ইত্যাদির আশেপাশে সশস্ত্র বাহিনী, অসামরিক সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করা হচ্ছে। যাতে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা যায় এবং আসন্ন সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলন চলাকালীন বিদেশি প্রতিনিধিদের সুরক্ষা দেওয়া যায়।
আদেশে সশস্ত্র বাহিনীকে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারসহ পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পুলিশ কমান্ডারের সঙ্গে পরামর্শ করে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের সঠিক রূপরেখা নির্ধারণ করবেন স্থলভাগে থাকা সামরিক কমান্ডার। বলা হয়েছে, নানা বিষয় মাথায় রেখে সতর্কতামূলক গুলি চালানো যেতে পারে। পরিস্থিতি এবং হুমকির আনুপাতিক হারে ন্যূনতম শক্তি প্রয়োগ করা হবে। এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস
পাঞ্জাব সরকার সেনা মোতায়েনের আদেশ জারি করে জানিয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কিছু 'ব্যবস্থা গ্রহণের' অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস, বিচারবিভাগের স্বাধীনতা এবং ইমরানের মুক্তির দাবিতে পিটিআই তাদের পরিকল্পিত বিক্ষোভকে 'ডু অর ডাই' বলে অভিহিত করেছে। এমন প্রেক্ষাপটে ১৪৪ ধারার অধীনে সমাবেশের উপর নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে লাহোরের সমস্ত প্রবেশপথ এবং প্রস্থান পয়েন্টগুলোতে ভারী ব্যারিকেডও দেওয়া হয়েছে। পাঞ্জাবের স্বরাষ্ট্র বিভাগের জারি করা আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, পাঞ্জাবের বিমানবন্দর, রুট, ভেন্যু, বাসস্থান ইত্যাদির আশেপাশে সশস্ত্র বাহিনী, অসামরিক সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করা হচ্ছে। যাতে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা যায় এবং আসন্ন সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলন চলাকালীন বিদেশি প্রতিনিধিদের সুরক্ষা দেওয়া যায়।
আদেশে সশস্ত্র বাহিনীকে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারসহ পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পুলিশ কমান্ডারের সঙ্গে পরামর্শ করে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের সঠিক রূপরেখা নির্ধারণ করবেন স্থলভাগে থাকা সামরিক কমান্ডার। বলা হয়েছে, নানা বিষয় মাথায় রেখে সতর্কতামূলক গুলি চালানো যেতে পারে। পরিস্থিতি এবং হুমকির আনুপাতিক হারে ন্যূনতম শক্তি প্রয়োগ করা হবে। এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস