ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি বলেছেন, ‘ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আগেই স্বীকৃতি দিলে তা ফলপ্রসূ না-ও হতে পারে।’
লা রিপাবলিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেলোনি বলেন, ‘আমি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের পক্ষে, তবে এটি প্রতিষ্ঠার আগে স্বীকৃতি দেওয়া সমর্থন করি না।’ তিনি আরও বলেন, ‘যদি এমন কিছু যা বিদ্যমান নেই তা কাগজে স্বীকৃত হয়, তবে সমস্যাটি সমাধান (কাগজে-কলমে) হয়ে যেতে পারে। আসলে তখন সমাধান বাস্তবে বিদ্যমান থাকবে না।’ শুক্রবার (২৫ জুলাই) ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মন্তব্য করেন, ‘যদি নতুন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়, তাহলে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকেও স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।’ এদিকে জার্মান সরকারের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘বার্লিন এখনই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে না। তাদের মূল লক্ষ্য দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান এবং দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা জটিল সমস্যার অগ্রগতি নিশ্চিত করা।’ এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস
লা রিপাবলিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেলোনি বলেন, ‘আমি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের পক্ষে, তবে এটি প্রতিষ্ঠার আগে স্বীকৃতি দেওয়া সমর্থন করি না।’ তিনি আরও বলেন, ‘যদি এমন কিছু যা বিদ্যমান নেই তা কাগজে স্বীকৃত হয়, তবে সমস্যাটি সমাধান (কাগজে-কলমে) হয়ে যেতে পারে। আসলে তখন সমাধান বাস্তবে বিদ্যমান থাকবে না।’ শুক্রবার (২৫ জুলাই) ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মন্তব্য করেন, ‘যদি নতুন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়, তাহলে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকেও স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।’ এদিকে জার্মান সরকারের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘বার্লিন এখনই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে না। তাদের মূল লক্ষ্য দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান এবং দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা জটিল সমস্যার অগ্রগতি নিশ্চিত করা।’ এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস