দুই বছরের যুদ্ধের পর ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা শহরের তিন-চতুর্থাংশ ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে। অঞ্চলটি ৬১ মিলিয়ন টনেরও বেশি ধ্বংসাবশেষের নিচে চাপা পড়ে আছে।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি প্রকাশিত এক মূল্যায়নে এ তথ্য উঠে এসেছে। লাইভ প্রতিবেদনে মিডল ইস্ট আই এ তথ্য জানিয়েছে।
সংস্থার প্রতিবেদন অনুসারে, যুদ্ধের প্রথম পাঁচ মাসেই গাজার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ধ্বংসাবশেষ সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমান যুদ্ধবিরতির আগের মাসগুলোতেও ভবন ধ্বংসের ঘটনা ত্বরান্বিত হয়েছে। ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত রাফাহ এবং খান ইউনিসের মধ্যবর্তী অঞ্চলের দক্ষিণ অংশে ৮০ লাখ টন ধ্বংসাবশেষ তৈরি হয়।
ইউএনইপির বিশ্লেষণে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২.৯ মিলিয়ন টন ধ্বংসাবশেষ 'পরিচিত শিল্প স্থান থেকে আসা বিপজ্জনক বর্জ্য'র মাধ্যমে দূষিত হতে পারে। জাতিসংঘের স্যাটেলাইট সেন্টার প্রোগ্রামের স্যাটেলাইট বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী গাজায় প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার ভবন ধ্বংস করেছে - এটি যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে বিদ্যমান কাঠামোর প্রায় ৭৮ শতাংশ। এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস
সংস্থার প্রতিবেদন অনুসারে, যুদ্ধের প্রথম পাঁচ মাসেই গাজার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ধ্বংসাবশেষ সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমান যুদ্ধবিরতির আগের মাসগুলোতেও ভবন ধ্বংসের ঘটনা ত্বরান্বিত হয়েছে। ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত রাফাহ এবং খান ইউনিসের মধ্যবর্তী অঞ্চলের দক্ষিণ অংশে ৮০ লাখ টন ধ্বংসাবশেষ তৈরি হয়।
ইউএনইপির বিশ্লেষণে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২.৯ মিলিয়ন টন ধ্বংসাবশেষ 'পরিচিত শিল্প স্থান থেকে আসা বিপজ্জনক বর্জ্য'র মাধ্যমে দূষিত হতে পারে। জাতিসংঘের স্যাটেলাইট সেন্টার প্রোগ্রামের স্যাটেলাইট বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী গাজায় প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার ভবন ধ্বংস করেছে - এটি যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে বিদ্যমান কাঠামোর প্রায় ৭৮ শতাংশ। এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস