মালয়েশিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে গত কয়েক দশকের মধ্যে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে ওই এলাকার প্রায় এক লাখ লোক ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছে। বন্যা পরিস্থিতি এতটাই জটিল, অনেক এলাকায় উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছাতে পারছে না। এতে দুর্গত লোকজন খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়েছে। সরকারের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে ক্ষোভ জানিয়েছে তারা। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের গলফ খেলার ছবি প্রকাশ হওয়ার জেরে ক্ষোভ আরও বেড়েছে।আজ শনিবার বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে জানানো হয়, দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য কেলানটান, তেরেনঙ্গানু ও পাহাং থেকে লক্ষাধিক মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বন্যার ত্রাণকেন্দ্রগুলোর ব্যবস্থাপনার জন্য সরকার ১ কোটি ৪০ লাখ ডলার পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর সহকর্মী টেংকু সরিফুদ্দিন টেংকু আহমেদ জানান, প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক হাওয়াইয়ে তাঁর সফর সংক্ষিপ্ত করে আজ দেশে ফিরে কেলানটানে গিয়ে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ তদারকি করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী মুহিদ্দিন ইয়াসিন স্বীকার করেন, উদ্ধারকাজ পরিচালনায় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে উদ্ধারকর্মীদের। তার পরও সর্বশক্তি দিয়ে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করা হবে বলে তিনি জানান। কয়েকটি এলাকায় সামরিক হেলিকপ্টার ও ট্রাক দেখা যাচ্ছে। কিন্তু দ্রুত পানি বৃদ্ধি ও প্রবল স্রোতের কারণে এগুলো দিয়ে উদ্ধারকাজ চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।মালয়েশিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে গত কয়েক দশকের মধ্যে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে ওই এলাকার প্রায় এক লাখ লোক ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছে। বন্যা পরিস্থিতি এতটাই জটিল, অনেক এলাকায় উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছাতে পারছে না। এতে দুর্গত লোকজন খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ও প্রস্তুতিতে ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় বর্ষীয়ান সংসদ সদস্য লিম কিট সিয়াং।বন্যাদুর্গত এলাকার ২৩ বছর বয়সী ফারহানা সুহাদা ক্ষুব্ধ কণ্ঠে সরকারের প্রতি ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, ‘সরকারের ওপর আমি ক্ষুব্ধ। তাদের রাজনীতির আমরা পরোয়া করি না। আমরা চাই, সরকারের যা করা উচিত, তাই করুক। আমাদের সহযোগিতা করুক।’ ছয় মাসের সন্তান কোলে এই নারী বলেন, ‘সকালে শুধু তিনটি বিস্কুট আর চা খেয়েছি। এখানে পর্যাপ্ত পানি নেই। আমার বাচ্চার খাবার নেই।’ দোতলা একটি বিদ্যালয়ে স্থাপিত এক আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া সুহাদা বলেন, ‘আমি আমার সব হারিয়েছি। আমার বাড়ি, গাড়ি, মোটরসাইকেলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।’
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ও প্রস্তুতিতে ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় বর্ষীয়ান সংসদ সদস্য লিম কিট সিয়াং।বন্যাদুর্গত এলাকার ২৩ বছর বয়সী ফারহানা সুহাদা ক্ষুব্ধ কণ্ঠে সরকারের প্রতি ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, ‘সরকারের ওপর আমি ক্ষুব্ধ। তাদের রাজনীতির আমরা পরোয়া করি না। আমরা চাই, সরকারের যা করা উচিত, তাই করুক। আমাদের সহযোগিতা করুক।’ ছয় মাসের সন্তান কোলে এই নারী বলেন, ‘সকালে শুধু তিনটি বিস্কুট আর চা খেয়েছি। এখানে পর্যাপ্ত পানি নেই। আমার বাচ্চার খাবার নেই।’ দোতলা একটি বিদ্যালয়ে স্থাপিত এক আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া সুহাদা বলেন, ‘আমি আমার সব হারিয়েছি। আমার বাড়ি, গাড়ি, মোটরসাইকেলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।’