আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একটি দাফন অনুষ্ঠানে তিনটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় কমপক্ষে ৭ ব্যক্তি নিহত হয়েছে বলে বিবিসিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে। তবে আফগান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে আল-জাজিরার সংবাদে বলা হয়েছে, এই হামলায় কমপক্ষে ২০ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ৩৫ জন।
বাংলাদেশ সময় শনিবার (৩ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটেছে।
প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, বুধবার কাবুলে বোমা হামলায় ৯৯ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় একটি প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল শুক্রবার। সেখানে পুলিশের গুলিতে ৬ বিক্ষোভকারী নিহত হয়। তাদেরই একজন ছিল আফগান সিনেটের ডেপুটি স্পিকারের ছেলে সালেম ইজিদিয়ার। শনিবার তার দাফন অনুষ্ঠানে বিস্ফোরণের এই ঘটনা ঘটে।
সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানী কাবুলসহ আফগানিস্তানের বেশ কিছু এলাকায় ধারাবাহিকভাবে হামলা হয়েছে। নিরাপত্তা ইস্যুগুলো শনাক্ত করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য সরকারকে দায়ী করে থাকে অনেকে। গত ৩১ মে কাবুলের কূটনৈতিক এলাকায় হামলায় ৯৯ জন নিহত হওয়ার পর সে ক্ষোভ আরও জোরালো হয়ে ওঠে। হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতার জন্য আফগান সরকারকে দায়ী করে জনগণ শুক্রবার রাস্তায় নামলে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের গুলিতে অন্তত ৬ বিক্ষোভকারী নিহত হয়।
এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি
বাংলাদেশ সময় শনিবার (৩ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটেছে।
প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, বুধবার কাবুলে বোমা হামলায় ৯৯ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় একটি প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল শুক্রবার। সেখানে পুলিশের গুলিতে ৬ বিক্ষোভকারী নিহত হয়। তাদেরই একজন ছিল আফগান সিনেটের ডেপুটি স্পিকারের ছেলে সালেম ইজিদিয়ার। শনিবার তার দাফন অনুষ্ঠানে বিস্ফোরণের এই ঘটনা ঘটে।
সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানী কাবুলসহ আফগানিস্তানের বেশ কিছু এলাকায় ধারাবাহিকভাবে হামলা হয়েছে। নিরাপত্তা ইস্যুগুলো শনাক্ত করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য সরকারকে দায়ী করে থাকে অনেকে। গত ৩১ মে কাবুলের কূটনৈতিক এলাকায় হামলায় ৯৯ জন নিহত হওয়ার পর সে ক্ষোভ আরও জোরালো হয়ে ওঠে। হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতার জন্য আফগান সরকারকে দায়ী করে জনগণ শুক্রবার রাস্তায় নামলে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের গুলিতে অন্তত ৬ বিক্ষোভকারী নিহত হয়।
এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি