লন্ডনে সন্দেহভাজন জঙ্গি হামলার নিন্দা জানিয়ে
পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে পশ্চিমা বিশ্ব।
ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে টুইট করেছেন বেশ কয়েকজন বিশ্বনেতা।
স্থানীয় সময় শনিবার মধ্যরাতে লন্ডন ব্রিজ ও বোরো মার্কেটে ওই হামলা সংঘটিত হয়।
হামলায় ৬ জন নিহত হওয়ার পাশাপাশি ৩ হামলাকারীও নিহত হয়েছেন। আহত ৪৮ জনকে স্থানীয় ছয়টি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইটারে লিখেছেন, ‘লন্ডন ও যুক্তরাজ্যকে যতটুকু সম্ভব সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র। আমরা আপনাদের পাশে আছি। ঈশ্বর সহায় হোন।’ লন্ডন হামলার পর টুইটারে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ লিখেছেন, ‘ফ্রান্স আগের চেয়েও বেশি করে’ যুক্তরাজ্যের পাশে আছে। আলাদা করে ইংরেজী ও ফরাসি ভাষায় টুইট করেছেন কানাডীয় প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। লন্ডন হামলাকে ভয়াবহ খবর হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি। ট্রুডো লিখেছেন, ‘আজ রাতে লন্ডন থেকে ভয়াবহ এক খবর পেলাম। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।’ যেসব কানাডীয় লন্ডন হামলাজনিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সহায়তা করতে চান তাদেরকে সরকারি চ্যানেল ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন।
লন্ডন হামলা নিয়ে টুইট করেছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুলও। তিনি বলেন, ‘লন্ডনের ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ব্রিটেনের জনগণের সঙ্গে আমাদের প্রার্থনা এবং অটল সংহতি রয়েছে’। ব্রিটিশ সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলি বিশপও একটি টুইট করেছেন। তিনি লিখেছেন, হামলা মোকাবিলায় ব্রিটিশ সরকারকে সহযোগিতা দিতে অস্ট্রেলিয়া প্রস্তুত। ইইউ কমিশনের প্রেসিডেন্ট জ্যাঁ-ক্লদ জাঙ্কার টুইটারে লিখেছেন, ‘ভয়াবহ লন্ডন হামলার সর্বশেষ খবরের দিকে খেয়াল রাখছি। ক্ষতিগ্রস্ত এবং তাদের পরিবারের কথা ভাবছি এবং প্রার্থনা করছি। সবাই নিরাপদে থাকুন।’ যুক্তরাজ্যে অবস্থিত ফ্রান্স, ফিনল্যান্ড এবং আয়ারল্যাণ্ডের দূতাবাস থেকে জানানো হয়েছে, তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ রয়েছে।
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস লিখেছেন, ‘আমরা লন্ডনে সন্ত্রাসবাদ প্রত্যাখ্যান করি এবং এর বিরুদ্ধে নিন্দা জানাই। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, সাদা একটি গাড়ি রাস্তা ছেড়ে লন্ডন ব্রিজের ফুটপাতে উঠে পড়ে এবং পথচারীদের চাপা দেয়। হামলার সময় সেতুটিতে ছিলেন বিবিসির সাংবাদিক হলি জোন্স। তিনি জানান, একজন পুরুষ ঘণ্টায় প্রায় ৫০ কিলোমিটার গতিতে গাড়ি চালিয়ে ব্রিজের ফুটপাতে পথচারীদের ওপর উঠে পড়ে।
আরেকটি হামলা হয় বরো মার্কেটে। সেখানে তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে জানিয়েছেন দ্য টেলিগ্রাফের সাংবাদিক হ্যারি ইয়র্কে। ব্রিজের কাছেই বরো মার্কেটে আরেকটি সন্ত্রাসী হামলা সামাল দেওয়া হয় বলে জানায় দেশটির পুলিশ। সেখানে কয়েকজনকে ছুরিকাঘাত করে ভ্যান থেকে নেমে আসা ব্যক্তিরা।তাদের উপর গুলি চালায় পুলিশ। পুলিশ জানায়, এই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এছাড়া ভক্সহলে আরেকটি ঘটনা সামাল দেওয়া হচ্ছে জানানো হলেও সেটা এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয় বলে জানায় স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইটারে লিখেছেন, ‘লন্ডন ও যুক্তরাজ্যকে যতটুকু সম্ভব সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র। আমরা আপনাদের পাশে আছি। ঈশ্বর সহায় হোন।’ লন্ডন হামলার পর টুইটারে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ লিখেছেন, ‘ফ্রান্স আগের চেয়েও বেশি করে’ যুক্তরাজ্যের পাশে আছে। আলাদা করে ইংরেজী ও ফরাসি ভাষায় টুইট করেছেন কানাডীয় প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। লন্ডন হামলাকে ভয়াবহ খবর হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি। ট্রুডো লিখেছেন, ‘আজ রাতে লন্ডন থেকে ভয়াবহ এক খবর পেলাম। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।’ যেসব কানাডীয় লন্ডন হামলাজনিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সহায়তা করতে চান তাদেরকে সরকারি চ্যানেল ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন।
লন্ডন হামলা নিয়ে টুইট করেছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুলও। তিনি বলেন, ‘লন্ডনের ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ব্রিটেনের জনগণের সঙ্গে আমাদের প্রার্থনা এবং অটল সংহতি রয়েছে’। ব্রিটিশ সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলি বিশপও একটি টুইট করেছেন। তিনি লিখেছেন, হামলা মোকাবিলায় ব্রিটিশ সরকারকে সহযোগিতা দিতে অস্ট্রেলিয়া প্রস্তুত। ইইউ কমিশনের প্রেসিডেন্ট জ্যাঁ-ক্লদ জাঙ্কার টুইটারে লিখেছেন, ‘ভয়াবহ লন্ডন হামলার সর্বশেষ খবরের দিকে খেয়াল রাখছি। ক্ষতিগ্রস্ত এবং তাদের পরিবারের কথা ভাবছি এবং প্রার্থনা করছি। সবাই নিরাপদে থাকুন।’ যুক্তরাজ্যে অবস্থিত ফ্রান্স, ফিনল্যান্ড এবং আয়ারল্যাণ্ডের দূতাবাস থেকে জানানো হয়েছে, তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ রয়েছে।
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস লিখেছেন, ‘আমরা লন্ডনে সন্ত্রাসবাদ প্রত্যাখ্যান করি এবং এর বিরুদ্ধে নিন্দা জানাই। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, সাদা একটি গাড়ি রাস্তা ছেড়ে লন্ডন ব্রিজের ফুটপাতে উঠে পড়ে এবং পথচারীদের চাপা দেয়। হামলার সময় সেতুটিতে ছিলেন বিবিসির সাংবাদিক হলি জোন্স। তিনি জানান, একজন পুরুষ ঘণ্টায় প্রায় ৫০ কিলোমিটার গতিতে গাড়ি চালিয়ে ব্রিজের ফুটপাতে পথচারীদের ওপর উঠে পড়ে।
আরেকটি হামলা হয় বরো মার্কেটে। সেখানে তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে জানিয়েছেন দ্য টেলিগ্রাফের সাংবাদিক হ্যারি ইয়র্কে। ব্রিজের কাছেই বরো মার্কেটে আরেকটি সন্ত্রাসী হামলা সামাল দেওয়া হয় বলে জানায় দেশটির পুলিশ। সেখানে কয়েকজনকে ছুরিকাঘাত করে ভ্যান থেকে নেমে আসা ব্যক্তিরা।তাদের উপর গুলি চালায় পুলিশ। পুলিশ জানায়, এই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এছাড়া ভক্সহলে আরেকটি ঘটনা সামাল দেওয়া হচ্ছে জানানো হলেও সেটা এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয় বলে জানায় স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড।