৩ জুন শনিবার রাতে লন্ডনের জনপ্রিয় লন্ডন ব্রিজ
ও বারা মার্কেটে হামলার মূল হোতাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার কথা জানিয়েছে ব্রিটিশ
পুলিশ। লন্ডন মেট্রেপলিটন পুলিশ হোতাদের নাম যত দ্রুত সম্ভব প্রকাশ করা হবে বলে
জানিয়েছেন। সাধারণ নির্বাচনের
মাত্র চারদিন আগে গত শনিবার রাতে লন্ডন ব্রিজে ভিড়ের মধ্যে ভ্যান চালিয়ে দেওয়ার পর
ছুরি হাতে সাধারণ মানুষের ওপর চড়াও হয় তিন হামলাকারী। এতে ৭ জন নিহত ও অন্তত ৪৮ জন
আহত হন।
আহতদের মধ্যে ২১ জনের অবস্থা এখনো গুরুতর বলে জানিয়েছেন লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার মার্ক রাওলি। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী মার্ক টার্নবুল লন্ডন ব্রিজ ও বারা মার্কেট হামলায় তার দেশের চারজনের আহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছেন। আর ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, সন্ত্রাসী হামলায় তার দেশের একজন নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন। আরও একজনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
গত তিন মাসের ব্যাবধানে এটি ইংল্যান্ডে তৃতীয় বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলা। এদিকে শনিবারের হামলার দায় স্বীকার করে বার্তা পাঠিয়েছে ইসলামিক স্টেট। ৫ জুন সোমবার সকালে ব্রিটিশ পুলিশ জানায়, তাদের কর্মকর্তারা পূর্ব লন্ডনের নিউহ্যাম ও বার্কিং এলাকার দুটি ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়েছেন। এর মধ্যে বার্কিং থেকে ১২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হলেও ৫৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। এদিকে নাম পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তির বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, হামলাকারীদের একজনের ব্যাপারে পুলিশকে আগে থেকে সতর্ক করা হলেও তারা গুরুত্ব দেয়নি। মাত্র দুই বছরের মধ্যে ওই হামলাকারী বদলে যায় বলে ওই ব্যক্তির ভাষ্য।
তিনি বলেন, ‘আমরা এমনই একটি হামলা নিয়ে দুজন কথা বলছিলাম। সেসময় খেয়াল করলাম, সে অন্য উগ্রবাদীদের মতোই হামলার পক্ষে নানা কারণ দেখাচ্ছে। ওই দিনই আমি বুঝতে পারলাম এবং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলাম।’ এদিকে সাধারণ নির্বাচনের আগে আগে এমন হামলার ঘটনা ঘটলেও প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে নির্বাচন যথাসময়েই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন। হামলার ঘটনায় শোক জানিয়ে যুক্তরাজ্যের বেশিরভাগ দল রোববার নির্বাচনের প্রচারকাজ স্থগিত রেখেছিল। সোমবার সকাল থেকে তা আবার শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
আহতদের মধ্যে ২১ জনের অবস্থা এখনো গুরুতর বলে জানিয়েছেন লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার মার্ক রাওলি। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী মার্ক টার্নবুল লন্ডন ব্রিজ ও বারা মার্কেট হামলায় তার দেশের চারজনের আহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছেন। আর ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, সন্ত্রাসী হামলায় তার দেশের একজন নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন। আরও একজনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
গত তিন মাসের ব্যাবধানে এটি ইংল্যান্ডে তৃতীয় বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলা। এদিকে শনিবারের হামলার দায় স্বীকার করে বার্তা পাঠিয়েছে ইসলামিক স্টেট। ৫ জুন সোমবার সকালে ব্রিটিশ পুলিশ জানায়, তাদের কর্মকর্তারা পূর্ব লন্ডনের নিউহ্যাম ও বার্কিং এলাকার দুটি ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়েছেন। এর মধ্যে বার্কিং থেকে ১২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হলেও ৫৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। এদিকে নাম পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তির বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, হামলাকারীদের একজনের ব্যাপারে পুলিশকে আগে থেকে সতর্ক করা হলেও তারা গুরুত্ব দেয়নি। মাত্র দুই বছরের মধ্যে ওই হামলাকারী বদলে যায় বলে ওই ব্যক্তির ভাষ্য।
তিনি বলেন, ‘আমরা এমনই একটি হামলা নিয়ে দুজন কথা বলছিলাম। সেসময় খেয়াল করলাম, সে অন্য উগ্রবাদীদের মতোই হামলার পক্ষে নানা কারণ দেখাচ্ছে। ওই দিনই আমি বুঝতে পারলাম এবং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলাম।’ এদিকে সাধারণ নির্বাচনের আগে আগে এমন হামলার ঘটনা ঘটলেও প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে নির্বাচন যথাসময়েই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন। হামলার ঘটনায় শোক জানিয়ে যুক্তরাজ্যের বেশিরভাগ দল রোববার নির্বাচনের প্রচারকাজ স্থগিত রেখেছিল। সোমবার সকাল থেকে তা আবার শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।