নিয়মিত মেডিটেশন বা ধ্যানচর্চা করুন।
আকস্মিকভাবে রেগে যাওয়ার রোগ থাকলে সেটাওসেরে যেতে পারে নিয়মিত ধ্যানে। ছবিটি প্রতীকী।আজকাল অনেকেই বলছেন, ‘রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন।’কিন্তু ব্যাপারটা তো আসলে কেবল হার–জিতের নয়। রাগেরমাথায় আমরা অনেক কথাই বলি, অনেক কিছুই করে ফেলি।মুশকিলটা এখানেই। রাগান্বিত অবস্থায় কোনো সিদ্ধান্তনেওয়া ঠিক না। তাই রাগ নিয়ন্ত্রণকরে মাথা ঠান্ডা রাখাটা জরুরি। বাড়িতেই হোককিংবা কর্মক্ষেত্রে বা বন্ধুদের আড্ডায়, হঠাৎ রাগ হতেইপারে। আকস্মিক রাগ নিয়ন্ত্রণে নিচেরবিষয়গুলো চর্চা করে দেখতে পারেন।গভীরভাবে শ্বাস নিনযদি বুঝতে পারেন যে আপনার রাগ হচ্ছে,তাহলে গভীরভাবে শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করুন। গভীর দমনিয়ে ১ থেকে ১০ পর্যন্ত গুনতে থাকুন। আস্তে আস্তে দমছাড়ুন। এতে কিছুক্ষণের জন্য হলেও মন অন্যদিকে যাবে।আর গভীর শ্বাস তাৎক্ষণিকভাবে আপনার মাথায়অক্সিজেনের প্রবাহ বাড়াবে, মাথায় রক্ত চলাচল হবে।ফলে আপনি একটু চাঙা বোধ করবেন। ঠান্ডা মাথায়বিষয়গুলো ভাবার সময় পাবেন।ঠোঁট বন্ধ রাখুনরাগ উঠে গেলে বা কেউ খোঁচাতে থাকলে মুখ বন্ধকরে রাখাটা কঠিন বটে। কিন্তু এ সময়ঠোঁটে তালা মেরে রাখতে পারাটা দারুণ কার্যকর।অপরপক্ষকে মনের ঝাল মেটাতে দিন কিন্তু আপনি টুঁশব্দটিও করবেন না। এর মধ্য দিয়ে অপরপক্ষের মনেরকথাগুলো আপনি জেনে গেলেন। ধৈর্যধরে রাখতে পারলে পরে বিষয়গুলো নিয়ে ঠান্ডা মাথায় ভাবুন।এই চর্চা আপনাকে শক্তিমান করবে।চোখ বন্ধ, কানও বন্ধরাগের মাত্রা আরও বেড়ে গেলে শুধু ঠোঁট নয়, চোখ আরকানও বন্ধ করে ফেলতে হবে। এই পরামর্শে মেজাজ খারাপহতে পারে বটে, কিন্তু এটা সত্যিই কার্যকর।যে আপনাকে রাগিয়ে দিচ্ছে বা যা নিয়ে আপনি রেগে যাচ্ছেন,কিছুক্ষণের জন্য নিজেকে সেখান থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্নকরে ফেলুন। যেন আপনি সেখানে থেকেও নেই। তবে আপনারঅভিব্যক্তিতে এমন কিছুই আনবেন না, যা আপনারপ্রতিপক্ষকে আপনার মনের ভাব বুঝতে দেয়। আপনি কেবলসাময়িকভাবে দেখাশোনা বন্ধ করে দিন।একটু হেঁটে আসুনঘটনার শুরু যেভাবেই হোক না কেন,রাগারাগিতে কোনো পক্ষেরই লাভ হয় না। রাগসামলাতে না পারলে অল্প সময়ের জন্য হলেও ঘটনাস্থলত্যাগ করুন। একটু হেঁটে আসুন। এতে রাগারাগি আরনা বাড়ার সুযোগ তৈরি হবে আর আপনার মনও হয়তো একটুশান্ত হওয়ার সুযোগ পাবে।ধ্যান করুননিয়মিত একটু সময়ের জন্য মেডিটেশন বা ধ্যান করারচর্চা করুন। এটা আপনার চরিত্রে স্থায়ী প্রভাব বিস্তারকরতে সক্ষম। ধ্যানচর্চায় অভ্যস্তহলে আপনি কাউকে কিচ্ছু বুঝতে না দিয়েই যেকোনো সময়নিজের মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।আকস্মিকভাবে রেগে যাওয়ার রোগ থাকলে সেটাওসেরে যেতে পারে নিয়মিত ধ্যানে।সুত্রঃ প্রথম আলো
আকস্মিকভাবে রেগে যাওয়ার রোগ থাকলে সেটাওসেরে যেতে পারে নিয়মিত ধ্যানে। ছবিটি প্রতীকী।আজকাল অনেকেই বলছেন, ‘রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন।’কিন্তু ব্যাপারটা তো আসলে কেবল হার–জিতের নয়। রাগেরমাথায় আমরা অনেক কথাই বলি, অনেক কিছুই করে ফেলি।মুশকিলটা এখানেই। রাগান্বিত অবস্থায় কোনো সিদ্ধান্তনেওয়া ঠিক না। তাই রাগ নিয়ন্ত্রণকরে মাথা ঠান্ডা রাখাটা জরুরি। বাড়িতেই হোককিংবা কর্মক্ষেত্রে বা বন্ধুদের আড্ডায়, হঠাৎ রাগ হতেইপারে। আকস্মিক রাগ নিয়ন্ত্রণে নিচেরবিষয়গুলো চর্চা করে দেখতে পারেন।গভীরভাবে শ্বাস নিনযদি বুঝতে পারেন যে আপনার রাগ হচ্ছে,তাহলে গভীরভাবে শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করুন। গভীর দমনিয়ে ১ থেকে ১০ পর্যন্ত গুনতে থাকুন। আস্তে আস্তে দমছাড়ুন। এতে কিছুক্ষণের জন্য হলেও মন অন্যদিকে যাবে।আর গভীর শ্বাস তাৎক্ষণিকভাবে আপনার মাথায়অক্সিজেনের প্রবাহ বাড়াবে, মাথায় রক্ত চলাচল হবে।ফলে আপনি একটু চাঙা বোধ করবেন। ঠান্ডা মাথায়বিষয়গুলো ভাবার সময় পাবেন।ঠোঁট বন্ধ রাখুনরাগ উঠে গেলে বা কেউ খোঁচাতে থাকলে মুখ বন্ধকরে রাখাটা কঠিন বটে। কিন্তু এ সময়ঠোঁটে তালা মেরে রাখতে পারাটা দারুণ কার্যকর।অপরপক্ষকে মনের ঝাল মেটাতে দিন কিন্তু আপনি টুঁশব্দটিও করবেন না। এর মধ্য দিয়ে অপরপক্ষের মনেরকথাগুলো আপনি জেনে গেলেন। ধৈর্যধরে রাখতে পারলে পরে বিষয়গুলো নিয়ে ঠান্ডা মাথায় ভাবুন।এই চর্চা আপনাকে শক্তিমান করবে।চোখ বন্ধ, কানও বন্ধরাগের মাত্রা আরও বেড়ে গেলে শুধু ঠোঁট নয়, চোখ আরকানও বন্ধ করে ফেলতে হবে। এই পরামর্শে মেজাজ খারাপহতে পারে বটে, কিন্তু এটা সত্যিই কার্যকর।যে আপনাকে রাগিয়ে দিচ্ছে বা যা নিয়ে আপনি রেগে যাচ্ছেন,কিছুক্ষণের জন্য নিজেকে সেখান থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্নকরে ফেলুন। যেন আপনি সেখানে থেকেও নেই। তবে আপনারঅভিব্যক্তিতে এমন কিছুই আনবেন না, যা আপনারপ্রতিপক্ষকে আপনার মনের ভাব বুঝতে দেয়। আপনি কেবলসাময়িকভাবে দেখাশোনা বন্ধ করে দিন।একটু হেঁটে আসুনঘটনার শুরু যেভাবেই হোক না কেন,রাগারাগিতে কোনো পক্ষেরই লাভ হয় না। রাগসামলাতে না পারলে অল্প সময়ের জন্য হলেও ঘটনাস্থলত্যাগ করুন। একটু হেঁটে আসুন। এতে রাগারাগি আরনা বাড়ার সুযোগ তৈরি হবে আর আপনার মনও হয়তো একটুশান্ত হওয়ার সুযোগ পাবে।ধ্যান করুননিয়মিত একটু সময়ের জন্য মেডিটেশন বা ধ্যান করারচর্চা করুন। এটা আপনার চরিত্রে স্থায়ী প্রভাব বিস্তারকরতে সক্ষম। ধ্যানচর্চায় অভ্যস্তহলে আপনি কাউকে কিচ্ছু বুঝতে না দিয়েই যেকোনো সময়নিজের মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।আকস্মিকভাবে রেগে যাওয়ার রোগ থাকলে সেটাওসেরে যেতে পারে নিয়মিত ধ্যানে।সুত্রঃ প্রথম আলো