ঠোঁটকে সুন্দর রাখতে নারীরা লিপস্টিক
ব্যবহার করেন। সঠিকভাবে লিপস্টিক ব্যবহার
করলে ঠোঁট অনেক সুন্দর হয়ে ওঠে। তবে
খেয়াল রাখতে হবে, কোথায় ও কোন সাজের
সঙ্গে ব্যবহার করছেন। এবার জেনে নেয়া
যাক, লিপস্টিক ব্যবহারের কিছু কৌশল-
১. ত্বকের ধরনের সঙ্গে কোন রং ব্যবহার
করা যাবে, তা দেখে নিন। ভালো ব্র্যান্ডের
রেগুলার রং থেকে পছন্দ করুন। এমন একটি রং
বেছে নিন, যা আপনার ঠোঁটের ন্যাচারাল
টোনের সঙ্গে মিশে যায়।
২. যাদের ঠোঁট একটু চওড়া তারা বাদামি,
বেগুনি বা তামাটে রং ব্যবহার করুন। ঠোঁট
যাদের চিকন, তারা গোলাপি, পিচ, হালকা
কমলা বা ন্যাচারাল টোনের লিপস্টিক
ব্যবহার করুন।
৩. সাধারণত মেকআপ যদি হালকা হয়, সে
ক্ষেত্রে গাঢ় লিপস্টিক ব্যবহার করুন। আর খুব
ভারী চোখের মেকআপ হলে হালকা বা
ন্যাচারাল টোন ভালো মানাবে।
৪. যে লিপস্টিক ব্যবহার করছেন, তার রঙের
চাইতে এক শেড গাঢ় লিপলাইনার ব্যবহার
করবেন। প্রথমে লিপলাইনার দিয়ে ঠোঁট এঁকে
নেবেন। এতে আপনার লিপস্টিক দেয়া সহজ
হবে।
৫. লিপস্টিক লাগানোর আগে ঠোঁটে লিপবাম
কিংবা চ্যাপস্টিক লাগিয়ে নিন। এতে ঠোঁট
আদ্র থাকবে এবং আপনার লিপস্টিক
সুন্দরভাবে ঠোঁটে বসবে।
৬. আপনি চাইলে সরাসরি ঠোঁটে লিপস্টিক
দিতে পারেন। কিন্তু এটা সবদিক দিয়ে সমান
না-ও হতে পারে। তাই ঠোঁটের ব্রাশ ব্যবহার
করুন। লক্ষ্য রাখবেন ব্রাশটি যেন পরিষ্কার
এবং শুষ্ক থাকে। ব্রাশের সাহায্যে
লিপস্টিক ঠোঁটে লাগান।
৭. টিস্যুপেপার দিয়ে ঠোঁট শুকিয়ে নিন যাতে
লিপস্টিকের স্থায়ীত্ব বেশিক্ষণ হয়।
৮. ঠোঁটে শাইনী লুক আনার জন্য চাইলে
লিপগ্লস ব্যবহার করতে পারেন।
৯. প্রয়োজন হলে দ্বিতীয়বার লিপস্টিক
ব্যবহার করুন। যদি আপনি খুব যত্ন নিয়েও
লিপস্টিক দিয়ে থাকেন, তাহলেও কয়েক
ঘণ্টার মধ্যে এর রঙ হালকা হয়ে যেতে পারে।
তাই ঠোঁটের উজ্জ্বলতা অনেকক্ষণ ধরে
রাখার জন্য দ্বিতীয়বার ঠোঁটে লিপস্টিক
ব্যবহার করুন।
১০. অসতর্কভাবে ঠোঁটে গাঢ় করে লিপস্টিক
লাগাবেন না। এটি আপনার ঠোঁটের চিরায়ত
সৌন্দর্য নষ্ট করে দিতে পারে। যদি
লাগিয়ে ফেলেন তাহলে দুই ঠোটের মাঝে
টিস্যু পেপার রেখে ঠোঁটদুটো চেপে ধরুণ।
দেখবেন সব ঠিক হয়ে গেছে। নয়তো আপনার
ঠোঁটে দাগ পড়ে যাবে।
১১. লিপস্টিক গাঢ় হয়ে গেলে কখনোই রুমাল
দিয়ে ঘষে মুছবেন না। রুমাল দিয়ে মুছলে
আপনার ঠোঁটের সূক্ষ চামড়া ছিঁড়ে যেতে
পারে। তাই সবসময় টিস্যু ব্যবহার করবেন।
ব্যবহার করেন। সঠিকভাবে লিপস্টিক ব্যবহার
করলে ঠোঁট অনেক সুন্দর হয়ে ওঠে। তবে
খেয়াল রাখতে হবে, কোথায় ও কোন সাজের
সঙ্গে ব্যবহার করছেন। এবার জেনে নেয়া
যাক, লিপস্টিক ব্যবহারের কিছু কৌশল-
১. ত্বকের ধরনের সঙ্গে কোন রং ব্যবহার
করা যাবে, তা দেখে নিন। ভালো ব্র্যান্ডের
রেগুলার রং থেকে পছন্দ করুন। এমন একটি রং
বেছে নিন, যা আপনার ঠোঁটের ন্যাচারাল
টোনের সঙ্গে মিশে যায়।
২. যাদের ঠোঁট একটু চওড়া তারা বাদামি,
বেগুনি বা তামাটে রং ব্যবহার করুন। ঠোঁট
যাদের চিকন, তারা গোলাপি, পিচ, হালকা
কমলা বা ন্যাচারাল টোনের লিপস্টিক
ব্যবহার করুন।
৩. সাধারণত মেকআপ যদি হালকা হয়, সে
ক্ষেত্রে গাঢ় লিপস্টিক ব্যবহার করুন। আর খুব
ভারী চোখের মেকআপ হলে হালকা বা
ন্যাচারাল টোন ভালো মানাবে।
৪. যে লিপস্টিক ব্যবহার করছেন, তার রঙের
চাইতে এক শেড গাঢ় লিপলাইনার ব্যবহার
করবেন। প্রথমে লিপলাইনার দিয়ে ঠোঁট এঁকে
নেবেন। এতে আপনার লিপস্টিক দেয়া সহজ
হবে।
৫. লিপস্টিক লাগানোর আগে ঠোঁটে লিপবাম
কিংবা চ্যাপস্টিক লাগিয়ে নিন। এতে ঠোঁট
আদ্র থাকবে এবং আপনার লিপস্টিক
সুন্দরভাবে ঠোঁটে বসবে।
৬. আপনি চাইলে সরাসরি ঠোঁটে লিপস্টিক
দিতে পারেন। কিন্তু এটা সবদিক দিয়ে সমান
না-ও হতে পারে। তাই ঠোঁটের ব্রাশ ব্যবহার
করুন। লক্ষ্য রাখবেন ব্রাশটি যেন পরিষ্কার
এবং শুষ্ক থাকে। ব্রাশের সাহায্যে
লিপস্টিক ঠোঁটে লাগান।
৭. টিস্যুপেপার দিয়ে ঠোঁট শুকিয়ে নিন যাতে
লিপস্টিকের স্থায়ীত্ব বেশিক্ষণ হয়।
৮. ঠোঁটে শাইনী লুক আনার জন্য চাইলে
লিপগ্লস ব্যবহার করতে পারেন।
৯. প্রয়োজন হলে দ্বিতীয়বার লিপস্টিক
ব্যবহার করুন। যদি আপনি খুব যত্ন নিয়েও
লিপস্টিক দিয়ে থাকেন, তাহলেও কয়েক
ঘণ্টার মধ্যে এর রঙ হালকা হয়ে যেতে পারে।
তাই ঠোঁটের উজ্জ্বলতা অনেকক্ষণ ধরে
রাখার জন্য দ্বিতীয়বার ঠোঁটে লিপস্টিক
ব্যবহার করুন।
১০. অসতর্কভাবে ঠোঁটে গাঢ় করে লিপস্টিক
লাগাবেন না। এটি আপনার ঠোঁটের চিরায়ত
সৌন্দর্য নষ্ট করে দিতে পারে। যদি
লাগিয়ে ফেলেন তাহলে দুই ঠোটের মাঝে
টিস্যু পেপার রেখে ঠোঁটদুটো চেপে ধরুণ।
দেখবেন সব ঠিক হয়ে গেছে। নয়তো আপনার
ঠোঁটে দাগ পড়ে যাবে।
১১. লিপস্টিক গাঢ় হয়ে গেলে কখনোই রুমাল
দিয়ে ঘষে মুছবেন না। রুমাল দিয়ে মুছলে
আপনার ঠোঁটের সূক্ষ চামড়া ছিঁড়ে যেতে
পারে। তাই সবসময় টিস্যু ব্যবহার করবেন।