পবিত্র মাস রমজানের রোজা
রাখার পূর্বে ও ইফতারের পরে সুষম খাদ্য খাওয়া এবং হাইড্রেটেড থাকা প্রয়োজন। তাহলেই
আপনি সারাদিনে কর্মশক্তি পাবেন। রোজা ভাঙার পরে পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ, শরীরের কাজ ঠিকভাবে সম্পন্ন
হওয়ার জন্য। রোজার রাখার পূর্বে অর্থাৎ সেহরিতে
পর্যাপ্ত পানি পান না করলে ডিহাইড্রেশন হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয় এবং এর ফলে মাথা
ঘোরানো, মাথাব্যথা,
অলসতা এবং ক্লান্তি দেখা দিতে পারে। প্রতিদিন ৮ গ্লাস পানি পান করা
প্রয়োজন। কিন্তু অন্য আরো কিছু বিষয় থাকে যা হাইড্রেটেড থাকতে সাহায্য করে। রোজার
সময় ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধে সাহায্য করবে এমন কিছু
উপায় জেনে নিই চলুন।
১। ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন চা বা কফি আমাদের পছন্দের পানীয় হলেও এগুলোতে ক্যাফেইন থাকে। ক্যাফেইন এর ডিইউরেটিক প্রভাব আছে বলে প্রস্রাবের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। ফলে শরীর থেকে লবণ ও পানি বের হয়ে যায়। অনেকবেশি ক্যাফেইন গ্রহণ করলে তৃষ্ণা বৃদ্ধি পায়, তাই সারাদিনে হাইড্রেটেড থাকার জন্য চা বা কফির পরিবর্তে পানি পান করুন। ইফতারের শুরুতেই ১ গ্লাস বিশুদ্ধ পানির সাথে খেজুর এর মত মিষ্টি ফল খান।
২। সবজি ও ফল দিয়ে রোজা ভাঙুন ফল ও সবজি খাওয়া শুধু আপনার স্বাস্থ্যের জন্যই ভালো নয় বরং আপনাকে হাইড্রেটেড থাকতেও সাহায্য করে। নির্দিষ্ট কিছু ফল ও সবজিতে পুষ্টি উপাদানের পাশাপাশি প্রচুর পানি থাকে বলে সারাদিন রোজা রাখার পর আপনার শরীরকে সতেজ ও পুনর্জীবিত হতে সাহায্য করে। এই সময়ে যে ফল ও সবজিগুলো আপনি খেতে পারেন তা হল – তরমুজ, শসা, সেলেরি, টমেটো এবং কামরাঙ্গা। এগুলো আপনাকে হাইড্রেটেড থাকতে সাহায্য করবে। যদি এগুলো শুধু শুধু খেতে না পারেন তাহলে সালাদ তৈরি করে অন্য খাবারের সাথে খান।
৩। মসলাযুক্ত ও লবণাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন মসলাযুক্ত ও লবণাক্ত খাবার আপনার শরীরের পানির চাহিদা বৃদ্ধি করবে। তাই যতোটা সম্ভব কম খেতে চেষ্টা করুন এই ধরনের খাবার। রান্নার সময় অনেকবেশি লবণ ও মসলা ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন।
৪। একবারে বেশি পানি পান করা এড়িয়ে চলুন একবারে বেশি পানি পান করলে খুব তাড়াতাড়ি তা শরীর থেকে বের হয়ে যাবে। তাই রোজা না রাখার সময়ে অর্থাৎ রাতে চুমুক দিয়ে দিয়ে অল্প অল্প করে পানি পান করা ভালো। তবে এ কারণে যেন কম পানি পান করা না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখুন। ডিহাইড্রেশন এড়াতে পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ।
৫। তাপ এড়িয়ে চলুন আমাদের এই গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে তাপ এড়িয়ে চলা অসম্ভব। তারপর ও যতোটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। উচ্চ তাপমাত্রার কারণে ঘাম হয় বেশি, ফলে শরীরের তরলের মাত্রা কমে যায়। বাইরে কম সময় কাটাতে চেষ্টা করুন, ছায়ায় বা ঠান্ডা আবহাওয়ায় থাকার চেষ্টা করুন।
১। ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন চা বা কফি আমাদের পছন্দের পানীয় হলেও এগুলোতে ক্যাফেইন থাকে। ক্যাফেইন এর ডিইউরেটিক প্রভাব আছে বলে প্রস্রাবের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। ফলে শরীর থেকে লবণ ও পানি বের হয়ে যায়। অনেকবেশি ক্যাফেইন গ্রহণ করলে তৃষ্ণা বৃদ্ধি পায়, তাই সারাদিনে হাইড্রেটেড থাকার জন্য চা বা কফির পরিবর্তে পানি পান করুন। ইফতারের শুরুতেই ১ গ্লাস বিশুদ্ধ পানির সাথে খেজুর এর মত মিষ্টি ফল খান।
২। সবজি ও ফল দিয়ে রোজা ভাঙুন ফল ও সবজি খাওয়া শুধু আপনার স্বাস্থ্যের জন্যই ভালো নয় বরং আপনাকে হাইড্রেটেড থাকতেও সাহায্য করে। নির্দিষ্ট কিছু ফল ও সবজিতে পুষ্টি উপাদানের পাশাপাশি প্রচুর পানি থাকে বলে সারাদিন রোজা রাখার পর আপনার শরীরকে সতেজ ও পুনর্জীবিত হতে সাহায্য করে। এই সময়ে যে ফল ও সবজিগুলো আপনি খেতে পারেন তা হল – তরমুজ, শসা, সেলেরি, টমেটো এবং কামরাঙ্গা। এগুলো আপনাকে হাইড্রেটেড থাকতে সাহায্য করবে। যদি এগুলো শুধু শুধু খেতে না পারেন তাহলে সালাদ তৈরি করে অন্য খাবারের সাথে খান।
৩। মসলাযুক্ত ও লবণাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন মসলাযুক্ত ও লবণাক্ত খাবার আপনার শরীরের পানির চাহিদা বৃদ্ধি করবে। তাই যতোটা সম্ভব কম খেতে চেষ্টা করুন এই ধরনের খাবার। রান্নার সময় অনেকবেশি লবণ ও মসলা ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন।
৪। একবারে বেশি পানি পান করা এড়িয়ে চলুন একবারে বেশি পানি পান করলে খুব তাড়াতাড়ি তা শরীর থেকে বের হয়ে যাবে। তাই রোজা না রাখার সময়ে অর্থাৎ রাতে চুমুক দিয়ে দিয়ে অল্প অল্প করে পানি পান করা ভালো। তবে এ কারণে যেন কম পানি পান করা না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখুন। ডিহাইড্রেশন এড়াতে পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ।
৫। তাপ এড়িয়ে চলুন আমাদের এই গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে তাপ এড়িয়ে চলা অসম্ভব। তারপর ও যতোটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। উচ্চ তাপমাত্রার কারণে ঘাম হয় বেশি, ফলে শরীরের তরলের মাত্রা কমে যায়। বাইরে কম সময় কাটাতে চেষ্টা করুন, ছায়ায় বা ঠান্ডা আবহাওয়ায় থাকার চেষ্টা করুন।