উজ্জ্বল
সুন্দর চোখ সবাইকেই আকৃষ্ট করে। তাই চোখের যত্ন নেয়া প্রয়োজন। চোখ খুবই
সংবেদনশীল একটি অঙ্গ। চোখের চারপাশের ত্বক খুবই পাতলা এবং স্পর্শকাতর। চোখের নড়াচড়ায়
সাহায্য করার জন্য এই ত্বক কিছুটা ঢিলেঢালা হয়ে থাকে প্রাকৃতিকভাবেই। তাই শরীরের অন্যান্য
অংশের তুলনায় এই অংশ ক্ষতিগ্রস্থ হয় বেশি। তাই ত্বকের এই অংশে বয়সের ছাপ পড়ে খুব
তাড়াতাড়ি। অনেকেরই চোখের কোণায় ত্বকে ভাঁজ পড়তে দেখা যায় যাকে ক্রাউজ ক্লজ বলে। এর
কারণে আপনাকে বয়স্ক দেখায়। প্রিম্যাচিউর এজিং-এর এ ধরণের লক্ষণগুলোকে দূর করা যায়
ঘরোয়া কিছু উপাদান দিয়েই। ঘরোয়া সেই উপাদানগুলোর বিষয়ে জেনে নিই চলুন।
১। শসা সারাদিনে আমরা অনেক সময় টেলিভিশন, ল্যাপটপ বা মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকি। এ কারণে চোখের উপর প্রচুর চাপ পড়ে। এটি চোখের চারপাশে বলিরেখা সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং ক্রাউজ ক্লজ হওয়ার এটি একটি কারণ। শশা পাতলা করে কেটে আপনার চোখের উপর দিয়ে রাখুন। শসার ঠান্ডা আস্তে আস্তে চোখে এবং এর চারপাশের ত্বকে ছড়িয়ে পড়বে। ১৫ মিনিট এভাবে রাখলে চোখের চাপ কমবে।
২। টি ব্যাগ চায়ের ট্যানিক এসিড ত্বকের জন্য খুবই ভালো। ব্যবহৃত টি ব্যাগ চিপে তরল বের করে নিয়ে চোখের উপর দিয়ে রাখুন। এটি চোখের নিস্তেজভাব দূর করবে এবং বলিরেখা মেরামতে সাহায্য করবে। ফ্রিজে টি ব্যাগ রেখে দিয়ে সেটি ব্যবহার করতে পারেন দ্রুত ফল পেতে। এটি চোখের ফোলা ভাব কমায় এবং চোখের চারপাশের শক্তভাব কমায়।
৩। গোলাপ পানি স্বাস্থ্যকর দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে গোলাপ পানি। যদি গোলাপের পানি না থাকে তাহলে শুধু পানি হাতের তালুতে নিয়ে সেই পানিতে নিজের চোখকে দেখুন। কিছু সময় পানির দিকে তাকিয়ে চোখ বন্ধ করুন ও খুলুন।
৪। ডিম ডিমের সাদা অংশ চোখের চারপাশের ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। ডিমের সাদা অংশকে খুব ভালো করে ফেটিয়ে নরম ফেনা তৈরি করুন এবং এরা কিছুটা শক্ত হয়ে যাবে। এবার চোখের চারপাশে লাগান। শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন, গোলাপ জল দিয়ে ধোয়া ভালো।
১। শসা সারাদিনে আমরা অনেক সময় টেলিভিশন, ল্যাপটপ বা মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকি। এ কারণে চোখের উপর প্রচুর চাপ পড়ে। এটি চোখের চারপাশে বলিরেখা সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং ক্রাউজ ক্লজ হওয়ার এটি একটি কারণ। শশা পাতলা করে কেটে আপনার চোখের উপর দিয়ে রাখুন। শসার ঠান্ডা আস্তে আস্তে চোখে এবং এর চারপাশের ত্বকে ছড়িয়ে পড়বে। ১৫ মিনিট এভাবে রাখলে চোখের চাপ কমবে।
২। টি ব্যাগ চায়ের ট্যানিক এসিড ত্বকের জন্য খুবই ভালো। ব্যবহৃত টি ব্যাগ চিপে তরল বের করে নিয়ে চোখের উপর দিয়ে রাখুন। এটি চোখের নিস্তেজভাব দূর করবে এবং বলিরেখা মেরামতে সাহায্য করবে। ফ্রিজে টি ব্যাগ রেখে দিয়ে সেটি ব্যবহার করতে পারেন দ্রুত ফল পেতে। এটি চোখের ফোলা ভাব কমায় এবং চোখের চারপাশের শক্তভাব কমায়।
৩। গোলাপ পানি স্বাস্থ্যকর দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে গোলাপ পানি। যদি গোলাপের পানি না থাকে তাহলে শুধু পানি হাতের তালুতে নিয়ে সেই পানিতে নিজের চোখকে দেখুন। কিছু সময় পানির দিকে তাকিয়ে চোখ বন্ধ করুন ও খুলুন।
৪। ডিম ডিমের সাদা অংশ চোখের চারপাশের ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। ডিমের সাদা অংশকে খুব ভালো করে ফেটিয়ে নরম ফেনা তৈরি করুন এবং এরা কিছুটা শক্ত হয়ে যাবে। এবার চোখের চারপাশে লাগান। শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন, গোলাপ জল দিয়ে ধোয়া ভালো।