ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার আন্দোলনে ন্যাশনাল গার্ড সেনা মোতায়েন করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যে। ক্যালিফোর্নিয়ায় এই পদক্ষেপ নিতে খরচ হয়েছে ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রায় ৮ হাজার বিশেষ সেনা নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন রাজ্য জুড়ে।
মোট খরচের বেশিরভাগ ব্যয় হয়েছে লস এঞ্জেলেস কাউন্টিতে। সেখানে বিশেষ ও বিখ্যাত স্থাপনা সমূহের নিরাপত্তা দিয়েছে ৫ হাজার ৫ শ সেনা। খরচ হয়েছে ১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অন্য অর্থ ব্যয় হয়েছে সান ফ্রান্সিসকো ও স্যাক্রেমেন্টোর মতো শহরের নিরাপত্তায়।
যেহেতু গভর্নর গেভিন নিউসাম লস এঞ্জেলেসে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছিলেন, তাই এই অর্থ দুর্যোগকালীন বরাদ্দ থেকে নেওয়া যাবে। বৃহস্পতিবার অর্থ বিভাগ আইন-প্রণেতাদের কাছে এই সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে লস এঞ্জেলেস কাউন্টির অশান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তায় ন্যাশনাল গার্ড সেনা মোতায়েন জরুরি ছিল।
দ্য ক্যালিফোর্নিয়া মেলেটারি ডিপার্টমেন্ট বাকি অর্থ জরুরি ব্যয় হিসেবে বিবেচনা করতে চাইছে। বিশৃঙ্খল ও দুর্যোগকালীন পরিস্থিতি, জনগণ ও রাষ্ট্রীয় সম্পত্তির জন্য হুমকি ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক অবস্থা ছিল বলে জানানো হয়েছে।
অ্যান্টি পুলিশ টেরর প্রজেক্টের কো ফাউন্ডার ক্যাট ব্রুকস বলেন, এটি এমন সব অর্থের অপচয়। যেগুলো স্কুল, মানসিক স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যসেবায় খরচ করা যেত। এমন একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যা দুঃখজনক।
এদিকে ক্যালিফোর্নিয়া আর্মি ন্যাশনাল গার্ড থেকে কর্নেল ক্রেইগ স্যান্ডম্যান জানিয়েছেন, রাজ্য এ ব্যাপারে ব্যবস্থা না নিলে ক্যালিফোর্নিয়া মেলিটারি ডিপার্টমেন্টের অর্থ ফুরিয়ে যাবে। যেকোনো দুর্যোগ যেমন, দাবানল, ভূমিকম্প, বন্যা ও নাগরিক অসন্তোষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটি সেবা দিয়ে থাকে বলে জানান তিনি।
ক্যালিফোর্নিয়ায় মোটামুটি শান্তিপূর্ণ আন্দোলন হলেও লস এঞ্জেলেসে বেশ কিছু সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। দোকানপাট ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিশৃঙ্খল আন্দোলনকারীরা। পুলিশ প্রায় ৩ হাজার জনকে গ্রেফতার করেছে। এরমধ্যে ২৫০০ জনই কারফিউ আইন ভেঙেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এলএ/বাংলা টাইমস/এন/এইচ
মোট খরচের বেশিরভাগ ব্যয় হয়েছে লস এঞ্জেলেস কাউন্টিতে। সেখানে বিশেষ ও বিখ্যাত স্থাপনা সমূহের নিরাপত্তা দিয়েছে ৫ হাজার ৫ শ সেনা। খরচ হয়েছে ১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অন্য অর্থ ব্যয় হয়েছে সান ফ্রান্সিসকো ও স্যাক্রেমেন্টোর মতো শহরের নিরাপত্তায়।
যেহেতু গভর্নর গেভিন নিউসাম লস এঞ্জেলেসে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছিলেন, তাই এই অর্থ দুর্যোগকালীন বরাদ্দ থেকে নেওয়া যাবে। বৃহস্পতিবার অর্থ বিভাগ আইন-প্রণেতাদের কাছে এই সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে লস এঞ্জেলেস কাউন্টির অশান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তায় ন্যাশনাল গার্ড সেনা মোতায়েন জরুরি ছিল।
দ্য ক্যালিফোর্নিয়া মেলেটারি ডিপার্টমেন্ট বাকি অর্থ জরুরি ব্যয় হিসেবে বিবেচনা করতে চাইছে। বিশৃঙ্খল ও দুর্যোগকালীন পরিস্থিতি, জনগণ ও রাষ্ট্রীয় সম্পত্তির জন্য হুমকি ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক অবস্থা ছিল বলে জানানো হয়েছে।
অ্যান্টি পুলিশ টেরর প্রজেক্টের কো ফাউন্ডার ক্যাট ব্রুকস বলেন, এটি এমন সব অর্থের অপচয়। যেগুলো স্কুল, মানসিক স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যসেবায় খরচ করা যেত। এমন একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যা দুঃখজনক।
এদিকে ক্যালিফোর্নিয়া আর্মি ন্যাশনাল গার্ড থেকে কর্নেল ক্রেইগ স্যান্ডম্যান জানিয়েছেন, রাজ্য এ ব্যাপারে ব্যবস্থা না নিলে ক্যালিফোর্নিয়া মেলিটারি ডিপার্টমেন্টের অর্থ ফুরিয়ে যাবে। যেকোনো দুর্যোগ যেমন, দাবানল, ভূমিকম্প, বন্যা ও নাগরিক অসন্তোষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটি সেবা দিয়ে থাকে বলে জানান তিনি।
ক্যালিফোর্নিয়ায় মোটামুটি শান্তিপূর্ণ আন্দোলন হলেও লস এঞ্জেলেসে বেশ কিছু সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। দোকানপাট ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিশৃঙ্খল আন্দোলনকারীরা। পুলিশ প্রায় ৩ হাজার জনকে গ্রেফতার করেছে। এরমধ্যে ২৫০০ জনই কারফিউ আইন ভেঙেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এলএ/বাংলা টাইমস/এন/এইচ