প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে যুক্তরাষ্ট্রে আটকে পড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে নিতে বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করেছে বাংলাদেশ সরকার। আগামী ২৫ জুন ২য় চার্টার্ড বিমান যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। নিউইয়ার্ক এর জন এফ কেনেডি বিমান বন্দর থেকে কাতার এয়ারওয়েজ এর বিশেষ ফ্লাইটটি ছেড়ে যাবে। বিমান ছাড়ার সময় ওরেক্স এভিয়েশন লিমিটেড যথা সময়ে যাত্রীদের জানিয়ে দেবে।
করোনায় আটকা পড়া নাগরিকরা যেন দেশে ফিরে যেতে পারেন সেজন্য ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস, নিউইয়র্ক ও লস এঞ্জেলেস বাংলাদেশ কনস্যুলেট এই ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এর আগেও এই ধরনের দুটি বিশেষ বিমান যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে যায়। দূতাবাসের বিজ্ঞপিতে বলা হয়, আটকা পড়া নাগরিকদের নিজ খরচে টিকিট কিনে দেশে ফিরতে হবে। বিমানের প্রতিটি ইকোনমি ক্লাসের টিকিট মূল্য পড়বে দু হাজার মার্কিন ডলার। ন্যূনতম সংখ্যক যাত্রী হলে বিমান ছেড়ে যাবে। আসন সংখ্যা সীমিত হবার কারণে আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে টিকিট ক্রয় করা যাবে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রাণলয়ের নির্দেশে বিশেষ এই বিমানের দায়িত্বে রয়েছে ওরেক্স এভিয়েশন লিমিটেড। যা বাংলাদেশে কাতার এয়ারওয়েজ এর কার্গো বিমানের সাধারণ বিক্রয় প্রতিনিধি।
ওরেক্স এভিয়েশন লিমিটেড এর অললাইন পোর্টাল থেকে রেজিট্রেশন ও টিকিট কেনা যাবে। দূতাবাস থেকে নাগরিকদের উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে, আটকা পড়া যে সকল নাগরিক ওয়াশিংটন ডিসিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস, নিউইয়ার্ক ও লস অ্যাঞ্জেলস কনস্যুলেট জেনারেল দপ্তরে ই মেইল পাঠিয়েছেন, তাদের তথ্য ওরেক্স এভিয়েশনকে দেওয়া হয়েছে। তবে এই মেইল প্রেরণের মাধ্যমে কোনো নাগরিক ওই বিমানে আসনের নিশ্চিয়তা পাবেন না। এজন্য দেশে ফেরত যেতে আগ্রহী নাগরিকদের ওরেক্স এভিয়েশন লিমিটেড এর অনলাইন পোর্টালে গিয়ে আসন নিশ্চিত করতে হবে।
বিমানে ভ্রমণের জন্য প্রত্যেক যাত্রীকে করোনামুক্ত ও এর উপসর্গমুক্ত সনদ সঙ্গে নিতে হবে। ঢাকা বিমানবন্দরে যেয়ে পুনরায় যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে এবং বাধ্যতামূলক চৌদ্দ দিন কোয়ারিন্টিনে থাকতে হবে। কেবল বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী নাগরিক বিশেষ ক্ষেত্রে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী পিতা মাতার সফরসঙ্গী বিদেশি পাসপোর্টধারী ছেলে মেয়েরা এই ফ্লাইটে অগ্রাধিকার পাবে। তবে ন্যূনতম সংখ্যক যাত্রী না হলে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন পাসপোর্টধারী যাত্রীকে ভ্রমণের জন্য বিবেচনা করা হবে।
এলএ বাংলা টাইমস/এস/আর