লস এঞ্জেলেস

রেস্টুরেন্টে বসে খেতে নিষেধাজ্ঞা লস এঞ্জেলেসে

প্রাণঘাতী করোনা মহামারির কারণে ইতোমধ্যে বিপর্যস্ত লস এঞ্জেলেসের রেস্টুরেন্ট ব্যবসা। দ্বিতীয় ধাপে করোনার সংক্রমণ আবারো বেড়ে যাওয়ায় সংক্রমণ ঠেকাতে নতুন নীতিমালা বাস্তবায়ন করছে লস এঞ্জেলেস কর্তৃপক্ষ। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, লস এঞ্জেলেসের কোনো বাসিন্দা রেস্টুরেন্টে বসে খাবার খেতে পারবেন না। রবিবার (২২ নভেম্বর) এই নতুন নীতিমালা জারি করে লস এঞ্জেলেস কর্তৃপক্ষ। আগামী বুধবার রাত দশটা থেকে নতুন নীতিমালা কার্যকর হবে। রেস্টুরেন্টের পাশাপাশি ওয়াইনশপ, বার ও পানশালাগুলোতেও একই ধরণের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আগামী তিন সপ্তাহ নিষেধাজ্ঞা জারি থাকতে পারে। লস এঞ্জেলেস কাউন্টি হেলথ ডিরেক্টর বারবারা ফেরেরা বলেন, যেসব স্থানে জনসমাগম হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে, সেখানে কঠোর বিধি নিষেধ প্রণয়ন ছাড়া উপায় নেই। তবে নতুন এই নীতিমালার কারণে রেস্টুরেন্ট ব্যবসা ক্ষতির মুখে পড়বে বলে দাবি করছেন ব্যবসায়ীরা। সেই সাথে রেস্টুরেন্ট ব্যবসার সাথে জড়িত স্টাফদের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে বলে মন্তব্য করেন তারা। রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, খাবার যদি রেস্টুরেন্টে বসে খেতে না দেওয়া হয়, তবে অনেক স্টাফ ও সার্ভার বয়দের কোনো প্রয়োজন পড়বে না। এদিকে, টানা ৫দিন করোনায় আক্রান্তের গড় চার হাজারের বেশি থাকায় লস এঞ্জেলেসে জারি হয়েছে পারে 'স্টে এট হোম' কারফিউ। তবে সম্পূর্নরুপে লকডাউন না দেওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে বলে জানায় কর্তৃপক্ষ। থ্যাংকসগিভিং হলিডের সময় করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার আশংকায় এই নীতিমালা জারি করা হয়েছে। সংক্রমণ ঠেকাতে ইতোমধ্যে আরো কিছু নীতিমালা জারি করা হয়েছে৷ নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, সকল ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, বার এবং পানশালা রাত দশটার পর খোলা রাখা যাবে না৷ এছাড়াও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে বাড়ির বাহিরে সর্বোচ্চ ১৫ জন বাসিন্দা অথবা ৩টি বাড়ির বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে আড্ডা দিতে পারবে। এর আগে এই বিষয়ে কোনো নিষেধাজ্ঞা ছিলো না৷ এছাড়া নেইল পার্লার ও অন্যান্য ব্যক্তিগত কেয়ার শপকেও নীতিমালার আওতায় আনা হয়েছে। এখন এই ধরণের সেবা পেতে আগে থেকে বুকিং দিতে হবে। এলএবাংলাটাইমস /ওএম