লস এঞ্জেলেস

লস এঞ্জলেসে অব্যাহতভাবে কমছে করোনা আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা

লস এঞ্জেলেস কাউন্টিতে করোনায় সংক্রমিত হয়ে হাসপাতালে রোগী ভর্তির সংখ্যা ও মৃত্যুর সংখ্যা কমার ধারা অব্যাহত রয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে লস এঞ্জেলেস কাউন্টি দ্রুতই অরেঞ্জ টায়ারে নেমে আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে। লস এঞ্জেলেস কাউন্টি পাবলিক হেলথ ডিরেক্টর ড. বারবারা ফেরের জানান, বুধবার (১৭ মার্চ) লস এঞ্জেলেস কাউন্টিতে করোনায় মারা গেছে ৭৫ জন বাসিন্দা। মৃতদের মধ্যে একজনের বয়স ১৮ বছরের কম ও তার অন্যান্য শারীরিক জটিলতা ছিলো বলে জানা যায়। মৃতের সংখ্যা ও হাসপাতালে রোগী ভর্তির সংখ্যা কমলেও বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। তারা বলছেন। অসতর্ক থাকলে যে কোনো সময় সংক্রমণ আবারো বেড়ে যেতে পারে। ড. বারবারা ফেরের বলেন, করোনার সংক্রমণের হারের উপর কঠোর দৃষ্টি রাখতে হবে। তিনি জানান, গত সপ্তাহের থেকে সোমবার পর্যন্ত গড় সংক্রমণের হার কিছুটা বেড়েছে। গত সপ্তাহে সংক্রমণের হার ছিলো দশমিক ৭৯, সোমবার পর্যন্ত সংক্রমণের হার বেড়ে হয়েছে দশমিক ৮৭। তবে সংক্রমণের হার এখনো এক শতাংশের কম থাকায় পরিস্থিতি এখনো হাতছাড়া হয়ে যায়নি। তবে সংক্রমণের হার এক শতাংশের বেশি হয়ে গেলে আবারো মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাবে। সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় চিন্তার কিছু আছে কী না, এই প্রশ্নের জবাবে ড. বারবারা ফেরের বলেন, যতোদিন পর্যন্ত লস এঞ্জেলেস কাউন্টির সংখ্যাগরিষ্ঠ বাসিন্দাকে টিকা দেওয়া না হচ্ছে, ততোক্ষন পর্যন্ত চিন্তা থাকবেই। একই সাথে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ব্যাপারে বারবারা ফেরের বলেন, ইন-পারসন ক্লাসের পাশাপাশি ভার্চুয়াল পাঠদান কর্মসূচি চালু রাখা উচিত বলে জানান বারবারা ফেরের। তিনি বলেন, ‘অনেক পরিবারই আছে যারা শিশুদের ক্লাসরুমে পাঠিয়ে স্বস্তি পাবে না। তাই ইন-পারসন ক্লাসরুমের পাশাপাশি শতভাগ ভার্চুয়াল ক্লাসরুমও চালু করা উচিত’। তবে করোনার সংক্রমণ রোধে টিকাদানের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বারবারা ফেরের। এলএবাংলাটাইমস/ওএম