লস এঞ্জেলেস

ক্যালিফোর্নিয়ার চার স্কুল ডিসট্রিক্টের শিক্ষার্থীরা ফিরছে ক্লাসরুমে

সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার চারটি স্কুল ডিসট্রিক্ট এর শিক্ষার্থীরা এক বছর পর ক্লাসরুমে ফিরছে। সোমবার (২৯ মার্চ) থেকে চার স্কুল ডিসস্ট্রিক্টের শিক্ষার্থীদের ইন-পারসন পাঠদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। গত বছর করোনাভাইরাস শুরু হওয়ার পর মার্চ থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার ১ হাজার ৩৭টি পাবলিক স্কুল ডিসট্রিক্ট এর শিক্ষার্থীদের ক্লসরুমে আসা বন্ধ হয়ে গেছে এবং তাদের ভার্চুয়াল পাঠদান কার্যক্রম চলছে। এই সময়ে করোনা পরিস্থিতির কারণে অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে, আবার বন্ধও হয়েছে। তবে স্কুল বোর্ডগুলো শিক্ষার্থীদের ক্লাসরুমে ফিরিয়ে আনেনি। প্রথমত করোনা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে আনতে যেই ব্যয় হবে, সেটি দেওয়ার মতো সক্ষমতা বোর্ডগুলোর ছিলো না। একই সাথে টিচার্স ইউনিয়নের সাথে বনিবনা না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ইন-পারসন ক্লাসরুমে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। সোমবার থেকে যেই চারটি স্কুল ডিসট্রিক্ট তাদের শিক্ষার্থীদের ক্লাসরুমে ফিরিয়ে এনেছে সেগুলো হলো- লং বিচ ইউনিফাইড, গ্লেনডেল ইউনিফাইড, ডাওনি ইউনিফাইড এবং ম্যানহাটন ইউনিফাইড স্কুল ডিসট্রিক্ট। এই চারটি ডিসট্রিক্ট এর স্কুলগুলো পাবলিক হেলথ কর্মকর্তাদের নির্দেশিত করোনা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে আনছে। এছাড়া স্কুলগুলোতে আগের নির্ধারিত সময় থেকে ক্লাস আরো কম সময় ধরে চলবে। যেসব শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের ক্লাসরুমে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, সেগুলো হলো- ১) লং বিচ ইউনিফাউইড: ফিফথ গ্রেড পর্যন্ত ট্র্যাডিশনাল কিন্ডারগার্টেন। ২) গ্লেনডেল ইউনিফাইড: সেকেন্ড গ্রেড পর্যন্ত ট্র্যাডিশনাল কিন্ডারগার্টেন। ৩) ডাওনি ইউনিফাইড: টুয়েলভ গ্রেড পর্যন্ত ট্র্যাডিশনাল কিন্ডারগার্টেন। ৪) ম্যানহাটন বিচ ইউনিফাইড: নাইন গ্রেড পর্যন্ত ট্র্যাডিশনাল কিন্ডারগার্টেন। ক্যালিফোর্নিয়ার কালার-কোড সিস্টেম অনুযায়ী, প্রত্যেক ধাপেই স্কুলগুলো খোলার নিয়মনীতি ও বিধিনিষেধ কী হবে- সেটি নির্ধারণ করে দেওয়া আছে। লস এঞ্জেলেস কাউন্টি এখন রেড টায়ারে আছে। লস এঞ্জেলেস কাউন্টি ইউনিফাইড ডিসট্রিক্ট বোর্ড ক্লাসরুম খুলে দিতে রাজ্য কর্তৃক ফান্ড চেয়েছে এবং সিক্স গ্রেড পর্যন্ত ক্লাস খোলা রাখার কথা জানিয়েছে। এদিকে, এই মাসে গভর্নর গেভিন নিউসাম এক বিলে সই করে জানান, শিক্ষার্থীদের ক্লাসরুমে ফিরে আসতে হলে সব শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্কুলের কর্মীদের টিকা নিতে হবে- এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। এলএবাংলাটাইমস/ওএম