লং বিচের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা শহরের বাসিন্দাদের ফ্লি থেকে সুরক্ষিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন, চলতি বছরে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ফ্লি-বাহিত টাইফাস সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর।
৩১ জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত লং বিচ ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান সার্ভিসেস মোট ২০টি টাইফাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের ১২টি আক্রান্তের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২১ সালে সর্বোচ্চ ২৮টি বার্ষিক সংক্রমণের রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে।
ফ্লি-বাহিত টাইফাস একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, যা সংক্রমিত ফ্লির মাধ্যমে মানুষের দেহে প্রবেশ করে। এ ধরনের ফ্লি সাধারণত ইঁদুর, অপসাম এবং ভবঘুরে বা বন্য বিড়ালের শরীরে পাওয়া যায়। এ রোগ মানুষে মানুষে সংক্রমিত হয় না। সাধারণ উপসর্গের মধ্যে রয়েছে উচ্চ জ্বর, মাথাব্যথা, কাঁপুনি, শরীর ব্যথা ও র্যাশ। অ্যান্টিবায়োটিকের মাধ্যমে চিকিৎসা সম্ভব হলেও, দ্রুত রোগ শনাক্ত করা জরুরি।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ বছরের ৭৫ শতাংশ রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে, তবে সবাই ইতোমধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। যদিও টাইফাস সারা বছরই হতে পারে, এর বেশিরভাগ ঘটনা গ্রীষ্ম ও শরৎকালে দেখা যায়। কর্মকর্তারা বলছেন, সাম্প্রতিক বৃদ্ধি প্রতিরোধ ও জনসচেতনতার গুরুত্বকে সামনে এনেছে।
ঝুঁকি কমাতে লং বিচ হেলথ ডিপার্টমেন্ট বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছে এবং আক্রান্ত এলাকায় ভেক্টর কন্ট্রোল প্রোগ্রামের মাধ্যমে জরিপ ও জনসচেতনতা কার্যক্রম চালাচ্ছে।
এলএবাংলাটাইমস/এজেড