লস এঞ্জেলস এলাকায় টানা তীব্র গরমে জরুরি বিভাগ ও হাসপাতালগুলোতে রোগীর সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে গেছে। চিকিৎসকরা বলছেন, যারা হৃদরোগ, ডায়াবেটিস বা কিডনির সমস্যায় ভুগছেন, তারা বিশেষভাবে এই তাপপ্রবাহে আক্রান্ত হচ্ছেন।
একজন কৃষিপণ্যের বাজার বিক্রেতা অস্কার রুইজ বলেন, “শত ডিগ্রি ছাড়ালেই আমার কষ্ট হয়। এই গরমে আমি যেন রুটিই বেক করতে পারি।” তবুও তিনি ও অন্য বিক্রেতারা জানিয়েছেন, গরম যতই হোক, তারা বাজার চালিয়ে যাবেন।
চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, অনেক রোগী ডিহাইড্রেশনের কারণে কিডনি বিকলতা, আবার কেউ শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। বিশেষজ্ঞ ডা. সেথ রিভেরা বলেন, “আমরা সাধারণ গ্রীষ্মের তুলনায় অনেক বেশি রোগী ভর্তি করছি। গরমের কারণে কিডনি সমস্যা, শ্বাসকষ্ট ও ডিহাইড্রেশন বাড়ছে।”
তিনি সতর্ক করে বলেন, অনেক প্রেসক্রিপশনের ওষুধ যেমন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণকারী ওষুধ বা অ্যান্টিহিস্টামিন শরীর থেকে পানি বের করে দেয় এবং ঘাম কমায়। তাই ওষুধ বন্ধ করা যাবে না, তবে রোগীদের সতর্ক থাকতে হবে।
ডা. রিভেরার পরামর্শ হলো—যতটা সম্ভব রোদ এড়িয়ে চলা, বাইরে গেলে প্রতি ১০-১৫ মিনিট পরপর পানি পান করা, নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা, আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো শরীর ঢেকে রাখা।
তিনি বলেন, “অনেকে ভাবেন গরমে হালকা পোশাক বা হাতাকাটা জামা ভালো, কিন্তু সরাসরি রোদে খোলা ত্বকে বেশি পানি হারায়। সবচেয়ে ভালো উপায় হলো হালকা রঙের সুতির বা লিনেনের লম্বা হাতার জামা পরা।”
এদিকে কৃষিপণ্যের বাজারে বিক্রেতাদের জন্য ছাতা, পানি এবং ভেজা তোয়ালের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিক্রেতা হেক্টর গুয়েরেরো বলেন, “ঠান্ডা তোয়ালে নিন, রুমাল ব্যবহার করুন, আর যতটা সম্ভব নিজেকে ঠান্ডা রাখুন।”
এলএবাংলাটাইমস/ওএম
এলএবাংলাটাইমস/ওএম