ক্যালিফোর্নিয়ার অরেঞ্জ কাউন্টিতে ফেডারেল অভিবাসন সংস্থাগুলোর তৎপরতা বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন এবং স্থানীয় নগর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে অভিবাসনবিরোধী অভিযানের সংখ্যা বেড়েছে। এর মধ্যে আনাহাইমের একটি কার ওয়াশে রোববার চালানো অভিযান ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
রোববার দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে নর্থ স্টেট কলেজ বুলেভার্ডের ৪০০ ব্লকে অবস্থিত ‘স্টেট কলেজ কার ওয়াশ’-এ অভিযান চালানো হয়। মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, মুখোশধারী ও কৌশলগত ভেস্ট পরা ফেডারেল অভিবাসন এজেন্টরা হঠাৎ করেই কার ওয়াশের ভেতরে ঢুকে পড়ে। এতে কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েকজনের সঙ্গে তর্কাতর্কিও হয়। কর্মীরা জানান, তারা কেবল নিজেদের কাজই করছিলেন।
কার ওয়াশ থেকে কাউকে আটক করা হয়নি। তবে কর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, এজেন্টরা দ্রুত পাশের ‘ভ্যালভোলিন এক্সপ্রেস কার’-এ যান, যেখানে একজন মার্কিন নাগরিককে এজেন্টদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়াতে দেখা যায়।
ভ্যালভোলিনের ম্যানেজার জেমস পেরি কেটিএলএ-কে বলেন, “ওরা আমার রক্ষণাবেক্ষণ কর্মীকে পাশের গলি ধরে তাড়া করে। সে একজন মার্কিন নাগরিক। গায়ের রং আর উচ্চারণের ওপর ভিত্তি করে তারা মানুষকে টার্গেট করছে—এটা সরাসরি বর্ণভিত্তিক প্রোফাইলিং।”
পেরি জানান, তার কর্মী গুস্তাভোকে শেষ পর্যন্ত ছেড়ে দেওয়া হলেও, তার আগে এজেন্টরা তাকে জোর করে একটি গাড়িতে তোলে এবং শারীরিক ধস্তাধস্তি হয়।
তিনি বলেন, “ওরা নিজেদের পরিচয় দেয়নি। তিনজন লোক তাকে টেনে গাড়িতে তোলে। এটা কোনোভাবেই ঠিক নয়।” কার ওয়াশের কর্মীরাও একই ধরনের আগ্রাসী আচরণের শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন।
ওমর নামের এক কর্মী কেটিএলএ-কে বলেন, “ওরা বলে না কারা তারা। যাকে দৌড়াতে দেখে, তাকেই ধাওয়া করে।” ঘটনার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়া পেরি বলেন, “কেউ সকালে কাজে যাওয়ার সময় এমন আচরণের শিকার হবে—এটা কেউ কল্পনাও করে না। আমরা শুধু কাজ করতে এসেছি, আর তারা রাস্তায় মানুষকে আতঙ্কিত করছে।” এ বিষয়ে আনাহাইম শহর কর্তৃপক্ষের এক মুখপাত্র কেটিএলএ-কে জানান, যেভাবে কিছু ফেডারেল অভিবাসন অভিযান পরিচালিত হচ্ছে, তা তারা সমর্থন করে না। অরেঞ্জ কাউন্টিতে সপ্তাহান্তে পরিচালিত এসব অভিযানের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কেটিএলএ ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। সংস্থাটি ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) ও ইউএস বর্ডার প্যাট্রোলের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এলএবাংলাটাইমস/ওএম
তিনি বলেন, “ওরা নিজেদের পরিচয় দেয়নি। তিনজন লোক তাকে টেনে গাড়িতে তোলে। এটা কোনোভাবেই ঠিক নয়।” কার ওয়াশের কর্মীরাও একই ধরনের আগ্রাসী আচরণের শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন।
ওমর নামের এক কর্মী কেটিএলএ-কে বলেন, “ওরা বলে না কারা তারা। যাকে দৌড়াতে দেখে, তাকেই ধাওয়া করে।” ঘটনার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়া পেরি বলেন, “কেউ সকালে কাজে যাওয়ার সময় এমন আচরণের শিকার হবে—এটা কেউ কল্পনাও করে না। আমরা শুধু কাজ করতে এসেছি, আর তারা রাস্তায় মানুষকে আতঙ্কিত করছে।” এ বিষয়ে আনাহাইম শহর কর্তৃপক্ষের এক মুখপাত্র কেটিএলএ-কে জানান, যেভাবে কিছু ফেডারেল অভিবাসন অভিযান পরিচালিত হচ্ছে, তা তারা সমর্থন করে না। অরেঞ্জ কাউন্টিতে সপ্তাহান্তে পরিচালিত এসব অভিযানের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কেটিএলএ ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। সংস্থাটি ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) ও ইউএস বর্ডার প্যাট্রোলের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এলএবাংলাটাইমস/ওএম