লস এঞ্জেলেস

নিউ জার্সিতে ৮৪৭ মিলিয়ন ডলারের পাওয়ারবল জ্যাকপট জিতল এক টিকিট

নিউ জার্সিতে পাওয়ারবলের ৮৪৭ মিলিয়ন ডলারের জ্যাকপট জিতেছে একটি টিকিট। বুধবারের ড্রতে ছয়টি নম্বরের সব কটিই মিলে যাওয়ায় এই বিশাল পুরস্কার জিতেছেন এক ভাগ্যবান খেলোয়াড়। বৃহস্পতিবার লটারি কর্তৃপক্ষ বিজয়ী টিকিটের তথ্য নিশ্চিত করেছে। বুধবারের ড্রতে বিজয়ী নম্বর ছিল ১৫, ৩৪, ৪১, ৫৩ ও ৫৬। লাল পাওয়ারবল নম্বর ছিল ২১। টিকিটে পাওয়ার প্লে মাল্টিপ্লায়ার ছিল ২ গুণ। বিজয়ীর সামনে এখন পুরস্কারের অর্থ পাওয়ার দুটি সুযোগ রয়েছে। তিনি চাইলে একবারে ৩৬৩ দশমিক ১ মিলিয়ন ডলার নিতে পারবেন। অন্যদিকে, ২৯ বছর ধরে কিস্তিতে পুরো ৮৪৭ মিলিয়ন ডলার পাওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। কোন পদ্ধতিতে অর্থ নেবেন, তা বিজয়ীর সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। এবারের ড্রতে ২০ লাখ ও ১০ লাখ ডলারের ম্যাচ ফাইভ পুরস্কারের কোনো বিজয়ী পাওয়া যায়নি। ছয়টি নম্বরের মধ্যে পাঁচটি মেলাতে পারলেও পাওয়ারবল নম্বর না মেলায় এই পুরস্কারগুলো জেতা সম্ভব হয়নি। লটারি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বুধবারের ৮৪৭ মিলিয়ন ডলারের জ্যাকপট পাওয়ারবলের ইতিহাসে নবম বৃহত্তম পুরস্কার। চলতি বছরের মধ্যে এটি দ্বিতীয় বৃহত্তম জ্যাকপট। প্রথমদিকে পুরস্কারের পরিমাণ ৮৩৫ মিলিয়ন ডলার ধরা হয়েছিল। পরে তা বাড়িয়ে ৮৪৭ মিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করা হয়। এর ফলে পুরস্কারটি ইতিহাসের দশম বৃহত্তম থেকে নবম বৃহত্তম জ্যাকপটে উঠে আসে। এর আগে সর্বশেষ গত ১২ আগস্ট পাওয়ারবলের জ্যাকপট জিতেছিলেন ইলিনয়ের এক খেলোয়াড়। তিনি পেয়েছিলেন ১ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলার। পাওয়ারবলের ড্র সপ্তাহে তিন দিন অনুষ্ঠিত হয়—সোমবার, বুধবার ও শনিবার। যুক্তরাষ্ট্রের ইস্টার্ন টাইম অনুযায়ী প্রতিবার রাত ১০টা ৫৯ মিনিটে ড্র অনুষ্ঠিত হয়। নিউ জার্সিতে জ্যাকপট জেতার পর আগামী শনিবারের ড্রতে পুরস্কারের অর্থ আবার ২০ মিলিয়ন ডলার থেকে শুরু হবে। এত বড় অঙ্কের পুরস্কার জেতার সম্ভাবনা অবশ্য অত্যন্ত কম। পাওয়ারবলের হিসাব অনুযায়ী, বুধবারের জ্যাকপট জেতার সম্ভাবনা ছিল ২৯ কোটি ২২ লাখে একজনের। অর্থাৎ বিপুলসংখ্যক টিকিট বিক্রি হলেও ছয়টি নম্বর একসঙ্গে মিলে যাওয়ার সুযোগ খুবই সীমিত। এবারের জ্যাকপটের আরেকটি বিশেষ দিক রয়েছে। যুক্তরাজ্যের খেলোয়াড়েরা জুলাইয়ে দেশটিতে টিকিট বিক্রি সম্প্রসারণের পর প্রথমবারের মতো এই জ্যাকপট চক্রের শুরু থেকেই অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। লটারি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে কোনো দেশের লটারি থেকে পাওয়ারবলের জ্যাকপট তহবিলে অবদান রাখার ঘটনাও এবারই প্রথম।