মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করছেন Tulsi Gabbard। স্বামী আব্রাহামের হাড়ের ক্যানসার ধরা পড়ার পর পরিবারের পাশে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েই তিনি এ পদ ছাড়ছেন বলে জানিয়েছেন।
শুক্রবার দেওয়া পদত্যাগপত্রে গ্যাবার্ড লিখেছেন, “তার ভালোবাসা ও শক্তি সবসময় আমাকে কঠিন সময়ে সাহস দিয়েছে। এখন আমি তাকে এই লড়াই একা লড়তে বলতে পারি না।”
মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গ্যাবার্ডের প্রশংসা করে বলেন, “তিনি অসাধারণ কাজ করেছেন। আমরা তাকে মিস করব।”
আগামী ৩০ জুন থেকে তার পদত্যাগ কার্যকর হবে। এরপর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেবেন প্রধান উপপরিচালক অ্যারন লুকাস।
২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন গ্যাবার্ড। ২০২৫ সালে ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফেরার পর তাকে জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান করা হয়। তবে চলতি বছরে ইরান ইস্যু, কিউবার ওপর চাপ এবং ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন পদক্ষেপের সময় তাকে প্রকাশ্যে খুব কমই দেখা গেছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার বিষয়েও গ্যাবার্ডের অবস্থান নিয়ে আলোচনা হয়। তিনি সরাসরি হামলার সমর্থন না দিয়ে সতর্ক অবস্থান নেন। পরে অবশ্য তিনি বলেন, দেশের নিরাপত্তা ঝুঁকি নির্ধারণের চূড়ান্ত দায়িত্ব প্রেসিডেন্টের।
গ্যাবার্ড এর আগে হাওয়াই অঙ্গরাজ্যের আইনসভায় মাত্র ২১ বছর বয়সে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়েন। পরে তিনি ডেমোক্র্যাট দল থেকে কংগ্রেস সদস্য হন এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে প্রথম হিন্দু সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০২০ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও সফল হননি। পরে ডেমোক্র্যাট দল ছেড়ে স্বতন্ত্র হন এবং পরবর্তীতে রিপাবলিকান দলে যোগ দেন। এরপর থেকেই তিনি ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্রে পরিণত হন।
গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সংস্থাটির আকার কমিয়ে আনেন। কর্মী সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নামানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করে তিনি বলেছিলেন, সংস্থাটি “অতিরিক্ত বড় ও অকার্যকর” হয়ে পড়েছিল।
এলএবাংলাটাইমস/ওএম
এলএবাংলাটাইমস/ওএম