জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৩ তম অধিবেশনে যোগ দিতে গিয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বিশ্বনেতারা আশা করেছেন, শেখ হাসিনা যেন ফের বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ফিরে আসেন এবং আগামীতেও তারা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাছে পান।
বুধবার (০৩অক্টোবর) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ৭৩তম জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগদানসহ যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কেউ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কোনো পরামর্শ দেননি। বরং তারা চান, আগামীতেও যেন আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসুক এবং শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হোক।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘যাদের সঙ্গেই কথা হয়েছে, তারা প্রত্যেকেই রোহিঙ্গাদের বিষয়ে উদ্বিগ্ন। তবে আমাকে কেউ পরামর্শ দেয়নি। যার সঙ্গে কথা হয়েছে, তারা সবাই আমাকে উইশ করেছে আমি যেন আবার ফিরে আসি। তবে জনগণ ভোট দিলে আছি, না দিলে নাই। আগামীতে যেন আবার দেখা হয় (প্রধানমন্ত্রী হিসেবে), এই কথা সবাই বলেছে।’
আগামীতে কোনো ষড়যন্ত্র আছে কি না এবং কেমন ষড়যন্ত্র মনে করছেন জানতে চাইলে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ষড়যন্ত্রের একটি উর্বর ভূমি। এখানে সব সময় ষড়যন্ত্র হয়েছে। গত সাড়ে ৯ বছর আমরা ক্ষমতায়। অনেক উন্নয়ন করেছি। কিন্তু এমন কী করেছি যে কারণে আমাদের রিজাইন দিতে হবে, ক্ষমতা থেকে উৎখাত করতে হবে?
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা চিন্তা করে সরকার পড়ে যাবে, সরকার উৎখাত হবে আর তারা ক্ষমতায় আসবে, তারা সব সময় ষড়যন্ত্র করবেই। আর সেটি চরিতার্থ করতেই দেশে মানুষকে বিপদে ফেলবে। যাদের ব্যক্তিস্বার্থ আর নিজেদের আকাঙ্ক্ষা আছে তাদের একটি ষড়যন্ত্র ছিলো, আছে, থাকবে। সেই জন্য সবাইকে সাবধান থাকতে বলেছি। কারণ বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর থেকে দেশে ১৯ টি ক্যু হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের ১০ বছরের শাসনামলে দেশের ৬৪ ভাগ মানুষ সন্তুষ্ট। এটা তো আমরা করিনি, আমেরিকার একটি প্রতিষ্ঠানের গবেষণার রিপোর্ট। তাহলে অসন্তুষ্ট কারা? আমরা তো দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গঠন করেছি। মধ্য আয়ের দেশে পরিণত করেছি, তরুণ সমাজকে উন্নত জীবন দিয়েছি। তারপরেও পত্রিকা খুলে দেখি কোথাও এতটুকু এটা হয়নি, ওটা হয়নি, এতেই তাদের আত্মতুষ্টি। কারণ তারা জনগণের জন্য ক্ষমতায় যেতে চায়নি।
বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে আজ যে উন্নতি তার সব কিছুর ভিত্তি তো বঙ্গবন্ধু করে দিয়েছেন। স্যাটেলাইট সমুদ্র বিজয় সবকিছুর ভিত্তি কিন্তু তিনিই গড়ে দিয়ে গেছেন মাত্র সাড়ে তিন বছরে। আমরা ২০০৮ সালে যে ইশতেহার দিয়েছি তার সবগুলোই পূরণ করেছি। দিন বদলের সনদ দিয়েছি, সেই দিন বদল কি হয়নি? এখন দেশের প্রত্যেক সেক্টরে উন্নয়নের জোয়ার বইছে।
দেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরতে গিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আগে নির্বাচন হতো, একজন মিলিটারি ডিকটেটর থাকত। আমাদের সময়ে ট্রান্সপারেন্ট ব্যালট বক্স চালু করেছি, আরও বিভিন্ন অগ্রগতি আমাদের সময়ে হয়েছে। আমাদের সময়ে কতগুলো ভোট হয়েছে, আমরা তো হস্তক্ষেপ করিনি। বিএনপি থাকলে তো সিল মেরেই নিয়ে নিত কিংবা রেজাল্ট আটকে ভোট বদলে দিত।
বাংলাদেশকে নিয়ে অনেকেই ষড়যন্ত্র করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ষড়যন্ত্রের উর্বর ভূমি। কিছু মানুষ সবসময় অপেক্ষা করে, মানুষ ভালো থাকলে যেন তারা ষড়যন্ত্র করতে পারে। এই বাংলাদেশের বাংলাদেশের যে এত উন্নতি, এর সবকিছুই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুরু করে গিয়েছিলেন। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য, ১৯৭৫ সালে তাকে হত্যা করা হলো। এরপর যারা ক্ষমতায় এসেছিল, তারা আর দেশের উন্নয়নে কোনো কাজ করেনি। আজ কি দিন বদল হয়নি? মানুষ খাবার পাচ্ছে না?— প্রশ্ন রাখেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন তারা অপেক্ষা করছে, সরকার চলে যাবে। এমন একজন আসবে যাদের চাল নাই, চুলা নাই; কিন্তু ক্ষমতায় আসার খায়েস আছে। তাদের খায়েস পূরণ করতে গিয়ে তো খেসারত দিতে হয় জনগণকে। ১০ বছর ক্ষমতায় আছি, দেশের মানুষ শান্তিতে আছে। আমাদের তরুণদের জন্য শিক্ষা-গবেষণার সুযোগ আমরা করে দিয়েছি। চাকরির জন্য যেন মুখাপেক্ষী না হতে হয়, সে জন্য তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার সুযোগ করে দিয়েছি। কিন্তু তারপরও পত্রিকায় লেখা হয়, সরকার এইখানে ফেল করেছে। ওটাই তাদের আত্মসন্তুষ্টি। কিন্তু আমরা নিজেদের স্বার্থের জন্য রাজনীতি করি না, মানুষের জন্য কাজ করি।
শেখ হাসিনা বলেন, মনে রাখতে হবে, আমার পুরো পরিবারকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা শুধু দুই বোন বেঁচে আছি। গতকাল (২ অক্টোবর) ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা হয়েছে। এই দেশটি ভূমিকম্প আর সুনামিতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। আমার ছোট বোন রেহানা, লন্ডন থেকে আমাকে এসএমএস করেছে ইন্দোনেশিয়ার পাশে দাঁড়াও। আমি দেশটির প্রেসিডেন্টকে ফোন করে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছি। তবে আমরা অনেক উন্নয়ন করেছি, এমনিতেই ক্ষমতায় চলে আসব— এটা ভাবার সুযোগ নাই। বাংলাদেশ তো সে রকম দেশ না। এখানে কিছু মানুষ ষড়যন্ত্র করার জন্যই বসে থাকে।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যারা নষ্ট করতে চায় তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার দীর্ঘ পরিকল্পনা আছে কিনা সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক দেশ। এখানে সবাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রতিতে বিশ্বাস করে। যারা এটি নষ্ট করতে চায় তারা বিকৃত মানুষিকতার লোক। এদের ঠেকাতে সামাজিক সচেতনতা ও জনগণকে এগিয়ে আসা দরকার। সাইবার সিকিউরিটি আইন করা হয়েছে যাতে কারো কোনো ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কেউ কোনো নোংরামি করতে না পারে। এমনকি কেউ যেনো কোনো কিছু নিয়ে সামাজিক সন্ত্রাস তৈরি করতে না পারে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে যোগদান শেষে গত সোমবার সকালে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর গণভবনে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৩ তম অধিবেশনে যোগদান করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সাধারণ পরিষদের ৭৩ তম অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন এবং জাতিসংঘ মহাসচিব এন্টনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করেন শেখ হাসিনা।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
বুধবার (০৩অক্টোবর) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ৭৩তম জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগদানসহ যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কেউ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কোনো পরামর্শ দেননি। বরং তারা চান, আগামীতেও যেন আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসুক এবং শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হোক।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘যাদের সঙ্গেই কথা হয়েছে, তারা প্রত্যেকেই রোহিঙ্গাদের বিষয়ে উদ্বিগ্ন। তবে আমাকে কেউ পরামর্শ দেয়নি। যার সঙ্গে কথা হয়েছে, তারা সবাই আমাকে উইশ করেছে আমি যেন আবার ফিরে আসি। তবে জনগণ ভোট দিলে আছি, না দিলে নাই। আগামীতে যেন আবার দেখা হয় (প্রধানমন্ত্রী হিসেবে), এই কথা সবাই বলেছে।’
আগামীতে কোনো ষড়যন্ত্র আছে কি না এবং কেমন ষড়যন্ত্র মনে করছেন জানতে চাইলে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ষড়যন্ত্রের একটি উর্বর ভূমি। এখানে সব সময় ষড়যন্ত্র হয়েছে। গত সাড়ে ৯ বছর আমরা ক্ষমতায়। অনেক উন্নয়ন করেছি। কিন্তু এমন কী করেছি যে কারণে আমাদের রিজাইন দিতে হবে, ক্ষমতা থেকে উৎখাত করতে হবে?
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা চিন্তা করে সরকার পড়ে যাবে, সরকার উৎখাত হবে আর তারা ক্ষমতায় আসবে, তারা সব সময় ষড়যন্ত্র করবেই। আর সেটি চরিতার্থ করতেই দেশে মানুষকে বিপদে ফেলবে। যাদের ব্যক্তিস্বার্থ আর নিজেদের আকাঙ্ক্ষা আছে তাদের একটি ষড়যন্ত্র ছিলো, আছে, থাকবে। সেই জন্য সবাইকে সাবধান থাকতে বলেছি। কারণ বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর থেকে দেশে ১৯ টি ক্যু হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের ১০ বছরের শাসনামলে দেশের ৬৪ ভাগ মানুষ সন্তুষ্ট। এটা তো আমরা করিনি, আমেরিকার একটি প্রতিষ্ঠানের গবেষণার রিপোর্ট। তাহলে অসন্তুষ্ট কারা? আমরা তো দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গঠন করেছি। মধ্য আয়ের দেশে পরিণত করেছি, তরুণ সমাজকে উন্নত জীবন দিয়েছি। তারপরেও পত্রিকা খুলে দেখি কোথাও এতটুকু এটা হয়নি, ওটা হয়নি, এতেই তাদের আত্মতুষ্টি। কারণ তারা জনগণের জন্য ক্ষমতায় যেতে চায়নি।
বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে আজ যে উন্নতি তার সব কিছুর ভিত্তি তো বঙ্গবন্ধু করে দিয়েছেন। স্যাটেলাইট সমুদ্র বিজয় সবকিছুর ভিত্তি কিন্তু তিনিই গড়ে দিয়ে গেছেন মাত্র সাড়ে তিন বছরে। আমরা ২০০৮ সালে যে ইশতেহার দিয়েছি তার সবগুলোই পূরণ করেছি। দিন বদলের সনদ দিয়েছি, সেই দিন বদল কি হয়নি? এখন দেশের প্রত্যেক সেক্টরে উন্নয়নের জোয়ার বইছে।
দেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরতে গিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আগে নির্বাচন হতো, একজন মিলিটারি ডিকটেটর থাকত। আমাদের সময়ে ট্রান্সপারেন্ট ব্যালট বক্স চালু করেছি, আরও বিভিন্ন অগ্রগতি আমাদের সময়ে হয়েছে। আমাদের সময়ে কতগুলো ভোট হয়েছে, আমরা তো হস্তক্ষেপ করিনি। বিএনপি থাকলে তো সিল মেরেই নিয়ে নিত কিংবা রেজাল্ট আটকে ভোট বদলে দিত।
বাংলাদেশকে নিয়ে অনেকেই ষড়যন্ত্র করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ষড়যন্ত্রের উর্বর ভূমি। কিছু মানুষ সবসময় অপেক্ষা করে, মানুষ ভালো থাকলে যেন তারা ষড়যন্ত্র করতে পারে। এই বাংলাদেশের বাংলাদেশের যে এত উন্নতি, এর সবকিছুই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুরু করে গিয়েছিলেন। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য, ১৯৭৫ সালে তাকে হত্যা করা হলো। এরপর যারা ক্ষমতায় এসেছিল, তারা আর দেশের উন্নয়নে কোনো কাজ করেনি। আজ কি দিন বদল হয়নি? মানুষ খাবার পাচ্ছে না?— প্রশ্ন রাখেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন তারা অপেক্ষা করছে, সরকার চলে যাবে। এমন একজন আসবে যাদের চাল নাই, চুলা নাই; কিন্তু ক্ষমতায় আসার খায়েস আছে। তাদের খায়েস পূরণ করতে গিয়ে তো খেসারত দিতে হয় জনগণকে। ১০ বছর ক্ষমতায় আছি, দেশের মানুষ শান্তিতে আছে। আমাদের তরুণদের জন্য শিক্ষা-গবেষণার সুযোগ আমরা করে দিয়েছি। চাকরির জন্য যেন মুখাপেক্ষী না হতে হয়, সে জন্য তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার সুযোগ করে দিয়েছি। কিন্তু তারপরও পত্রিকায় লেখা হয়, সরকার এইখানে ফেল করেছে। ওটাই তাদের আত্মসন্তুষ্টি। কিন্তু আমরা নিজেদের স্বার্থের জন্য রাজনীতি করি না, মানুষের জন্য কাজ করি।
শেখ হাসিনা বলেন, মনে রাখতে হবে, আমার পুরো পরিবারকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা শুধু দুই বোন বেঁচে আছি। গতকাল (২ অক্টোবর) ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা হয়েছে। এই দেশটি ভূমিকম্প আর সুনামিতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। আমার ছোট বোন রেহানা, লন্ডন থেকে আমাকে এসএমএস করেছে ইন্দোনেশিয়ার পাশে দাঁড়াও। আমি দেশটির প্রেসিডেন্টকে ফোন করে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছি। তবে আমরা অনেক উন্নয়ন করেছি, এমনিতেই ক্ষমতায় চলে আসব— এটা ভাবার সুযোগ নাই। বাংলাদেশ তো সে রকম দেশ না। এখানে কিছু মানুষ ষড়যন্ত্র করার জন্যই বসে থাকে।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যারা নষ্ট করতে চায় তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার দীর্ঘ পরিকল্পনা আছে কিনা সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক দেশ। এখানে সবাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রতিতে বিশ্বাস করে। যারা এটি নষ্ট করতে চায় তারা বিকৃত মানুষিকতার লোক। এদের ঠেকাতে সামাজিক সচেতনতা ও জনগণকে এগিয়ে আসা দরকার। সাইবার সিকিউরিটি আইন করা হয়েছে যাতে কারো কোনো ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কেউ কোনো নোংরামি করতে না পারে। এমনকি কেউ যেনো কোনো কিছু নিয়ে সামাজিক সন্ত্রাস তৈরি করতে না পারে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে যোগদান শেষে গত সোমবার সকালে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর গণভবনে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৩ তম অধিবেশনে যোগদান করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সাধারণ পরিষদের ৭৩ তম অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন এবং জাতিসংঘ মহাসচিব এন্টনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করেন শেখ হাসিনা।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি