ভারতের উড়িষ্যা ও অন্ধ্রপ্রদেশে আঘাত হানার পরই দুর্বল হয়ে গেছে ঘূর্ণিঝড় তিতলি। বাংলাদেশে এই ঘূর্ণিঝড় আঘাত না হানলেও ভালো প্রভাব ফেলেছে।
বৃহস্পতিবার রাত থেকে সারাদেশেই বৃষ্টি হচ্ছে। আর উপকূল এলাকায় শুক্রবার ভোর থেকে হচ্ছে ভারী বৃষ্টি। এতে জনজীবনে বিপর্যয় নেমে এসেছে।
এরই মধ্যে শুক্রবার আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে, উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় তিতলি সামান্য উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর এবং দুর্বল হয়ে একই এলাকায় গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।
এর প্রভাবে শুক্রবার দুপুর ১২টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (৪৪-৮৮ মিলি) থেকে অতি ভারী (কমবেশি ৮৯ মিলি) বর্ষণ হতে পারে।
ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের ফলে চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও পাহাড় ধসের আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আরো বলা হয়েছে, গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালার সৃষ্টি হয়েছে।
ফলে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থান করা সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলেছে আবহাওয়া বিভাগ।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে হ্যারিকেনের শক্তি নিয়ে ভারতের উড়িষ্যা ও অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’। এতে রাজ্য দুটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নিহত হয়েছেন অন্তত ৮ জন।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
বৃহস্পতিবার রাত থেকে সারাদেশেই বৃষ্টি হচ্ছে। আর উপকূল এলাকায় শুক্রবার ভোর থেকে হচ্ছে ভারী বৃষ্টি। এতে জনজীবনে বিপর্যয় নেমে এসেছে।
এরই মধ্যে শুক্রবার আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে, উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় তিতলি সামান্য উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর এবং দুর্বল হয়ে একই এলাকায় গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।
এর প্রভাবে শুক্রবার দুপুর ১২টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (৪৪-৮৮ মিলি) থেকে অতি ভারী (কমবেশি ৮৯ মিলি) বর্ষণ হতে পারে।
ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের ফলে চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও পাহাড় ধসের আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আরো বলা হয়েছে, গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালার সৃষ্টি হয়েছে।
ফলে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থান করা সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলেছে আবহাওয়া বিভাগ।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে হ্যারিকেনের শক্তি নিয়ে ভারতের উড়িষ্যা ও অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’। এতে রাজ্য দুটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নিহত হয়েছেন অন্তত ৮ জন।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি