শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের খেলোয়াড় সোহেল রানার স্ত্রী ও তিন বছরের ছেলে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। শনিবার দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে সাভারের মজিদপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, দুপুরে মানিকগঞ্জের শিবালয় থেকে সোহেল, তার স্ত্রী ঝুমা খাতুন ও তিন বছরের ছেলে আব্দুল্লাহকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে আশুলিয়ার নবীনগরের দিকে আসছিলেন। এসময় তাদের বহনকারী মোটরসাইকেলটি আশুলিয়ার নবীনগর কোহিনুর স্পিনিং মিলের কাছে পৌঁছালে পেছন থেকে একটি ট্রাক ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেল থেকে পড়ে ঝুমা খাতুন (২২) ও আব্দুল্লাহ নিহত হয়। এসময় সোহেলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে সাভারের গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ নিহতদের লাশ উদ্ধার করেছে। নিহতদের বাড়ি মানিকগঞ্জের শিবালয় থানা এলাকায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জানা যায়, ২০ নভেম্বর ফেডারেশন কাপের সেমিফাইনালের পর খেলোয়াড়দের ৩ দিনের ছুটি দিয়েছিলেন শেখ রাসেল কোচ সাইফুল বারী টিটু। সেই ছুটিতেই স্ত্রী-সন্তান নিয়ে গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলেন সোহেল রানা। শনিবার বিকেল থেকে শেখ রাসেলের অনুশীলন শুরু হওয়ার কথা। ক্যাম্পে যোগ দিতেই তিনি ঢাকায় ফিরছিলেন। সোহেল রানার বাসা ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায়।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
পুলিশ জানায়, দুপুরে মানিকগঞ্জের শিবালয় থেকে সোহেল, তার স্ত্রী ঝুমা খাতুন ও তিন বছরের ছেলে আব্দুল্লাহকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে আশুলিয়ার নবীনগরের দিকে আসছিলেন। এসময় তাদের বহনকারী মোটরসাইকেলটি আশুলিয়ার নবীনগর কোহিনুর স্পিনিং মিলের কাছে পৌঁছালে পেছন থেকে একটি ট্রাক ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেল থেকে পড়ে ঝুমা খাতুন (২২) ও আব্দুল্লাহ নিহত হয়। এসময় সোহেলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে সাভারের গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ নিহতদের লাশ উদ্ধার করেছে। নিহতদের বাড়ি মানিকগঞ্জের শিবালয় থানা এলাকায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জানা যায়, ২০ নভেম্বর ফেডারেশন কাপের সেমিফাইনালের পর খেলোয়াড়দের ৩ দিনের ছুটি দিয়েছিলেন শেখ রাসেল কোচ সাইফুল বারী টিটু। সেই ছুটিতেই স্ত্রী-সন্তান নিয়ে গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলেন সোহেল রানা। শনিবার বিকেল থেকে শেখ রাসেলের অনুশীলন শুরু হওয়ার কথা। ক্যাম্পে যোগ দিতেই তিনি ঢাকায় ফিরছিলেন। সোহেল রানার বাসা ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায়।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি