আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ ইচ্ছুক প্রার্থীদের মধ্যে সারাদেশে বিএনপির ১৪১ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বাতিল হয়েছে মাত্র ৩টি মনোনয়নপত্র। আওয়ামী লীগের মোট ২৮১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। আর বিএনপির মোট ৬৯৬ জন প্রার্থী নির্ধারিত সময়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। সোমবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তারা ইসিতে যে তথ্য পাঠিয়েছেন সেগুলো বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। ইসি সূত্র জানায়, বর্তমানে বিএনপির ৫৫৫ প্রার্থী বৈধ হিসেবে রয়েছেন। আর আওয়ামী লীগের বৈধ ২৭৮ প্রার্থী জন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়নপত্র বাতিল করে দিয়েছেন, এমন ৮৪ জন আগামী জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল করেছেন নির্বাচন কমিশনে। আরও দুই দিন আপিলের সুযোগ রয়েছে।
এদিকে ২ ডিসেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিন। সারাদেশে দাখিল করা ৩ হাজার ৬৫টি মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর ২ হাজার ২৭৯টি মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৭৮৬টি মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। বাতিল প্রার্থীরা বুধবার পর্যন্ত আপিল শুরু করতে পারবেন। ৬, ৭ ও ৮ ডিসেম্বর আপিল শুনানি করে নিষ্পত্তি করবে কমিশন।
আগামী ৯ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ এবং ৩০ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণ।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তারা ইসিতে যে তথ্য পাঠিয়েছেন সেগুলো বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। ইসি সূত্র জানায়, বর্তমানে বিএনপির ৫৫৫ প্রার্থী বৈধ হিসেবে রয়েছেন। আর আওয়ামী লীগের বৈধ ২৭৮ প্রার্থী জন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়নপত্র বাতিল করে দিয়েছেন, এমন ৮৪ জন আগামী জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল করেছেন নির্বাচন কমিশনে। আরও দুই দিন আপিলের সুযোগ রয়েছে।
এদিকে ২ ডিসেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিন। সারাদেশে দাখিল করা ৩ হাজার ৬৫টি মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর ২ হাজার ২৭৯টি মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৭৮৬টি মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। বাতিল প্রার্থীরা বুধবার পর্যন্ত আপিল শুরু করতে পারবেন। ৬, ৭ ও ৮ ডিসেম্বর আপিল শুনানি করে নিষ্পত্তি করবে কমিশন।
আগামী ৯ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ এবং ৩০ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণ।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি