আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বিষয়ক আপিলের দ্বিতীয় দিন আপিল শুনানিতে ৭৮ জন প্রার্থিতা পেয়েছেন। ৬৫টি আপিল খারিজ হয়ে যায়। আর ৭টি পেন্ডিং রাখা হয়েছে।
শুক্রবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সকাল ১০টা থেকে এই আপিল শুনানি শুরু হয়।
এদিন বিএনপির প্রার্থী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, গণফোরামের প্রার্থী রেজা কিবরিয়া, জাতীয় পার্টির সোহেল রানা (মাসুদ পারভেজ) আপিলে প্রার্থিতা পান।
আর আপিলে বাদ পড়লেন গণজাগরণ মঞ্চের একাংশের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার, বিএনপি নেতা ডা. জেডএম জাহিদ হোসেন, জাতীয় পার্টির প্র্রাক্তন মহাসচিব রুহুল আমীন হাওলাদারসহ ৬৫ জন।
আপিল শুনানিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বে শুনানি চলে। নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী ছাড়াও ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
এদিন ১৫০ জনের আপিল শুনানি করা হয়। আগামীকাল শনিবারও শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার প্রথমদিনের শুনানিতে ৮০ জন প্রার্থিতা পেয়েছেন। এরমধ্যে বিএনপির ৩৮ জন। প্রথম দিনে আপিল খারিজ হয়েছে ৭৬টি আর পেন্ডিং ছিল চারটি। এ নিয়ে দুদিনে প্রার্থিতা পেলেন ১৫৮ জন এবং ১৪১ জনের প্রার্থীতা বাতিল হয়েছে।
২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে ২ হাজার ২৭৯টি মনোনয়নপত্র বৈধ ও ৭৮৬টি অবৈধ বলে ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এগুলোর মধ্যে বিএনপির ১৪১টি, আওয়ামী লীগের ৩টি এবং জাতীয় পার্টির ৩৮টি মনোনয়নপত্রও বাতিল হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে ৩৮৪টি।
এ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ ডিসেম্বর। ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৩০ ডিসেম্বর।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
শুক্রবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সকাল ১০টা থেকে এই আপিল শুনানি শুরু হয়।
এদিন বিএনপির প্রার্থী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, গণফোরামের প্রার্থী রেজা কিবরিয়া, জাতীয় পার্টির সোহেল রানা (মাসুদ পারভেজ) আপিলে প্রার্থিতা পান।
আর আপিলে বাদ পড়লেন গণজাগরণ মঞ্চের একাংশের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার, বিএনপি নেতা ডা. জেডএম জাহিদ হোসেন, জাতীয় পার্টির প্র্রাক্তন মহাসচিব রুহুল আমীন হাওলাদারসহ ৬৫ জন।
আপিল শুনানিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বে শুনানি চলে। নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী ছাড়াও ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
এদিন ১৫০ জনের আপিল শুনানি করা হয়। আগামীকাল শনিবারও শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার প্রথমদিনের শুনানিতে ৮০ জন প্রার্থিতা পেয়েছেন। এরমধ্যে বিএনপির ৩৮ জন। প্রথম দিনে আপিল খারিজ হয়েছে ৭৬টি আর পেন্ডিং ছিল চারটি। এ নিয়ে দুদিনে প্রার্থিতা পেলেন ১৫৮ জন এবং ১৪১ জনের প্রার্থীতা বাতিল হয়েছে।
২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে ২ হাজার ২৭৯টি মনোনয়নপত্র বৈধ ও ৭৮৬টি অবৈধ বলে ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এগুলোর মধ্যে বিএনপির ১৪১টি, আওয়ামী লীগের ৩টি এবং জাতীয় পার্টির ৩৮টি মনোনয়নপত্রও বাতিল হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে ৩৮৪টি।
এ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ ডিসেম্বর। ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৩০ ডিসেম্বর।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি