৩০ডিসেম্বর ভোটের রাতে নোয়াখালীতে চার সন্তানের জননীকে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কর্তৃক ধর্ষণের ঘটনায় প্রতিশোধ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। বিএনপি মহাসসিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন যে বোনকে ধর্ষণ করা হয়েছে আমরা তাঁর প্রতিশোধ নিবো।
শনিবার (০৫জানুয়ারি) বিকেলে নোয়াখালী আইনজীবী সমিতির অডিটোরিয়ামে আইনজীবী ঐক্যফ্রন্ট সমিতির ব্যানারে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, শ্লোগান দিয়ে কিচ্ছু হবে না। যদি কাজ করতে না পারেন। এ সময় নেতারা বলেন, আন্দোলন চাই আন্দোলন!
ফখরুল বলেন, আর কত নির্যাতন সহ্য করবো, আর কত আমাদের ছেলেদের গুম হতে দেখবো, আর কত খালেদা জিয়াকে জেলে রাখবো।
তিনি আরো বলেন, ৭১ সালে পাক বাহিনী হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এদেশের মানুষের উপর। ঠিক একই কায়দায় ৩০ তারিখ ঝাঁপিয়ে পড়েছে আওয়ামী লীগ। কেড়ে নেয়া হয়েছে এদেশের মানুষের অধিকার। আমরা সেদিন তাদের রুখে দাঁড়াতে পারিনি। কারণ আমরা সুশৃঙ্খল নয়।
নেতা কর্মিদের উদ্দেশ্যে ফখরুল বলেন, আমরা কি এবার তাদের রুখে দিতে পারি না। আমরা আবার রুখে দাঁড়াবো। যে বোনকে ধর্ষণ করা হয়েছে তাঁর প্রতিশোধ নিবো। আমরা সত্য ও ন্যায়ের উপর দাঁড়িয়ে আছি। আর আলীগ মিথ্যার উপর দাঁড়িয়ে আছে। আমাদের হতাশ হওয়ার কিছুই নেই। এবার দেশকে রক্ষা করার জন্য ছুটতে হবে ।মনে রাখবেন আপনারা একা নন, সারাদেশের মানুষ আপনাদের পাশে আছে। আলীগ চোরাবালির উপর দাঁড়িয়ে আছে। আমাদেরকে মুক্তির সংগ্রামে নামতে হবে।
জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, দেশে কোনো ভোট হয়নি। ভোটের আগের রাতে ২৯ তারিখে ভোট শেষ! ভোটের নামে উলংঘ ডাকাতি হয়েছে। আলীগ এখন মানুষের ঘর বাড়ি সব দখল করে নেবে। কেউ বেঁচে থাকবে কিনা সন্দেহ আছে। হায়েনাদের আঘাতে এক বোনের শরীর ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেছে। সিগারেটের ছেকা দেয়া হয়েছে। দেশে আরো অনাচার হবে। তাদের এখনই রুখে দিতে হবে। তা না হলে হায়েনাদের আঘাতে সারাদেশ সুবর্ণচর হয়ে যাবে।
আসম রব বলেন, বিএনপিকে ঐক্য রাখতে হবে। ঐক্য না রাখলে বিএনপির অস্তিত্ব থাকবে না
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বলেন, পারুল বেগমকে দেখতে এসে বিএনপি নেতাদের উচ্ছাস দেখেছি। এ বিশ্খলা থাকলে একশ বছরেও ক্ষমতায় আসবেন না। আওয়ামী লীগ ভোট চুরি করেনি করেছে পুলিশ। আল্লাহ এদের কাউকে ক্ষমা করবে না। যারা সেলফি তুলে তাঁরা শয়তানের চেয়েও খারাপ!
এসময়ে বিএনপির বরকত উল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, জয়নুল আবদিন ফারুক, আতাউর রহমান ঢালী, শামসুল আলম, মাহবুবউদ্দিন খোকন, হারুনুর রশীদ, শহিদ উদ্দিন চৌথুরী এ্যানি, কামরুজ্জামান রতন, শিরিন সুলতানা, রেহানা আখতার রানু, সৈয়দ আসিফা আশরাফী পাপিয়া, শামীমা বরকত লাকী, হারুনুর রশীদ, আকবর হোসেন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের হাবিবুর রহমান খোকা, চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার, শায়রুল কবির খান, স্থানীয় নেতা জেলা সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসি, সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান, শহর সভাপতি আবু নাসের, অঙ্গসংগঠনের মঞ্জুরুল আজিম সুমন, নুরুল আমিন খান, সাবের আহমেদ, মিজানুর রহমান মিজান, আবু হাসান নোমান প্রমূখ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার (০৫জানুয়ারি) বিকেলে নোয়াখালী আইনজীবী সমিতির অডিটোরিয়ামে আইনজীবী ঐক্যফ্রন্ট সমিতির ব্যানারে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, শ্লোগান দিয়ে কিচ্ছু হবে না। যদি কাজ করতে না পারেন। এ সময় নেতারা বলেন, আন্দোলন চাই আন্দোলন!
ফখরুল বলেন, আর কত নির্যাতন সহ্য করবো, আর কত আমাদের ছেলেদের গুম হতে দেখবো, আর কত খালেদা জিয়াকে জেলে রাখবো।
তিনি আরো বলেন, ৭১ সালে পাক বাহিনী হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এদেশের মানুষের উপর। ঠিক একই কায়দায় ৩০ তারিখ ঝাঁপিয়ে পড়েছে আওয়ামী লীগ। কেড়ে নেয়া হয়েছে এদেশের মানুষের অধিকার। আমরা সেদিন তাদের রুখে দাঁড়াতে পারিনি। কারণ আমরা সুশৃঙ্খল নয়।
নেতা কর্মিদের উদ্দেশ্যে ফখরুল বলেন, আমরা কি এবার তাদের রুখে দিতে পারি না। আমরা আবার রুখে দাঁড়াবো। যে বোনকে ধর্ষণ করা হয়েছে তাঁর প্রতিশোধ নিবো। আমরা সত্য ও ন্যায়ের উপর দাঁড়িয়ে আছি। আর আলীগ মিথ্যার উপর দাঁড়িয়ে আছে। আমাদের হতাশ হওয়ার কিছুই নেই। এবার দেশকে রক্ষা করার জন্য ছুটতে হবে ।মনে রাখবেন আপনারা একা নন, সারাদেশের মানুষ আপনাদের পাশে আছে। আলীগ চোরাবালির উপর দাঁড়িয়ে আছে। আমাদেরকে মুক্তির সংগ্রামে নামতে হবে।
জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, দেশে কোনো ভোট হয়নি। ভোটের আগের রাতে ২৯ তারিখে ভোট শেষ! ভোটের নামে উলংঘ ডাকাতি হয়েছে। আলীগ এখন মানুষের ঘর বাড়ি সব দখল করে নেবে। কেউ বেঁচে থাকবে কিনা সন্দেহ আছে। হায়েনাদের আঘাতে এক বোনের শরীর ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেছে। সিগারেটের ছেকা দেয়া হয়েছে। দেশে আরো অনাচার হবে। তাদের এখনই রুখে দিতে হবে। তা না হলে হায়েনাদের আঘাতে সারাদেশ সুবর্ণচর হয়ে যাবে।
আসম রব বলেন, বিএনপিকে ঐক্য রাখতে হবে। ঐক্য না রাখলে বিএনপির অস্তিত্ব থাকবে না
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বলেন, পারুল বেগমকে দেখতে এসে বিএনপি নেতাদের উচ্ছাস দেখেছি। এ বিশ্খলা থাকলে একশ বছরেও ক্ষমতায় আসবেন না। আওয়ামী লীগ ভোট চুরি করেনি করেছে পুলিশ। আল্লাহ এদের কাউকে ক্ষমা করবে না। যারা সেলফি তুলে তাঁরা শয়তানের চেয়েও খারাপ!
এসময়ে বিএনপির বরকত উল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, জয়নুল আবদিন ফারুক, আতাউর রহমান ঢালী, শামসুল আলম, মাহবুবউদ্দিন খোকন, হারুনুর রশীদ, শহিদ উদ্দিন চৌথুরী এ্যানি, কামরুজ্জামান রতন, শিরিন সুলতানা, রেহানা আখতার রানু, সৈয়দ আসিফা আশরাফী পাপিয়া, শামীমা বরকত লাকী, হারুনুর রশীদ, আকবর হোসেন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের হাবিবুর রহমান খোকা, চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার, শায়রুল কবির খান, স্থানীয় নেতা জেলা সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসি, সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান, শহর সভাপতি আবু নাসের, অঙ্গসংগঠনের মঞ্জুরুল আজিম সুমন, নুরুল আমিন খান, সাবের আহমেদ, মিজানুর রহমান মিজান, আবু হাসান নোমান প্রমূখ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।