বাংলাদেশ

জঙ্গি ছিনতাইয়ে নেতৃত্ব দেওয়া ব্যক্তি শনাক্ত: সিটিটিসি–প্রধান

ঢাকার আদালত চত্বর থেকে দুই জঙ্গিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় নেতৃত্ব দেওয়া ব্যক্তি এবং তাঁর কয়েক সহযোগীকে শনাক্তকরার কথা জানিয়েছেন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনারমো. আসাদুজ্জামান।   আজ সোমবার সন্ধ্যায় মামলার অগ্রগতি জানাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদসম্মেলনে মো. আসাদুজ্জামান এসব তথ্য জানান।    তিনি বলেন, তাঁরা এসব জঙ্গির পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জঙ্গিসংগঠনটির জন্য ‘খুব গুরুত্বপূর্ণ’ হওয়ায় তাঁদের ছিনিয়ে নেওয়ার পদক্ষেপ নিয়েছিলেন তাঁরা।   জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় কতজন ছিলেন, সে প্রশ্নের জবাবে সিটিটিসি–প্রধান বলেন, জঙ্গি ছিনিয়ে নেওয়া ও পুলিশের ওপরহামলায় ১০ থেকে ১২ জন ছিলেন। ব্রিফিংয়ের একপর্যায়ে সাংবাদিকেরা জানতে চান, পালিয়ে যাওয়া জঙ্গিরা দেশে আছেন, নাকি সীমান্ত পার হয়েছেন। জবাবেআসাদুজ্জামান বলেন, ‘আমরা সীমান্তে সতর্ক আছি, যাতে জঙ্গিরা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে দেশ ছাড়তে না পারে।’   ছিনিয়ে নেওয়া দুজন নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের (সাবেক আনসারুল্লাহ বাংলা টিম) সদস্য। তাঁরা জাগৃতিপ্রকাশনীর প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপন এবং লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। এই জঙ্গিসংগঠনের নেতা মেজর (বরখাস্ত) সৈয়দ জিয়াউল হক, যাঁর পরিকল্পনায় ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত একাধিক লেখক, প্রকাশক, ব্লগার ও অনলাইন অ্যাকটিভিস্টকে হত্যা করা হয়েছিল।   এ ঘটনা তদন্তে পুলিশ সদর দপ্তর ও ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পালিয়ে যাওয়াজঙ্গিদের ধরিয়ে দিতে পারলে ১০ লাখ টাকা করে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। সারা দেশে রেড অ্যালার্ট জারিও করা হয়েছে বলেস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান জানিয়েছেন।   এলএবাংলাটাইমস/ওএম