বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশ (২৪) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলায় তার বান্ধবী আমাতুল্লাহ বুশরার জামিন আবেদনের শুনানি বৃহস্পতিবার দুপুরে শেষ হয়েছে। ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-৭ এর বিচারক মো. তাহসিন ইফতেখার বিকেলে রায় ঘোষণা করবেন।
শুনানিকালে বিবাদীপক্ষের আইনজীবী আদালতকে বলেন, বুশরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত না। গত ১৫ ডিসেম্বর ডিবি ও র্যাব আলাদা সংবাদ সম্মেলনে বলেছে যে ফারদিন আত্মহত্যা করেছেন। ফারদিনের বাবা কাজী নুরউদ্দিন রানাও শুনানিকালে উপস্থিত ছিলেন। বুশরার জামিনে তার কোনো আপত্তি নেই বলে তিনি জানিয়েছেন। তবে, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, বুশরা এই মামলার প্রধান আসামি। ঘটনার দিন রাত ১০টা পর্যন্ত তিনি ফারদিনের সঙ্গেই ছিলেন। ২ পক্ষের বক্তব্য শেষে আদালত বিকেলে রায় দেবেন বলে জানান।
এর আগে গত বছরের ৫ ডিসেম্বর নিম্ন আদালতের খারিজ আদেশের পর পুনরায় জামিন আবেদন করেন বুশরা। এরপর এ মামলায় জামিন আবেদনের ওপর শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করেন বিচারক। গত ১৬ নভেম্বর বুশরার ৫ দিনের রিমান্ড শেষ হওয়ার পর জামিন আবেদন খারিজ হলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ৩ দিন পর গত বছরের ৭ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফারদিনের গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় একই বছরের ১০ নভেম্বর বুশরাসহ অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে ‘হত্যা করে লাশ গুম’ করার অভিযোগে মামলা করা হয়। রামপুরা থানায় নিহত ফারদিনের বাবা নূর উদ্দিন রানা বাদী হয়ে এ মামলা করেন।
এই ঘটনায় একই বছরের ১০ নভেম্বর ফারদিনের বান্ধবী আমাতুল্লাহ বুশরাসহ অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে রামপুরা থানায় হত্যা মামলা করেন ফারদিনের বাবা নূর উদ্দিন রানা। ওই মামলায় বুশরাকে রিমান্ডে নেয় পুলিশ।
এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস
এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস