টিউবারকুলোসিস (টিবি) রোগে আক্রান্ত হয়ে গাজীপুর সাফারি পার্কে বেঁচে থাকা একমাত্র জিরাফটিও চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিষয়টি জানাজানি হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে জিরাফটি মারা যায়। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার শ্রীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে পার্ক কর্তৃপক্ষ।
গাজীপুর সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক রহমান জানান, দীর্ঘদিন ধরে সাফারি পার্কের সর্বশেষ জিরাফটি টিবি রোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ ছিল। জিরাফটিকে সুস্থ করতে ছয় সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। মেডিকেল বোর্ডের সর্বশেষ চেষ্টা ব্যর্থ করে গত ২৩ অক্টোবর পার্কের ভেতরেই মৃত্যু হয় জিরাফটির। মৃত্যুর পর জিরাফটির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে। তারপর পার্কের ভেতরেই জিরাফটিকে মাটি চাপা দেওয়া হয়। এই জিরাফটির মৃত্যুর মাধ্যমে পার্কটি জিরাফ শূন্য হয়ে পড়েছে।
জিরাফের মৃত্যুর ঘটনায় সাফারি পার্কের বন্য প্রাণী পরিদর্শক রাজু আহমেদ গতকাল বিকেলে শ্রীপুর থানায় জিডি করেছেন। জিডিতে উল্লেখ করা হয়, সাফারি পার্কে আফ্রিকান একটি পূর্ণবয়স্ক অসুস্থ স্ত্রী জিরাফ চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৩ অক্টোবর বিকেল চারটার দিকে মারা যায়। পরে মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা জিরাফটির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন। তারা প্রতিবেদনে জিরাফটি টিবি রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে বলে উল্লেখ করেছেন।
পার্ক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে পার্ক প্রতিষ্ঠার সময় দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে স্ত্রী-পুরুষ মিলিয়ে ১২টি জিরাফ আনা হয়। পরে বিভিন্ন সময় জিরাফগুলো চারটি বাচ্চা দেয়। তবে সেগুলো বাঁচেনি। ২০১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে রোগাক্রান্ত হয়ে ৯টি জিরাফ মারা যায়। সর্বশেষ তিনটি স্ত্রী জিরাফ টিকে ছিল। এরপর ২০২৩ সালের ২০ অক্টোবর ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে একটি, গত বছরে একটি এবং গত বৃহস্পতিবার সর্বশেষ জিরাফটিও মারা যায়। এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস
পার্ক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে পার্ক প্রতিষ্ঠার সময় দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে স্ত্রী-পুরুষ মিলিয়ে ১২টি জিরাফ আনা হয়। পরে বিভিন্ন সময় জিরাফগুলো চারটি বাচ্চা দেয়। তবে সেগুলো বাঁচেনি। ২০১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে রোগাক্রান্ত হয়ে ৯টি জিরাফ মারা যায়। সর্বশেষ তিনটি স্ত্রী জিরাফ টিকে ছিল। এরপর ২০২৩ সালের ২০ অক্টোবর ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে একটি, গত বছরে একটি এবং গত বৃহস্পতিবার সর্বশেষ জিরাফটিও মারা যায়। এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস