যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাস সংক্রমণের মাঝেই জোয়ার বয়েছে কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার প্রতিবাদে আন্দোলনের। তাই দ্বিতীয় দফায় করোনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা পরামর্শ দিয়েছেন যারা সভা-সমাবেশ বা মিছিলে অংশ নিয়েছেন তাদের করোনা টেস্ট করতে।
লস এঞ্জেলেস কাউন্টিতে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বারবারা ফেরার বলেন, যদি আপনারা কেউ প্রতিবাদ-জনসমাবেশে গিয়ে থাকেন পর্যাপ্ত সতর্কতা বা মাস্ক ছাড়াই এবং ১৫ মিনিটের মতো অংশগ্রহণ করেন। তাহলে করোনা পরীক্ষা করা উচিত।
তবে মিছিলে অংশগ্রহণের পর সাথে সাথেই করোনা পরীক্ষা না করার পরামর্শ এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তার। তাহলে ফলাফল নেগেটিভ আসার সম্ভাবনা বেশি। এছাড়া ফলাফল নেগেটিভ আসলেও ১৪দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকা উচিত বলে মনে করেন বারবারা।
এছাড়া বয়স্ক কিংবা যাদের শারীরিক সমস্যা রয়েছে তাদের নিরাপত্তা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বাসায় অবস্থানকালে ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখা ও মাস্ক পরা আবশ্যক। যারা আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন তাদের খাদ্য তৈরি ও জিনিসপত্র পরিষ্কার করা ইত্যাদি থেকে বিরত থাকতে বলা হচ্ছে।
দ্য ইউএস সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন গত সপ্তাহে এ বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছে। ডিরেক্টর রবার্ট রেডফিল্ড বলেন, এ ধরনের ঘটনা সংক্রমণের বীজ বপন করতে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রয়োজন ব্যক্তিগত উদ্যোগ। অন্যদের জীবন বাঁচাতে সভা-সমাবেশকারীদের করোনা পরীক্ষা করা উচিত বলে জানান তিনি। তিন, পাঁচ বা সাতদিনের মধ্যে এই টেস্ট করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা রাজ্যের মিনিয়াপোলিসে পুলিশে হেফাজতে নির্মম নির্যাতনে মারা যান কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েড। এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হলে যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার স্লোগানে আন্দোলন শুরু হয়। এখনো বিভিন্ন রাজ্যে সেই আন্দোলন চলছে।
এলএ/বাংলা টাইমস/এন/এইচ